📄 প্রাইভেট সেক্রেটারী
পুরুষের জন্য আমানতদারি রক্ষা করে প্রাইভেট সেক্রেটারীর কাজ করা রুযী সন্ধানের একটি হালাল উপায়। কিন্তু মহিলার জন্য কোন মহিলার প্রাইভেট সেক্রেটারী হওয়া ছাড়া কোন পুরুষের প্রাইভেট সেক্রেটারী হওয়া বৈধ নয়। কেননা, মহিলা সে ক্ষেত্রে শরয়ী আদব পালন করতে পারবে না। সে তার ঐ অফিসারের সাথে নির্জনতা অবলম্বন করবে, সেখানে সে পর্দা বজায় রাখতে পারবে না এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সে নিজেকে ব্যভিচারের ছোবল থেকে রক্ষা করতে পারবে না।
📄 হিসাব-রক্ষক
হিসাব-রক্ষক বা একাউন্টারের পেশাও বৈধ পেশা; যদি তাতে আমানতদারি রক্ষা পায় তাহলে। আমানতের খেয়ানত হলেই খেয়ানত করা অর্থ এবং সে পেশায় কামানো মাল হারাম হয়ে যাবে।
📄 ড্রাইভার (নারী ও পুরুষ)
আমানতদারি ও বৈধতার সাথে গাড়ি চালিয়ে হালাল রুযী উপার্জন করা সম্ভব। তবে এ পেশাতে ইসলামিক ও ট্রাফিক আইন মেনে চলা জরুরী। যেমন অবৈধ লোক বা জিনিস বহন করার জন্য ভাড়া যাওয়া বৈধ নয়। গাড়ির মালিকের সাথে নির্দিষ্ট টাকার চুক্তি করে প্রত্যহ বা মাস ভিত্তিক নির্দিষ্ট টাকা দেওয়া বৈধ নয়। মালিককে ফাঁকি দিয়ে অল্প ভাড়ার কথা বলে নিজে পয়সা মারা বৈধ নয়। বৈধ নয় মালিকের চোখে ধুলো দিয়ে ট্রিপ চুরি করা। বৈধ নয়, অপরিচিত মুসাফিরকে অচেনা পথে নিয়ে গিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কাছের রাস্তাকে দূর দেখিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা। পথে-ঘাটে নানা বিপদের আশঙ্কা আছে বলেই ইসলাম কোন মহিলার জন্য ড্রাইভারীর পেশাকে বৈধ মনে করে না।
📄 কন্ডাক্টর, খালাসী
কোন গাড়িতে ড্রাইভারের সহায়ক হিসাবে কন্ডাক্টর অথবা খালাসীর কাজ আমানতদারি ও নৈপুণ্যের সাথে করে হালাল রুযী কামানো যায়। তাতে গোপনভাবে টাকা লুকিয়ে আত্মসাৎ করলে অবশ্যই আমানতের খেয়ানত হয়। আমানতের খেয়ানত হয় কাজে ফাঁকি দিলে। আর তখনই উপার্জন হারামে পরিণত হয়।