📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 জুতা সেলাই

📄 জুতা সেলাই


জুতা সিলাই-এর কাজও মন্দ নয়। যে কোন মুসলিম সে কাজ করে রুযী সন্ধানের ব্যবস্থা করতে পারে। অবশ্য এ পেশাতেও নৈপুণ্য ও আমানতদারির কথা খেয়াল অবশ্যই রাখতে হয়। চেয়ে-মেগে খাওয়া থেকে নিজের হাতের কামাই করে খাওয়া অবশ্যই উত্তম। যেমন সমাজের কারো জন্য এমন শ্রেণীর মানুষদেরকে ঘৃণা ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা বৈধ নয়।

📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 ময়রা

📄 ময়রা


ময়রার মিষ্টি বানানোর কাজও উত্তম কাজ। যে কোন মুসলিম সে কাজ করে নিজের সংসার চালাতে পারে। অবশ্য নৈপুণ্য ও আমানতদারির কথা নিশ্চয়ই মনে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে যে, কোন জিনিসে কোন প্রকার ধোকা ও ভেজাল দেওয়া চলবে না। চলবে না নির্দিষ্ট মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া বা খারাপ হওয়া কোন খাবার জিনিস বিক্রয় করা। চলবে না ময়লা হাত ও পাত্রে কোন খাবার জিনিস স্পর্শ করা ও রাখা।

📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 জেলে

📄 জেলে


মাছ ধরে বিক্রয় করার পেশা অবলম্বন করেও মুসলিম হালাল রুযী পেতে পারে। তবে সে কাজে ও ব্যবসায় তার আমানতদারি থাকতে হবে। অপরের পুকুরে মাছ ধরলে নিজের চুক্তি ও ভাগের বেশী একটিও বেশী মাছ মালিকের বিনা অনুমতিতে লুকিয়ে নিতে পারবে না।

প্রকাশ থাকে যে, বর্ষার সময় যে মাছ পুকুর ছেড়ে বের হয়ে যায়, সে মাছ পুকুর সীমানার ভিতর থেকে ধরে খাওয়া মালিক ছাড়া অন্যের জন্য বৈধ নয়। বৈধ নয় আংশিক মালিকের তা ধরে সম্পূর্ণ ভোগ করা। অবশ্য পুকুরের বাইরে সাধারণ নালা বা খালে চলে এলে এবং তা পানির স্রোতে নদী বা সমুদ্রে গিয়ে মিলিত হবার কথা নিশ্চিত হলে তা যে কেউ ধরে খেতে পারে।

📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 কসাই

📄 কসাই


হালাল পশু যবেহ করে তার গোশ্ত বিক্রয় করার পেশা মন্দ ও নিকৃষ্ট নয়। মন্দ হল তাতে আমানতদারি না থাকার কথা। মন্দ হল শরয়ী ছাড়া অন্য পদ্ধতিমতে যবেহ করা, যবেহর পর রক্ত ধরে রেখে গোশ্ত লাল দেখিয়ে খদ্দেরকে ধোকা দেওয়া, গরুর মাথা লটকে রেখে মহিষের গোশ্ত বিক্রয় করা অথবা খাসির মাথা সামনে রেখে পাঁঠীর গোশ্ত বিক্রয় করা, ওজনে কম দেওয়া ইত্যাদি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00