📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 হাজাম

📄 হাজাম


শৃঙ্গ বা কোন নলের মাধ্যমে দেহ থেকে বদ বা দূষিত রক্ত বের করার পেশাদার লোককে হাজ্জাম বলা হয়। অবশ্য আমাদের দেশে কোন কোন এলাকায় যে লোক লিঙ্গত্বকছেদ (খতনা) করে তাকেও হাজাম বলা হয়ে থাকে। পেশা হিসাবে লোকে তা ঘৃণা করলেও তার উপার্জন কিন্তু হারাম নয়। যেহেতু মহানবী নিজে দূষিত রক্ত বের করিয়ে হাজ্জামকে তার পারিশ্রমিক প্রদান করেছেন। যদি তার কামাই অপবিত্র হত, তাহলে তিনি তা প্রদান করতেন না। (আবু দাউদ ৩৪২৩নং)

📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 মেথর

📄 মেথর


মেথরের কাজ ঘৃণ্য হলেও সমাজে এমন লোকের প্রয়োজন আছে। কেউ যদি উত্তম কাজ না পেয়ে ঐ কাজকেই নিজের পেশা বলে বরণ করে অর্থোপার্জন করে তবে তা হারাম নয়। অবশ্য এ ক্ষেত্রে শরীয়তের আদব পবিত্রতার সময় পবিত্রতা ইত্যাদির কথা খুব সতর্কতার সাথে খেয়াল রাখতে হবে।

📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 জুতা সেলাই

📄 জুতা সেলাই


জুতা সিলাই-এর কাজও মন্দ নয়। যে কোন মুসলিম সে কাজ করে রুযী সন্ধানের ব্যবস্থা করতে পারে। অবশ্য এ পেশাতেও নৈপুণ্য ও আমানতদারির কথা খেয়াল অবশ্যই রাখতে হয়। চেয়ে-মেগে খাওয়া থেকে নিজের হাতের কামাই করে খাওয়া অবশ্যই উত্তম। যেমন সমাজের কারো জন্য এমন শ্রেণীর মানুষদেরকে ঘৃণা ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা বৈধ নয়।

📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 ময়রা

📄 ময়রা


ময়রার মিষ্টি বানানোর কাজও উত্তম কাজ। যে কোন মুসলিম সে কাজ করে নিজের সংসার চালাতে পারে। অবশ্য নৈপুণ্য ও আমানতদারির কথা নিশ্চয়ই মনে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে যে, কোন জিনিসে কোন প্রকার ধোকা ও ভেজাল দেওয়া চলবে না। চলবে না নির্দিষ্ট মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া বা খারাপ হওয়া কোন খাবার জিনিস বিক্রয় করা। চলবে না ময়লা হাত ও পাত্রে কোন খাবার জিনিস স্পর্শ করা ও রাখা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00