📄 কুম্ভকার
মাটি দিয়ে পাত্র তৈরীর কাজ মুসলিমরাও করতে পারে। অবশ্য আমানতদারি বহাল রাখতে কোন নোংরা বা অপবিত্র মাটি দ্বারা তা নির্মাণ করা বৈধ নয়। মানুষ যাতে রান্না করবে ও পানাহার করবে, তা পবিত্র রাখা তার কর্তব্য। যেহেতু ক্রেতা তার খবর জানবে না।
📄 ছুতোর
ছুতোর ছিলেন। অতএব ছুতোর বা কাঠ-মিস্ত্রির কাজও উত্তম পেশা। যাকারিয়া আমানতদারি রক্ষার সাথে এই পেশার মাধ্যমে হালাল রুযী অনুসন্ধান করা যায়। অবশ্য কাঠ সংগ্রহের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, যাতে কারো মালিকানাধীন জায়গা থেকে তা সংগ্রহ না করা হয় এবং তাতে কোন প্রকার ধোকা-ধাপ্পার কারবার না থাকে।
📄 রাজমিস্ত্রী
পরিশ্রমের কর্মাবলীর মধ্যে রাজমিস্ত্রির কাজও উত্তম। তবে তাতেও আমানতদারির খেয়াল অবশ্যই রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যাতে বাড়ি-ওয়ালা তার কাজে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। কাজে কোন প্রকার ফাঁকিবাজি না থাকে। যেমন শরীয়তে অবৈধ এমন ঘর (কবর, আস্তানা, সিনেমা হল প্রভৃতি) বানানো তার জন্য বৈধ নয়।
প্রকাশ থাকে যে, স্বর্ণকার, কর্মকার, কুম্ভকার, ছুতোর বা রাজমিস্ত্রি কারো জন্য কোন মূর্তি নির্মাণ করা বৈধ নয়। বলা বাহুল্য, মূর্তি নির্মাণ করার মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ হালাল নয়।
📄 ঘরামি
পারিশ্রমিকের বিনিময়ে অপরের ঘর বানিয়ে বা ছুইয়ে অর্থ উপার্জন করা রুযী সন্ধানের একটি হালাল পদ্ধতি। সুতরাং সকল আমানতদারির সাথে এ কাজ করলে মুমিন হালাল রুযী পেতে পারে। এ কথা বিদিত যে, শরীয়তে যে ঘর অবৈধ, তা বানিয়ে অর্থ উপার্জন করাও অবৈধ।