📄 স্বর্ণকার
স্বর্ণকারের কাজেও আমানতদারির পরীক্ষা আছে। পরের স্বর্ণে লোভ করে তার বিনিময়ে নিজের ঈমান বিক্রয় করা বৈধ নয় কোন মুসলিমের। বৈধ নয় স্বর্ণে ভেজাল দিয়ে ওজন বাড়িয়ে স্বর্ণের সমান দাম নেওয়া।
মহান আল্লাহ কাজের নৈপুণ্য পছন্দ করেন। অতএব মুসলিমেরও উচিত সে যেন তার কর্মে তা প্রকাশ করে।
প্রকাশ থাকে যে, নতুন সোনার পরিবর্তে পুরাতন সোনা বিনিময় করার সময় সমান সমান পরিমাণ হতে হবে। নচেৎ নতুন সোনার বদলে পুরনো সোনা বেশী নিলে অথবা সমান নিয়ে অতিরিক্ত দাম নিলে তা সুদ ও হারামে পরিণত হয়ে যাবে। ('দেনা-পাওনা' দ্রষ্টব্য)
📄 কর্মকার
ইসলামে লোহার কাজ মুসলিমও করতে পারে। দাউদ নবী লোহার কাজ করেছেন। বলাই বাহুল্য যে, স্বর্ণকারের মতই কর্মকারের কাজেও আমানতদারির পরীক্ষা দিতে হয়। ভেজাল ভরে দিয়ে সোনাচুরির মত লোহাচুরির অভ্যাস যদি কর্মকারের থাকে, তাহলে তার উপার্জনও হারামে পরিগণিত হবে।
📄 কুম্ভকার
মাটি দিয়ে পাত্র তৈরীর কাজ মুসলিমরাও করতে পারে। অবশ্য আমানতদারি বহাল রাখতে কোন নোংরা বা অপবিত্র মাটি দ্বারা তা নির্মাণ করা বৈধ নয়। মানুষ যাতে রান্না করবে ও পানাহার করবে, তা পবিত্র রাখা তার কর্তব্য। যেহেতু ক্রেতা তার খবর জানবে না।
📄 ছুতোর
ছুতোর ছিলেন। অতএব ছুতোর বা কাঠ-মিস্ত্রির কাজও উত্তম পেশা। যাকারিয়া আমানতদারি রক্ষার সাথে এই পেশার মাধ্যমে হালাল রুযী অনুসন্ধান করা যায়। অবশ্য কাঠ সংগ্রহের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, যাতে কারো মালিকানাধীন জায়গা থেকে তা সংগ্রহ না করা হয় এবং তাতে কোন প্রকার ধোকা-ধাপ্পার কারবার না থাকে।