📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 নৃত্যশিল্পী, নর্তকী

📄 নৃত্যশিল্পী, নর্তকী


অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে নেচে-গেয়ে মানুষের মনমুগ্ধ করা বিশেষ করে কোন মুসলিম নারীর জন্য বৈধ নয়। অতএব বৈধ নয় তার মাধ্যমে অর্থ সঞ্চয়।

📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 বাদক

📄 বাদক


ইসলামে বাজনা হারাম। মহানবী বলেন, "অবশ্যই আমার উম্মতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায় হবে; যারা ব্যভিচার, (পুরুষের জন্য) রেশমবস্ত্র, মদ এবং বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার (হারাম হওয়া সত্ত্বেও) হালাল মনে করবে।” (বুখারী ৫৫৯০, আবু দাউদ, তিরমিযী, দারেমী, সহীহুল জামে' ৫৪৬৬ নং)

তিনি বলেন, "অবশ্যই আমার উম্মতের কিছু লোক মদের নাম পরিবর্তন করে তা পান করবে, তাদের মাথার উপরে বাদ্যযন্ত্র বাজানো হবে এবং নর্তকী নাচবে। আল্লাহ তাদেরকে মাটিতে ধসিয়ে দেবেন এবং বানর ও শূকরে পরিণত করবেন!” (ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, ত্বাবারানী, বাইহাকীর শুআবুল ঈমান, সহীহুল জামে' ৫৪৫৪ নং)

তিনি আরো বলেন, "অবশ্যই আমার উম্মতের মাঝে (কিছু লোককে) মাটি ধসিয়ে, পাথর বর্ষণ করে এবং আকার বিকৃত করে (ধ্বংস করা) হবে। আর এ শাস্তি তখন আসবে, যখন তারা মদ পান করবে, নর্তকী রাখবে এবং বাদ্যযন্ত্র বাজাবে।” (সহীহুল জামে' ৩৬৬৫, ৫৪৬৭ নং)

প্রিয় নবী আরো বলেন, "অবশ্যই আল্লাহ আমার উম্মতের জন্য মদ, জুয়া, ঢোল-তবলা এবং বীণা-জাতীয় বাদ্যযন্ত্রকে হারাম করেছেন।” (আহমদ, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৭০৮ নং)

বলা বাহুল্য যে, যে কোন প্রকারের বাজনা বা মিউজিক বাজানোর পেশা কোন মুসলিম গ্রহণ করতে পারে না। পারে না তার মাধ্যমে কোন অর্থ উপার্জন করতে। কারণ তা অপবিত্র ও অবৈধ।

📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 অভিনেতা-অভিনেত্রী, মডেলিং

📄 অভিনেতা-অভিনেত্রী, মডেলিং


অবৈধ অভিনয় কোন মুসলিম করতে পারে না। বর্তমান চলচিত্র জগতের যে সকল ছবি তৈরী হয়, তার প্রায় সবটাই প্রেম ও যৌনতা থেকে মুক্ত নয়। অতএব ঐ শ্রেণীর কোন অভিনয়ে অংশগ্রহণ করা মুসলিমের জন্য বৈধ নয়।

অভিনয় হল প্রদর্শনের জন্য। মুসলিম মহিলা বেগানা কোন পুরুষকে এমনিই দেখা দিতে পারে না। না সরাসরি, আর না ক্যামেরা বা ছবির মাধ্যমে। সুতরাং কোন মুসলিম মহিলার অভিনেত্রী হওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না। বলাই বাহুল্য যে, কোন মুসলিম নারী নিজ রূপ-লাবণ্যের ব্যবসা করে খেতে পারে না।

📘 হারাম রুযী ও রোযগার > 📄 হাস্য-কৌতুক

📄 হাস্য-কৌতুক


হাস্য-কৌতুককে একটি কলা ও পেশা হিসাবে অবলম্বন করে কোন কোন মুসলিম এর শিল্পী হয়ে মানুষের মনজয় করে থাকে। অথচ প্রিয় রসূল বলেন, “দুর্ভোগ সেই ব্যক্তির, যে মিথ্যা বলে লোকেদেরকে হাসায়। দুর্ভোগ তার জন্য, দুর্ভোগ তার জন্য।” (আবুদাউদ ৪৯৮৯নং, তিরমিযী, সহীহুল জামে' ৭০১৩)

তিনি আরো বলেন, “শোনো! যে ব্যক্তি এমন কথা বলে; যার দ্বারা সে লোকেদেরকে হাসাতে চায় সে ব্যক্তি সম্ভবতঃ আকাশ হতে দূরবর্তী স্থানে নিপতিত হয়। শোনো! তোমাদের মধ্যে কোন মানুষ এমন কথা বলে; যার দ্বারা সে নিজ সঙ্গীদেরকে হাসাতে চায় সম্ভবতঃ তার দরুন আল্লাহ ঐ মানুষের উপর ক্রোধান্বিত হন এবং তাকে জাহান্নামে না দেওয়া পর্যন্ত সন্তুষ্ট হন না।” (সহীহ তারগীব ২৮৭৭নং)

বলাই বাহুল্য যে, এ পেশা কোন মুসলিমের জন্য বৈধ নয়। হালাল নয় এর মাধ্যমে উপার্জিত ধন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00