📘 হজ্জ ও উমরাহ সফরে সহজ গাইড 📄 ভালো আলামত

📄 ভালো আলামত


■ হজ্জ কবুল হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণ আল্লাহ তাআলার ইচ্ছার এখতিয়ারভূক্ত। কিন্তু বান্দা যখন হজ্জ করবে তখন সে পূর্ণ বিশ্বাস ও দৃঢ়তার সাথে হজ্জ পালন করবে এবং আশা রাখবে ইনশা-আল্লাহ আল্লাহ তাআলা তার হজ্জ কবুল করবেন। কখনই হতাশা বা শংকাযুক্ত হয়ে হজ্জ পালন করা যাবে না এবং হজ্জ কবুল হলো কি না কে জানে.. এমন চিন্তা করা যাবে না।
■ হজ্জ যদি আল্লাহ কবুল করেন তবে বাহ্যিকভাবে বান্দার মধ্যে কিছু লক্ষণ বা আলামত মোট কথা কিছু ভালো পরিবর্তন প্রতীয়মান হবে। যে বান্দা এখলাসের সাথে আন্তরিক আমল দ্বারা আল্লাহকে খুশি করার জন্য সচেষ্ট হবে আল্লাহ তাআলা সেই বান্দাকে হেদায়াত দান করবেন ও তার উপর রহম করবেন। আল্লাহই তার আচরণ ও অন্তরে পরিবর্তন এনে দিবেন। তখন বান্দা নিজের ভিতরে নিজের অজান্তে সেই পবিরর্তন লক্ষ্য করবে। জোর করে নিজ থেকে মানুষ দেখানো পরিবর্তন আনা অবশ্য মোটেই বেশি দিন টেকসই হয় না।
■ আর যে মানুষ হজ্জের আগে যেমন ছিল হজ্জের পরেও তেমনি থাকলো, কোন ভালো পরিবর্তন এলো না, তাহলে সেটি একটি চিন্তার বিষয়। অবশ্য কারো সম্পর্কে কোন প্রকার ধারনা পোষন করা ও মন্তব্য করাও ঠিক নয়। সব কিছু আল্লাহর হাতে এবং তিনিই ভালো জানেন।
■ হজ্জের পর ঈমান ও আমলে দৃঢ়তা সৃষ্টি হওয়া ভালো লক্ষণ। পার্থিবতা ও দুনিয়াবি বিষয়ে অনীহা ও পরকালের প্রতি প্রবল আগ্রহ ও চিন্তা সৃষ্টি হওয়া।
■ হজ্জের পূর্বে যেসব পাপ ও অন্যায় অভ্যস্ততা ছিল সেগুলো থেকে মুক্ত হয়ে সৎ জীবনযাপন করা। অন্তরে ও কথায় কোমলতা আসা।
■ হজ্জ সম্পাদনের পর কৃত আমলকে অল্প মনে করা। নেকীর কাজে প্রতিযোগিতা করা। লোক দেখানো আমল, অহংকার ও বড়ত্বোবোধ থেকে বেঁচে থাকা।
■ ইবাদত পালনে উৎসাহ ও চাঞ্চল্য বৃদ্ধি পাওয়া। বেশি বেশি দান সাদকা করা। পরিবারকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করতে সচেষ্ট হওয়া।
■ কথায় ও কাজে আল্লাহর উপর বেশি ভরসা রাখা। বেশি বেশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। বেশি বেশি দু'আ ও যিক্র করা।
■ দ্বীনের জ্ঞান আহরোনের আগ্রহ সৃষ্টি হওয়া। খোলা মন নিয়ে কৃত আমল যাচাই বাছাই করা ও সত্যকে জানা ও সত্যকে গ্রহণ করার মনমানসিকতা সৃষ্টি হওয়া।
■ আল্লাহর দ্বীনকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বস্তরে প্রচার করার এবং প্রতিষ্ঠা করার জন্য সচেষ্ট হওয়া।
"হে আল্লাহ! তুমি আমাদের হজ্জকে কবুল ও মঞ্জুর করে নাও" আমিন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px