📄 মসজিদুল হারামে প্রচলিত অনিয়ম, ভুলত্রুটি ও বিদ‘ধাত
* মসজিদের ভেতরে নারী-পুরুষ পাশাপাশি বসেন, স্বলাত পড়েন। অনেক পুরুষ তার স্ত্রীর হাত ধরে, কাঁধে হাত দিয়ে মসজিদের বাইরে এমনভাবে ঘুরে বেড়ান যেন তারা হলিডে বা অবকাশ যাপনে এসেছেন!
* মসজিদের ভেতরে খোলা পরিবেশে নারী ও পুরুষেরা ঘুমান। এবং ঘুমের সময় তাদের পর্দার ব্যাপারে খেয়াল থাকে না। অনেকে গভীর ঘুমের পর ওযু ছাড়াই স্বলাতের জন্য দাঁড়িয়ে যান। অথচ গভীর ঘুমে ওযু ভেঙ্গে যায়।
* মসজিদের প্রবেশদ্বারের ভেতরে ঢুকে দরজার সামনে অনেকে বসে পড়েন, এতে অনেক মানুষ সেই দরজা দিয়ে ঢুকতে ও বের হতে সমস্যায় পড়েন। হজ্জযাত্রীদের ভিড় সামলানোর জন্য মসজিদুল হারামের ব্যবস্থাপনা ভালো হওয়া সত্ত্বেও তাদের হিমশিম খেতে হয়।
* জুতা ও সেন্ডেল রাখার পর্যাপ্ত শেলফ থাকা সত্ত্বেও অনেকে মসজিদের ভেতরে যত্রতত্র জুতা-সেন্ডেল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখেন।
* অনেকেই জানেন না মসজিদে নারী পুরুষ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে কিংবা মহিলার সরাসরি পেছনে পুরুষের দাঁড়িয়ে স্বলাত আদায় করা যায়েজ নয়।
* অনেকেই ভালোভাবে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়ান না এবং ভালোভাবে কাতার সোজা করেন না ও সামনের কাতার আগে পূরন করেন না।
* অনেক পুরুষের কাপড় টাখনুর নীচে দেখা যায় এবং অনেকে তসবীহ মালা বা মেশিন তসবীহ (অনুউত্তম) দিয়ে তসবীহ করছেন।
* অনেক বৃদ্ধ মহিলা ও পুরুষের এস্কেলেটরে চড়ার অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে পরে গিয়ে নিজেরা আহত হন এবং অন্যকে আহত করেন।
* দেখবেন অনেকে সঠিকভাবে ওযু করতেও জানেন না। অনেকে ইহরাম অবস্থায় তাদের হাঁটু ও নাভী বের করে সতর খোলা রাখেন।
* অনেকে ইহরাম অবস্থায় মসজিদুল হারামের বাইরের চত্বরে ধুমপান করেন।
* স্বলাত শেষ করে অনেকে মসজিদের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে জটলা করে থাকেন, এর ফলে অনেক মুসল্লি বের হতে পারেন না।
* অনেকে তাওয়াফের মাতাফে এবং মাকামে ইব্রাহিমের পিছনে স্বলাতের জন্য দাঁড়িয়ে পড়েন ও তাওয়াফকারীদের তাওয়াফে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
* অনেকে জমজমের পানি পান করার স্থানে জমজমের পানি দিয়ে ওযু করেন।
* অনেকে মসজিদের আদব রক্ষা করেন না; উচ্চস্বরে কথা বলেন গল্প করেন।
* অনেকে মসজিদের ভেতরে খাওয়া-দাওয়া করে অপরিষ্কার করে ফেলেন।
* নিজের জুতা-সেন্ডেল হারিয়ে গেলে অন্যের জুতা-সেন্ডেল নিয়ে চলে যায় অনেকে।
* অনেক মহিলা সঠিকভাবে পর্দা করেন না। অনেকে আবার আকর্ষণীয় হিজাব পরেন। অনেকে স্বলাতের সময় পা, মাথা, চুল অনাবৃত রেখে স্বলাত পড়েন।
* মসজিদের ভেতরে অনেকে জুতা ও ব্যাগ অরক্ষিত অবস্থায় খোলা জায়গায় ফেলে রাখেন তাই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা এসে সেসব পানি দিয়ে ভিজিয়ে ফেলেন।
* তাওয়াফের সময় হাজরে আসওয়াদে চুমু খাওয়ার জন্য অনেকে ধাক্কাধাক্কি, বলপ্রয়োগ ও বৈরি আচরণ করেন। অথচ তা মোটেই কাম্য নয়।
* অনেক মহিলা আবেগের তাড়নায় পুরুষদের মাঝেই ধাক্কাধাক্কি করে হাজরে আসওয়াদ চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তা অনুচিত ও গুনাহের কাজ।
* অনেকে আবার কাবার দেয়াল ও গিলাফ জড়িয়ে ধরে বিলাপ করে কান্নাকাটি করেন। তবে মুলতাযম এ গিয়ে দু'আ করা যায়েজ আছে।
* অনেকে কাবা ও মাক্কামে ইবরাহিমের দেয়াল স্পর্শ করেন, চুমু খান এবং পরিধানের কাপড়, রুমাল ও টুপি ঘষতে থাকেন।
* অনেকে কেঁচি ও ব্লেড দিয়ে কাবার গিলাফের সুতা কাটে ও মসজিদের মেঝের ভাঙ্গা পাথর সংগ্রহ করে বরকত লাভের ও তাবীজ বানানোর জন্য।
* স্বলাত শেষ হওয়ার পরপরই অনেকে মসজিদ থেকে বের হওয়ার জন্য তাড়াহুড়া শুরু করেন, ঠিক একই সময়ে বাইরে থেকে অনেকে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এতে করে মারাত্মক অরাজগতা ও চাপ সৃষ্টি হয়।
* অনেকে শপিং মলে ঘুরাঘুরি, কেনাকাটা ও ফুড কোর্ট এ খাওয়া দাওয়া করে সময় অপচয় করেন যা ইবাদতের মনযোগ ও একাগ্রতা নষ্ট করে।
* অনেকে টানা দ্রুত বেগে নফল জ্বলাত আদায় করে যাচ্ছেন, কারণ তার সারা জীবনে যা স্বলাত কাজা করেছেন তা তুলে ফেলছেন এখানে এবং আগামীতে যদি স্বলাত কাজা হয়ে যায় তাও অগ্রীম পড়ে রাখছেন আগেভাগে!
* অনেকের মাঝে এমন আবেগ-ভক্তি ও ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যে, কাবা ঘরের দিকে পিছন দিক ফিরে বসা ও পিছন ফিরে কুরআন তিলাওয়াত করা যাবে না আবার কাবা ঘরের দিকে পা দিয়ে বসা ও ঘুমানো যাবে না।
* অনেকে মসজিদুল হারামকে 'হেরেম শরীফ' বলে ডেকে থাকেন যা নিতান্তই ভাষাগত একটি ত্রুটি। শুধু হারাম বললেই যথেষ্ট এবং শুদ্ধ।
* অনেকে মসজিদের নিকটবর্তী মক্কার মাআল্লা কবরস্থানকে 'জান্নাতুল মাআল্লা' বলে ডেকে থাকেন, এটাও একটি ত্রুটি। এমনভাবে কোন কবরস্থানকে জান্নাত বলা যায় না বা কবরের সকল অধিবাসী যে জান্নাতী হবে তার নিশ্চয়তা নেই।
* অনেকে শুধু উমরাহ করতে গিয়ে উমরাহকে 'উমরাহ-হজ্জ' বলে ডেকে থাকেন যা একটি ত্রুটি। শুধু উমরাহ করলে এর সাথে হজ্জের কোন সম্পর্ক নেই আর হজ্জ করলে এর সাথে উমরাহ করা হয়ে যায়。
📄 মক্কায় কেনা-কাটা
অতিরিক্ত টাকা-পয়সা নিয়ে হজ্জ-উমরাহ করতে যাবেন না বা সেখানে গিয়ে বেশি কেনা-কাটা করায় লিপ্ত হবেন না। কেনা-কাটা করলে লাগেজের ওজনের বিষয় মাথায় রেখে করবেন। যদি পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য কোন সাধারণ কিছু উপহার বা নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র কিনতে চান তবে তা হজ্জের আগেই কিনে ফেলুন। কেননা, হজ্জের সময় যত কাছাকাছি হয় জিনিসপত্রের দাম ততো বেড়ে যায়।
মসজিদে হারামের আশেপাশে পাবেন বেশ কিছু শপিং মল। জমজম টাওয়ারে পাবেন কিছু ব্যয়বহুল ব্যান্ডের দোকান। জমজম টাওয়ারের বেসমেন্টে পাবেন কিছু সস্তা মানের দোকান। জমজম টাওয়ারের পাশে লাগোয়া আল সাফওয়া টাওয়ার শপিংমলও ও বিন দাউদ মল কেনাকাটার জন্য ভালো। হারামের চারপাশের শপিং সেন্টারগুলোও একটু ব্যয়বহুল। তবে কিছু দূরে মাআল্লা কবরস্থানের পাশে পাইকারি ও সন্তায় পণ্য কেনার জন্য বেশ কিছু মার্কেট ও শপিং মল পাবেন। এছাড়া উত্তর আজিজিয়ায় এক রাস্তায় পাশাপাশি অনেকগুলো বড় সুপার শপ মল পাবেন, যেমন- Family International Complex, Bawarith Plaza, Top Ten, Al Jawhara Mall ইত্যাদিতে সকল ধরনের পণ্য কেনার জন্য যেতে পারেন। মনে রাখবেন, পৃথিবীর মধ্যে নিকৃষ্টতম স্থান হলো বাজার। তাই বাজারে কেনাকাটায় বেশি সময় নষ্ট করবেন না।
আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী মদীনার তুলনায় মক্কায় সবকিছুর দাম একটু বেশি। এখানে অনেক দোকানে বাঙালি বিক্রয়কর্মী দেখতে পাবেন। আপনি সহজেই তাদের সঙ্গে বাংলায় কথা বলতে পারেন। তবে একটা দুঃখের বিষয় লক্ষ্য করেছি এবং আমার মতো অনেকেরই এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে যে, বাঙালি বিক্রয়কর্মীরাই বাঙালিদের কাছে জিনিসপত্রের বেশি দাম চান! এমনকি অনেক বাঙালি বিক্রয়কর্মী নিজেদের বাঙালি পরিচয় পর্যন্ত দিতে চান না, কারণ এতে যদি আপনি তার সঙ্গে বেশি দামাদামি শুরু করে দেন! আবার এর উল্টো দেখা যায়, অনেকে দেশি দেশি বলে ডেকে, ভালো কথা বলে দাম বেশি রাখে।
তবে একটি বিষয় আপনার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হবে এবং দেখে ভালোই লাগবে সেটা হলো এখানে যে কোনো স্বলাতের আযান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব দোকান বন্ধ হয়ে যায়। স্বলাতের সময় সে দেশে কোনো বেচা-কেনা হয় না। ক্রেতা-বিক্রেতা স্বলাতের সময় শপিং মলে থাকলেও স্বলাতে দাঁড়িয়ে যান। স্বলাত শেষ হলে আবার বেচা-কেনা শুরু হয়ে যায়।
শেষ গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো: মক্কা থেকে পারলে তাওহীদ ও তাকওয়াকে ক্রয় করে অন্তরে গেঁথে নিয়ে আসবেন!
📄 মক্কায় ঐতিহাসিক স্থানসমূহ যিয়ারাহ
আপনার হজ্জ এজেন্সি যে কোন একদিন যিয়ারাহ ট্যুরের ব্যবস্থা করতে পারে এবং আপনাদের সকলকে নিয়ে বাস ভাড়া করে মক্কার কাছাকাছি ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে ঘুরতে নিয়ে যাবে। আপনি অবশ্যই এই ট্যুরটি উপভোগ করবেন। মক্কার চারদিকে ঘুরে দেখার এটাই আপনার সুযোগ। আপনি একটা বিষয় লক্ষ্য করবেন, মক্কার জমজম টাওয়ার অনেক দূরদূরান্ত থেকেও দেখা যায়। মক্কার চারপাশে আপনি বেশ কিছু পাহাড় ও সুরঙ্গ সড়ক দেখতে পাবেন।
কিছু জিয়ারাতের স্থান খুব কাছে, ইচ্ছা করলে পায়ে হেঁটেই দেখে আসতে পারেন, যেমন- রাসূল (স.) এর কথিত জন্মস্থান, জিন মসজিদ, মাআল্লা কবরস্থান (মারওয়া থেকে ২০ মিনিট হাঁটার পথ)। তবে পরামর্শ হলো একা একা কোথাও যাবেন না এবং কয়েকদিন মক্কায় থাকার পর স্থানগুলোতে যাবেন।
এছাড়া ফজরের স্বলাতের পর লক্ষ্য করবেন কিছু মাইক্রোবাস অথবা প্রাইভেট কার ড্রাইভার 'যিয়ারাহ, যিয়ারাহ' বলে ডাকবে। তারা আপনাকে কিছু স্থান ঘুরে দেখাবে। সবচেয়ে ভালো হয় ছোট ছোট দল করে ঘুরতে বের হওয়া, কারণ ড্রাইভার জনপ্রতি ২০-৩০ রিয়াল ভাড়া দাবি করে থাকে। সমস্যা হলো এসব বেশিরভাগ ড্রাইভাররা (বাঙ্গালী, ভারতীয়, পাকিস্থানী) বিভিন্ন যিয়ারাহর জায়গার উল্টা-পাল্টা ও অতিরঞ্জিত ইতিহাস বর্ণনা করে এবং বিভিন্ন আমল করার কথা বলে থাকে যা ইসলামি শরীয়াহ সম্মত নয়। এসব স্থান ভ্রমণ করার সময় অবশ্যই আপনার হজ্জ পরিচয়পত্র ও হোটেলের ঠিকানা সঙ্গে রাখুন। অনেক সময় রাস্তায় পুলিশ আপনার হজ্জের পরিচয়পত্র চেক করতে পারে।
মক্কা থেকে দূরবর্তী স্থান- জেদ্দা ও তায়েফ দলগতভাবে কার/মাইক্রো রিজার্ভ করে ঘুরতে যেতে পারেন। জনপ্রতি ৬০-৭০ রিয়াল করে ভাড়া লাগতে পারে। জেদ্দা সমুদ্র সৈকত ও তায়েফ (আল হাদা) এর আকাঁবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা খুবই রোমাঞ্চকর। তায়েফে বুড়ির বাড়ির নামে যা কিছু শুনবেন সব ভুয়া ও মিথ্যা।
মক্কার কোন স্থান যিয়ারাহ করার মধ্যে বিশেষ কোন নেকী বা ফযীলত নেই। যিয়ারতের স্থানে গিয়ে বিশেষ কোন আমল বা দু'আ নেই। শুধু মসজিদ হলে দুই রাকাআত তাহিয়্যাতুল মসজিদ স্বলাত পড়া ও কবরস্থান হলে কবরবাসীর জন্য দু'আ করা। অনেক মানুষ যিয়ারতের স্থানগুলোতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে শিরক ও বিদআত জাতীয় কাজ করে ফেলেন। তাই সতর্ক থাকা বাঞ্চনীয়। যিয়ারতের উদ্দেশ্য হবে অতীত স্থান ও নিদর্শনসমূহ অবলোকনের মাধ্যমে ইসলামের ইতিহাস জানা ও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। মনে ইসলামি চেতনা জাগ্রত করা ও ঈমানকে মজবুত করা। যারা যুগে যুগে ইসলামের জন্য কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করে গত হয়ে গেছেন তাদের মাগফিরাতের জন্য দু'আ করা।
মক্কা লাইব্রেরী: রাসূল (ﷺ) এর (কথিত) জন্মস্থান, যদিও তা সঠিকভাবে প্রমাণিত নয়। মসজিদুল হারামের খুবই নিকটে অবস্থিত। মারওয়া পাহাড় থেকে অদূরে শিআবে আলী প্রবেশমুখে অবস্থিত।
জাবালে নূর/হেরা গুহা - এই পাহাড়ের গুহায় রাসূল (ﷺ) এসে চিন্তা মগ্ন থাকতেন এবং এখানে প্রথম কুরআন ওহী হিসাবে নাজিল হয়। উচ্চতা ৬৩৪ মি.। পাহাড়ের চূড়া উটের কুজের মতো।
নামিরা মসজিদ - আরাফায় অবস্থিত। মসজিদের কিছু অংশ আরাফার সীমানার বাইরে অবস্থিত। আরাফা দিবসে ইমাম এখানে খুতবা দেন।
জাবালে সাওর - এই পাহাড়ের গুহায় রাসূল (ﷺ) মক্কা থেকে মদীনা হিযরত করার সময় আবু বকর (ﷺ) কে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন ও লুকিয়ে ছিলেন। হারাম থেকে ৪ কি.মি দূরে অবস্থিত। উচ্চতা ৭৪৮ মি.।
জাবালে আরাফা - আরাফার ময়দানে অবস্থিত পাহাড় যেখানে রাসূল (ﷺ) বিদায় হজ্জের ভাষণ দেন।
খাইফ মসজিদ - মিনায় অবস্থিত। জামরাত এর খুব কাছে অবস্থিত। ৭০ জন নবী এখানে স্বলাত আদায় করেছেন।
জিন মসজিদ - মসজিদুল হারামের অদূরে অবস্থিত। এখানে জিনেরা রাসূল (ﷺ) এর কুরআন তিলাওয়াত শুনতে এসেছিল এবং কথা বলেছিল।
মাআল্লা কবরস্থান - মক্কার ঐতিহাসিক কবরস্থান। জিন মসজিদের পাশে অবস্থিত। খাদিজা (ﷺ) এর কবর আছে এখানে।
কিসওয়াহ ফ্যাক্টরী - কাবার গিলাফ তৈরীর কারখানা। পুরাতন জেদ্দা রোডে অবস্থিত।
মক্কা ইসলামী যাদুঘর - কাবার গিলাফ তৈরীর কারখানার পাশে অবস্থিত। পুরাতন জেদ্দা রোডে অবস্থিত।
বিল্লাল মসজিদ - আবু কুবাইস পাহাড়ের উপর অবস্থিত। এখানে রাসূল (ﷺ) দাঁড়িয়ে চাঁদকে দুই ভাগ করেছিলেন।
আবু-কুবাইস পাহাড়- হাজরে আসওয়াদ পাথর জান্নাত থেকে এনে প্রথমে আবু কুবাইস পাহাড়ের উপর রাখা হয়েছিল। বর্তমানে এর উপর বাদশার বাড়ি রয়েছে। পাশেই আজইয়াদ পাহাড় অবস্থিত।