📘 হজ্জ ও উমরাহ সফরে সহজ গাইড > 📄 হজ্জ যাত্রার পূর্বে প্রচলিত ভুলত্রুটি ও বিদ‘আত

📄 হজ্জ যাত্রার পূর্বে প্রচলিত ভুলত্রুটি ও বিদ‘আত


* হজ্জ যাত্রার আগে মিলাদ দেওয়া, সংবর্ধনা দেওয়া, মিষ্টি বিতরণ করা, এবং আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে কান্নাকাটি করা।
* হজ্জে যাওয়ার সময় আযান দেয়া বা সঙ্গীত বাজানো বা গজল গাওয়া।
* সুফীদের মতো 'এক আল্লাহকে সঙ্গী করে' একাই হজ্জ যাত্রায় রওনা হওয়া।
* সফর শুরু করার পূর্বে বিভিন্ন মানব রচিত দুআ পড়া যা হজ্জের অংশ মনে করা।
* হজ্জ সফরে বের হওয়ার আগে দরগা/মাজার যিয়ারত করে বের হওয়া বা ওলীবাবা/পীরবাবার দুআ বা আর্শিবাদ নিয়ে বের হওয়া।
* একজন মহিলা হজ্জযাত্রী কোনো অনাত্মীয়কে ভাই বা ধর্মের ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাকে মাহরাম করা।
* নারীর ক্ষেত্রে কোনো একটি মহিলা দলের সঙ্গে মাহরাম ছাড়াই হজ্জে যাওয়া এবং একইভাবে এমন কোনো পুরুষের সঙ্গে গমণ করা যিনি পুরো মহিলা দলের মাহরাম হিসেবে নিজেকে দাবি করেন।
* এ কথা মানা যে, হজ্জের পরিপূর্ণতা হচ্ছে নিজ ঘরে ইহরাম বাঁধা।
* হজ্জ যাত্রার নিয়ম মনে করে যাত্রা শুরুর পূর্ব মুহূর্তে ২ রাকাআত নফল স্বলাত পড়া এবং ১ম ও ২য় রাকাআতে সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাস নির্ধারিতভাবে তেলাওয়াত করাকে হজ্জের নিয়ম মনে করা। তবে যে কোন সফরে বের হওয়ার পূর্বে নফল স্বলাত পড়ে বের হওয়া সুন্নাত।
* হজ্জ যাত্রার পূর্ব মুহূর্তে অথবা বিভিন্ন স্থানে পৌঁছানোর পর উচ্চস্বরে যিক্র করা এবং উচ্চস্বরে আল্লাহু আকবার ধ্বনি তোলা।
* এ কথা বিশ্বাস করা যে, পায়ে হজ্জ করার সওয়াব ৭০ হজ্জ আর বাহনে হজ্জ করলে ৩০ হজ্জের সওয়াব।
* প্রতি যাত্রাবিরতিতে দুই রাকাআত স্বলাত আদায় করা এবং এই কথা বলা, (হে আল্লাহ তুমি আমার জন্য এই যাত্রাবিরতির স্থানকে তোমার আশির্বাদপুষ্ট কর এবং তুমিই উত্তম আশ্রয়দাতা।)
* প্রচলিত জাল হাদীস নিজের পিতা-মাতার দিকে স্নেহ ও ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকালে এক হজ্জের সমান নেকী পাওয়া যায়।
* হজ্জে গিয়ে যদি আর ফেরা না হয় তাই যাওয়ার পূর্বে কোন ওয়ারীসকে সম্পত্তির কোন অংশ অগ্রীম লেখে দিয়ে যাওয়া।
* কিছু দেশের লোকেরা হজ্জে যাওয়ার আগে চেহারায় বা শরীরে উল্কি আকায় যাতে কোন ক্ষতি না হয় বা কোন নজর না লাগে।

📘 হজ্জ ও উমরাহ সফরে সহজ গাইড > 📄 সফরের কতিপয় সুন্নাহ ও আদব

📄 সফরের কতিপয় সুন্নাহ ও আদব


■ একজন মুসলিমের সকল কাজ যেহেতু ইবাদত, সেহেতু সফর একটি ইবাদত। তাই ইসলাম ভ্রমণের জন্য নির্দিষ্ট সীমারেখা ও বাস্তবসম্মত নিয়মকানুন নির্ধারণ করে দিয়েছে। মানুষ ভ্রমণ করে আল্লাহর সৃষ্টি জীব ও প্রকৃতি দেখার মাধ্যমে আল্লাহর দয়া ও ক্ষমতা সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা ও জ্ঞানার্জন করতে পারে এবং এর মাধ্যমে ঈমান বৃদ্ধি পায়। সূরা আনকাবুত: ২৯:২৩, সূরা রুমঃ ৩০:৯, সূরা গশিয়াহঃ ৮৮:১৭
■ সফর আযাবের একটি অংশ কারন সফর অবস্থায় স্বাভাবিক জীবনযাপন, পানাহার ও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। সফরে মানুষের আসল চরিত্র ও বৈশিষ্ট প্রকাশ পায়। সফরে মানুষের দুআ কবুল হয়। সফর করলে মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি পায়।
■ সফরের ধরন বা প্রকারভেদের উপর ভিত্তি করে সফরকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা - আবশ্যিক সফর, পছন্দনীয় সফর, বৈধ সফর, অপছন্দনীয় সফর, নিষিদ্ধ সফর। হজ্জ ও উমরাহর সফর আবশ্যিক ও পছন্দনীয় সফরের অন্তভূক্ত।

📘 হজ্জ ও উমরাহ সফরে সহজ গাইড > 📄 সফরের বের হওয়ার পূর্বে সুন্নাহ ও আদবসমূহ

📄 সফরের বের হওয়ার পূর্বে সুন্নাহ ও আদবসমূহ


■ সফরের পূর্বে বিশুদ্ধ নিয়ত করা। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ও ভালো কাজের নিয়তে সফর করা। সূরা যুমার: ৩৯:২, সূরা বাইয়েনাহ: ৯৮:৫, সূরা গাফির; ৪০:৬৫
■ সফরে বের হওয়ার পূর্বে সফর স্থান সম্পর্কে অভিজ্ঞ ও ভালো মানুষদের কাছ থেকে উপদেশ ও পরামর্শ নেওয়া। তিরমিযী-৩৪৪৫
■ দুই রাকাত ইস্তেখারা (কল্যাণ কামনা) স্বলাত পড়ে মন সফরের দিকে ধাবিত হলে সফর করা। বুখারী-১১৬২
■ সফরে যাওয়ার আগে পরিবারের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা ও সফরের জন্য হালাল পাথেয় সাথে নেওয়া। মুসলিম-১০১৫
■ অসিয়তযোগ্য সম্পদ বা কোন দেন-পাওনা থাকলে অসিয়ত লিখে রেখে সফরে বের হওয়া। বুখারী-২৭৩৮
■ পিতা-মাতা জীবিত থাকলে তাঁদের অনুমতি নিয়ে এবং মহিলা হলে সাথে একজন মাহরাম (দাদা, নানা, বাবা, মামা, শ্বশুর, ভাই, ছেলে, বোনের ছেলে, মেয়ের স্বামী, নিজের নাতি, দুধ বাবা, দুধ ভাই) নিয়ে সফর করা। বুখারী-১৮৬২, আবু দাউদ-১৭২৬
■ সম্ভব হলে সাথে স্ত্রীকে নিয়ে বা ২/৩ জন নেককার উত্তম সঙ্গীকে সাথে নিয়ে সফরে বের হওয়া। বুখারী-২৯৯৮, আবু দাউদ-২৬০৭
■ উত্তম হচ্ছে বৃহস্পতিবার ও সকাল বেলা হওয়া। প্রয়োজনে রাতেও সফরে বের হওয়া। বুখারী-২৯৪৯, আবু দাউদ-২৬০৬, ২৫৭১
■ সফরকারী পরিবারের প্রধান হলে বিদায়কালে পরিবার-পরিজনকে তাকওয়া ও ভালো-মন্দের অছিয়ত করে বের হওয়া। বুখারী-২৪০৯
■ সফরের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় পরিবারের উদ্দেশ্যে এই দুআ পাঠ করা:
أَسْتَوْدِعُكُمُ اللَّهُ الَّذِي لَا تَضِيعُ وَدَائِعُهُ
"আসতাওদি'উকুমুল্লা-হুল্লাযী লা তাযী'উ ওয়াদায়ী উহ”।
"আমি তোমাদেরকে আল্লাহর হেফাজতে রেখে যাচ্ছি যার হেফাজতে থাকা কেউই ক্ষতিগ্রস্থ হয় না"। ইবনে মাজাহ-২৮২৫
■ সফরের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় এই দুআ পাঠ করা:
بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
"বিসমিল্লাহি তাওক্কালতু আলাল্লাহ, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ"।
"আল্লাহর নামে, সকল ভরসা তাঁরই উপর এবং আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কারোর ভালো কর্ম করার এবং খারাপ কর্ম থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য নেই"। আবু দাউদ-৫০৯৫

📘 হজ্জ ও উমরাহ সফরে সহজ গাইড > 📄 সফরকালীন অবস্থায় সুন্নাহ ও আদবসমূহ

📄 সফরকালীন অবস্থায় সুন্নাহ ও আদবসমূহ


■ তিন এর অধিক ব্যক্তি একসাথে সফর করলে একজনকে আমীর বানানো ও আমীরকে মান্য করা। আবু দাউদ-২৬০৮
■ সিঁড়ি বা লিফট বা উচু ভূমিতে উপরে দিকে ওঠার সময় বলা 'আল্লাহু আকবার' ও নিচে নামার সময় বলা 'সুবহানাল্লাহ'।
■ পরিবহনে উঠার সময় 'বিসমিল্লাহ' ও আসনে বসার সময় 'আলহামদুলিল্লাহ' বলা। বুখারী-২৯৯৩
■ সড়ক ও আকাশ পথের বাহনে আরোহন করে যাত্রা পথের এই দুআটি পাঠ করা: তিরমিযী-৩৪৪৬
اللهُ أَكْبَر، اللهُ أَكْبَر، اللهُ أَكْبَر سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هُذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ
"আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর,"
"সুবহানাল্লাযি সাখারালানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুকুরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্বালিবুন"।
"আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান"। "পবিত্র সত্তা তিনি, যিনি এ বাহনকে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন। একে বশীভূত করতে আমরা সক্ষম ছিলাম না। আমরা অবশ্যই আমাদের পালনকর্তার দিকে ফিরে যাবো"। সূরা-আল যুখরুফ: ৪৩:১৩-১৪, আবু দাউদ-২৬০২
■ নৌ পথের বাহনে আরোহন করে যাত্রা পথের এই দুআটি পাঠ করা:
بِسْمِ اللهِ تَجْرِهَا وَمُرْسَاهَا إِنَّ رَبِّي لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ
"বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়া মুরসাহা ইন্না রাববি লাগাফুরুর রহিম"।
"আল্লাহর নামেই এই বাহন চলাচল করে এবং থামে, নিশ্চয়ই আমার প্রভু ক্ষমাশীল ও দয়ালু"। সুরা-হুদ: ১১:৪১
■ সফরের জন্য একটি বিশেষ দুআ পাঠ করা:
اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِي سَفَرِنَا هُذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى، وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى، اللَّهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هُذَا وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَهُ، اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ، وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ، وَكَابَةِ الْمَنْظَرِ، وَسُوءِ الْمُنْقَلَبِ فِي الْمَالِ وَالْأَهْلِ
"আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফী সাফারিনা হা-যাল বিররা ওয়াতাক্বওয়া, ওয়ামিনাল আমালি মা তারদ্বা, আল্লাহুম্মা হাউইন আলাইনা সাফারানা হা-যা ওয়াতউই আন্না বু'দাহ, আল্লাহুম্মা আন্তাস সা-হিবু ফিস সাফারি ওয়াল খলীফাতু ফিল আহাল, আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন ওয়াআসা-ইস সাফারি ওয়া কাআবাতিল মানযার, ওয়াসূইল মুনক্কলাবি ফিল মা-লি ওয়াল আহাল"।
"নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমার কাছে প্রার্থনা করছি আমাদের এই যাত্রার পূণ্যকর্ম, সংযমশীলতা এবং তোমার সন্তোষজনক কার্যকলাপ। হে আল্লাহ, আমাদের এ যাত্রাকে সহজ করে দাও। আমাদের থেকে এর দূরত্ব গুটিয়ে দাও। হে আল্লাহ, তুমিই সফরের সঙ্গী, আর পরিবারের জন্য প্রতিনিধি। হে আল্লাহ, সফরের কষ্ট ও ক্লান্তি এবং ভয়ংকর দৃশ্য থেকে এবং বাড়ি ফিরে সম্পদ ও পরিবার অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় কামনা করছি।” তিরমিযী-৩৪৪৭
■ সফর অবস্থায় দল ছাড়া না হয়ে সদা একত্রিত থাকার চেষ্টা করা। আবু দাউদ-২৬২৮
■ রাস্তায় গর্ব ও অহংকার বশে চলাফেরা না করে নম্রভাবে চলাফেরা করা। সূরা লোকমান: ৩১:১৮
■ সফর অবস্থায় রাস্তার হক্ব আদায় করা তথা; দৃষ্টি অবনমিত রাখা, কাউকে কষ্ট না দেওয়া, সকলকে সালাম দেওয়া, সৎ কাজের আদেশ দেওয়া ও মন্দ কাজে নিষেধ করা। বুখারী-২৪৬৫
■ সফরে সম্ভব হলে বাহন থেকে নেমে একত্রে জামাআত করা বা বাহনে বসা অবস্থায় একাকী স্বলাত পড়া। নাসায়ী-৮৪৭
■ সফরে সূর্য বা কম্পাস দেখে বা মানুষকে জিজ্ঞাসা করে কিবলা নির্ণয় করে নেওয়া আর কিবলা নির্ণয় করতে জটিলতা দেখা দিলে কোন এক দিককে কিবলা নির্ধারণ করে স্বলাত পড়ে নেওয়া। সুরা বাকারাহ; ২:২৩৯, আবু দাউদ-১২২৬
■ ফরজ স্বলাত কিবলার দিকে মুখ করে পড়া এবং নফল-সুন্নত স্বলাত যে কোন দিকে মুখ করে পড়া। আবু দাউদ-১২২৪
■ বাহনে কিবলার দিকে মুখ করে স্বলাত শুরু করার পর কিবলা পরিবর্তন হয়ে গেলেও কোন সমস্যা নেই। আবু দাউদ-১২২৫
■ মুসাফির অবস্থায় সকল ফরজ স্বলাতগুলো সুন্নাহ মোতাবেক কসর বা সংক্ষিপ্ত করে আদায় করা (ফজর ও এশা ব্যতিত)।
■ সফরে সুন্নাত/নফল স্বলাত না পড়া সুন্নাহ তবে কেউ পড়লে তা যায়েজ। সফরে ফজরের ২ রাকাত সুন্নাত ও এশার ১/৩ রাকাত বিতর স্বলাত পড়া।
■ সফরে প্রয়োজনে যুহর-আসরকে একত্রিত করে যুহর বা আসরের সময় আবার মাগরিব-এশাকে একত্রিত করে মাগরিব ও এশার সময় পরপর কসর করে আদায় করা যায়।
■ সফর অবস্থায় জুমআর স্বলাত না পড়লে গুনাহ হবে না তবে জুমআর পরিবর্তে যুহর আদায় করতে হবে।
■ সফরকালে প্রয়োজনে ফরজ রোজা না রাখলে কোন দোষ বা ক্ষতি নেই। পরে কাযা আদায় করে নিলে হবে।
■ মুসাফিরের দুআ কবুল হয় তাই সফরে বেশি বেশি দুআ করা। আবু দাউদ-১৫৩৬
■ সফর অবস্থায় বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করা এবং বাহন কোথাও হোঁচট খেলে 'বিসমিল্লাহ' বলা। আবু দাউদ-৪৯৮২
■ সফরে সঙ্গী-সাথীদের যথাসাধ্য সাহায্য করা ও সকল প্রকার পাপকাজ থেকে বিরত থাকা। আবু দাউদ-১৬৬৩, ২৫৩৪
■ সফরে কোথাও যাত্রাবিরতি করলে কিংবা গন্তব্যে পৌছে এই দু'আ পাঠ করলে সকল প্রকার সম্ভাব্য ক্ষতি বা অনিষ্ট থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় রক্ষা পাওয়া যাবে:
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
"আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা-খলাকু"
"আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাক্য দ্বারা তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট হতে আশ্রয় কামনা করছি"। মুসলিম-৬৭৭১

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00