📘 হজ্জ ও উমরাহ সফরে সহজ গাইড 📄 হজ্জ পূর্বপ্রস্তুতি : মানসিক ও শিক্ষামূলক প্রস্তুতি

📄 হজ্জ পূর্বপ্রস্তুতি : মানসিক ও শিক্ষামূলক প্রস্তুতি


হজ্জের রেজিস্ট্রেশনের পর থেকেই ধীরে ধীরে হজ্জের জন্য মনে মনে মানসিক প্রস্তুতি এবং শিক্ষামূলক প্রস্তুতি শুরু করতে হবে কারণ রেজিস্ট্রেশনের পর থেকে ১ বছর মতো সময় পাওয়া যাবে নিজেকে হজ্জের জন্য প্রস্তুত করার। হজ্জের প্রথম মানসিক ও শিক্ষামূলক প্রস্তুতি হলো; ঈমানকে তাওহিদী ঈমান এবং আকীদাকে ইসলামের স্বর্ণযুগের তথা পূর্বসূরী ব্যক্তিদের মতো বিশুদ্ধ করা। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ'র মানহাজে বিশুদ্ধ আকীদা জ্ঞান শিক্ষা করা।

ঈমান ও আমল ধ্বংসকারী সকল প্রকার ভ্রান্ত আকীদা, কুফরী, শিরক, তাগুত, মুনাফেকী ও বিদআত সম্পর্কে জানা এবং তা থেকে তাওবা করে মুক্ত হওয়া। কারণ ১টি মাত্র কুফরী ও শিরক সকল আমল ও ইবাদত নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। হজ্জের নিয়তকে পরিশুদ্ধ করা। কারণ নিয়তের উপর আমল নির্ভরশীল। খ্যাতি, হলিডে ট্যুর বা কারো মাহরাম হওয়ার জন্য হজ্জের নিয়ত করা যাবে না। একনিষ্ঠভাবে হজ্জ একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আনুগত্যের জন্য করতে হবে।

হজ্জ কার মতো পদ্ধতিতে পালন করা হবে সে মানদণ্ড বা নীতি আগে ঠিক করা। হজ্জ কি রাসূল (সা) ও সাহাবীদের পদ্ধতি মতো হবে? নাকি হজ্জ কোন ইমাম সাহেব হুজুরের কথা মতো হবে বা কোন হজ্জ বইয়ের লেখা মতো হবে! হজ্জের ছোট-বড় সকল কাজ সহীহ সুন্নাহ/হাদীস মোতাবেক সামর্থ্য অনুযায়ী নিজস্ব জ্ঞান ও বিবেক দ্বারা পরিপূর্ণভাবে পালন করার জন্য তৎপর হতে হবে। কোন কাজ কতো কম করে পার পাওয়া যায়, এমন চিন্তা করা যাবে না। হজ্জ মানেই মনে রাখতে হবে টাকা দিয়ে কষ্ট কেনা ও অব্যবস্থাপনার আতিথেয়তা নেওয়া। হজ্জের জন্য ৫-৬ লক্ষ টাকা দিয়েছেন বলে যে সব ভালো ও সহজ হবে আর কোন কষ্ট হবে না তা কখনোই আশা করা যাবে না।

হজ্জের এই সফর জীবনের প্রথম ও শেষ হজ্জ সফর মনে করা। সুতরাং এই যাত্রাকে জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে। এই হজ্জ যেন বাকি জীবনের কার্যকলাপ পরিবর্তনকারী হয় এমন ইচ্ছা পোষণ করা। কবিরা গুনাহর বই থেকে দেখে নিজের সম্পাদিত অতীতের সকল বড় গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়া এবং গুনাহের লিস্ট করে হজ্জে নিয়ে যাওয়া উচিত এবং ওখানে গিয়ে ফের গুনাহের জন্য ইস্তিগফার করা। নিজের চারিত্রিক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা - মুখ, চোখ, হাত, পা ও কান নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা। নিজকে সংযত ও মার্জিত করা। ধৈর্যশীল হওয়া, কষ্টের সময় নিজকে মানিয়ে নিতে, রাগকে দমন করতে ও ত্যাগ স্বীকারকারী হওয়া।

সদা আল্লাহর স্মরণ ও যিকিরের মাধ্যমে অন্তরকে আন্দোলিত রাখার অভ্যাস করা। অন্তরে তাকওয়া অর্থাৎ আল্লাহভীতি ও ধর্মনিষ্ঠা আনয়নে সচেষ্ট হওয়া। হজ্জের সফরে সকল অসুবিধা, বিপদ, কষ্ট আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা মনে করতে হবে। আর ইবলিশ শয়তানের প্ররোচনা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। সব সমস্যা সমাধানের জন্য আগে একমাত্র আল্লাহর কাছে ধর্ণা দিতে হবে। হজ্জে গিয়ে মানুষের দেখাদেখি বা মানুষের মুখের কথা শুনে কোন কাজ না করার বিষয়ে সতর্ক থাকা। হজ্জে গিয়ে ইসলামের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ দেখে আবেগে ভুল (শিরক/বিদআত) কিছু করা না হয়ে যায় সে বিষয়ে সজাগ থাকা।

হজ্জ সফরে হাজীদের একটা কমন কাজ হলো ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া করা এবং অন্যের নামে/এজেন্সির নামে গীবত চর্চা করা। তাই হজ্জ সফরে গিয়ে সংযত, উত্তম আচরণকারী ও বিনয়ী আল্লাহর এক বান্দা হতে হবে। হজ্জ সফরে ধৈর্য, ত্যাগ ও ক্ষমার চর্চা করতে হবে। সহযাত্রীদের কাউকে কষ্ট দেওয়া যাবে না। তাদের পক্ষ থেকে আগত যাবতীয় মন্দের জবাব ভালোর মাধ্যমে দিতে হবে। সকল প্রকার ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলতে হবে। হজ্জ সফরে পরোপকারী ও সাহায্যকারী মনোভাব রাখতে হবে। সকল দেশের মুসলিম ভাই-ভাই মনে করতে হবে। অপর মুসলিম ভাইয়ের সুবিধা-অসুবিধা, বিপদ-আপদ নিজের মনে করে অপরের সহযোগিতায় হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

হজ্জে যাওয়ার পূর্বে ইসলামের মৌলিক কিছু আমলীয় বিষয় যেমন - পবিত্রতা, ওযু, গোসল, নামায ও প্রতিনিয়ত পালনীয় দু'আ-যিকির শিক্ষা করে যাওয়া। হজ্জে গিয়ে প্রয়োজনে আমলসমূহ যাচাই-বাছাই ও সংশোধনের উন্মুক্ত মানসিকতা রাখা। হজ্জে যাওয়ার আগে সাওয়াব কামাই/নেকী শপিংয়ের টার্গেট করা। কিভাবে হজ্জের পুরো সময়টিকে কাজে লাগিয়ে সবচেয়ে বেশি নেকী অর্জনকারী হওয়া যায় এবং নিষ্পাপ শিশু হয়ে ফেরত আসা যায় সেই লক্ষ্য নির্ধারণ করা।

হজ্জ ও উমরাহ সম্পর্কে কয়েকটি দলিল ভিত্তিক সহীহ বই থেকে জ্ঞানার্জন করা এবং হজ্জের কিছু প্রয়োজনীয় দু'আ মুখস্থ করা। পূর্বে হজ্জ করেছে এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে হজ্জের কিছু বাস্তবতার বিষয় সম্পর্কে জানা। হজ্জ সফরে অর্থ বুঝে পুরো কুরআন পড়ে খতম করার এবং কিছু নতুন সূরা বা দু'আ মুখস্থ করার টার্গেট করা। প্রতিদিন কি কি আমল, দু'আ ও ইবাদত করতে হবে তা মনে মনে স্থির করা এবং তা লিখে তালিকা করে নিয়ে যাওয়া।

বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন দু'আ-অজিফার বই; যেগুলোতে বিশুদ্ধ হাদীসের দলিল নেই এবং বিভিন্ন স্বলাতের নিয়ত, বিভিন্ন দুরূদ, বিভিন্ন খতম ও লক্ষ-কোটি নেকীর ফযীলত বর্ণনা থাকে সেগুলো আমল করার জন্য পরিহার করা। মানুষজনকে সৎ কাজে আদেশ (আমর বিল মারুফ) ও মন্দ কাজে নিষেধ (নাহি আনিল মুনকার) এর মৌলিক দায়িত্ব হিকমত ও নম্রতার সাথে পালন করা। শেষ কথা হলো; হজ্জে যাওয়ার সময় অবশ্যই পাথেয় হিসাবে সূরা বাকারার ১৯৭নং আয়াতকে অন্তরে করে নিয়ে যাওয়ার জন্য সচেষ্ট হওয়া!

📘 হজ্জ ও উমরাহ সফরে সহজ গাইড 📄 হজ্জ পূর্বপ্রস্তুতি : বৈষয়িক ও শারীরিক প্রস্তুতি

📄 হজ্জ পূর্বপ্রস্তুতি : বৈষয়িক ও শারীরিক প্রস্তুতি


হজ্জের জন্য হালাল অর্থ নিশ্চিত করতে হবে। অবৈধ অর্থ বা সুদ মিশ্রিত টাকায় করা হজ্জ কবুল হবে না। হজ্জে যাওয়ার পূর্বে বকেয়া দেনমোহরসহ অন্যান্য সকল প্রকার দেনা-পাওনা ও ক্ষতিপূরণ থাকলে তা পরিশোধ করে ফেলা উত্তম। পুরুষদের যদি কোন বদ অভ্যাস/হারামের সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভ্যাস থাকে; যেমন - ধূমপান, জর্দা, গুল, চুলে কালো কলপ, দাড়ি সেভ, স্বর্ণের অলংকার ব্যবহার করা; তবে এগুলো পরিহার করার এক আদর্শ সময় হলো হজ্জ সফর। মহিলাদের যদি কোন বদ অভ্যাস/হারামের সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভ্যাস থাকে; যেমন- ভ্রুপ্লাক করা, হেয়ার রিমুভার ব্যবহার, কৃত্রিম/পর চুল ব্যবহার, ঘরের বাইরে সুগন্ধি ব্যবহার করা; তবে এগুলো হজ্জ সফর থেকে পরিহার করা।

নিজেকে শারীরিকভাবে সুস্থ ও সবল রাখতে হবে। (পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ঔষধ/চিকিৎসা গ্রহণ করা।) বেশি বেশি হাঁটাহাঁটির অভ্যাস করা কারণ হজ্জের সময় প্রচুর হাঁটতে হয়। একবারে নতুন সেন্ডেল না নিয়ে আগে তা পরে হাঁটাহাঁটি করে মানিয়ে নেওয়া। মহিলাদের মসজিদে জামাতে নামায/স্বলাত আদায়ের নিয়ম-কানুন শিখে নেওয়া খুব জরুরী। জানাযার স্বলাত এর নিয়ম ও জানাযার দু'আ শিখে নেওয়া। সরকারি অথবা বেসরকারি চাকুরিজীবীদের কর্মপ্রতিষ্ঠান থেকে হজ্জ ছুটি অনুমোদন এবং জিও/এনওসি পত্র সংগ্রহ করতে হবে।

হজ্জের সময় হওয়ার আগেই সৌদি রিয়াল অথবা ডলার কিনে রাখা উত্তম। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে চাইলে কার্ডে ডলার এনড্রোস করে নেওয়া। বয়স্ক ও বৃদ্ধ মানুষদের সিঁড়ি ও এস্কেলেটরে চড়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, কারণ ওখানে প্রয়োজনের তাগিদে সেগুলো ব্যবহার করতেই হয়। ধার্মিক, সহায়ক, বিশ্বস্ত ও মানসিকতার মিল আছে এরকম ২/১ জনকে সঙ্গী হিসাবে হজ্জে নিয়ে যেতে পারলে ভাল হয় এবং তাদের সাথে একরুমে থাকা। হজ্জ সফরের পূর্বে পরিচিত হজ্জযাত্রীদের নিয়ে ইমো, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ করে নিলে সবার সাথে যোগাযোগ করা ও প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়।

বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে মিথ্যা বলা, খারাপ আচরণ করা, হক নষ্ট করা ও তাদের কষ্ট দেয়ার জন্য ক্ষমা চেয়ে নেওয়া। পরিবারের দায়িত্বশীল হলে এবং অসিয়তযোগ্য সম্পদ থাকলে অবশ্যই পরিবারের জন্য একটি উইল বা অসিয়তনামা করে রেখে যাওয়া। স্বামী-স্ত্রী হোটেলে এক রুমে থাকার চিন্তা করার চেয়ে আলাদাভাবে পুরুষ ও মহিলাদের সাথে শেয়ারিং রুমে থাকাই উত্তম, কারণ এতে মানুষের সাথে মেলা-মেশা হয়, সাহায্য-সহযোগিতা পাওয়া যায় এবং জ্ঞান আদান-প্রদান হয়।

📘 হজ্জ ও উমরাহ সফরে সহজ গাইড 📄 কিছু তথ্য জেনে রাখুন

📄 কিছু তথ্য জেনে রাখুন


| হতে | পর্যন্ত | দূরত্ব (আনুমানিক) | সময় (আনুমানিক) |
| --- | --- | --- | --- |
| ঢাকা বিমানবন্দর | জেদ্দা বিমানবন্দর | ৩২৫৩ মাইল/৫২৩৪ কি.মি | ৬-৭ ঘণ্টা (বিমানে) |
| জেদ্দা বিমান বন্দর | মক্কা | ৬৮ মাইল/১১১ কি.মি | ১-২ ঘণ্টা (বাসে) |
| জেদ্দা বিমানবন্দর | মদীনা | ২৪২ মাইল/৩৯০ কি.মি | ৫-৬ ঘণ্টা (বাসে) |
| মক্কা | মদীনা | ২৭১ মাইল/৪৩৭ কি.মি | ৫-৬ ঘণ্টা (বাসে) |
| মক্কা | আরাফা | ১৫ মাইল/২৫ কি.মি | ৩০মি. - ১ঘণ্টা (বাসে) |
| মক্কা | মিনা | ৭ মাইল/১২ কি.মি | ৩০মি. - ১ঘণ্টা (বাসে) |
| মিনা | আরাফা | ৯ মাইল/১৬ কি.মি | ৩০মি. - ১ঘণ্টা (বাসে) |
| আরাফা | মুযদালিফা | ৬ মাইল/১০ কি.মি | ১৫মি. - ৩০মি. (বাসে) |
| মুযদালিফা | মিনা | ৩ মাইল/৬ কি.মি | ১০মি. - ১৫মি. (বাসে) |

সফর রুট: ভারত > পাকিস্তান > ওমান সাগর > আরব আমিরাত > সৌদি আরব
আবহাওয়া তাপমাত্রা: মক্কা (১৯-৪৪ ডিগ্রি সেঃ), মদীনা (১২-৪৫ ডিগ্রি সে:)
বাতাসে আর্দ্রতা: মক্কা (৩৩% - ৫৯%), মদীনা (১২% - ৩৮%)
ঋতুকাল: গ্রীষ্মকাল (মার্চ-সেপ্টেম্বর), শীতকাল (অক্টোবর-ফেব্রুয়ারি)
সময়ের ব্যবধান: তিন ঘণ্টা (ঢাকায় সকাল ৯টা, মক্কায় তখন সকাল ৬টা)
সৌদি রিয়াল রেট: ১ সৌদি রিয়াল = ২৬-২৭ টাকা। (বাজারদর সাপেক্ষে)
বিদ্যুৎ: ২২০ ভোল্ট
রাস্তায় গাড়ি চলাচল: রাস্তার ডান পাশ/লেন দিয়ে
সৌদি ফোন কোড: +৯৬৬ XXXXXXXXX

📘 হজ্জ ও উমরাহ সফরে সহজ গাইড 📄 হজ্জের প্রকারভেদ

📄 হজ্জের প্রকারভেদ


হজ্জে ইফরাদ: উমরাহ (এক ইহরামে), হজ্জ (এক ইহরামে), হাদী (পশু যবেহ) (ওয়াজিব নয়)
হজ্জে ক্বিরান: উমরাহ ও হজ্জ (একই ইহরামে), হাদী (পশু যবেহ) (ওয়াজিব)
হজ্জে তামাতু: উমরাহ (আলাদা ইহরামে), হজ্জ (আলাদা ইহরামে), হাদী (পশু যবেহ) (ওয়াজিব)

* এই বইয়ে হজ্জে তামাতু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এবং শেষে ক্বিরান ও ইফরাদ হজ্জ নিয়ে কিছু আলোচনা করা হয়েছে।
* বদলি হজ্জ: কোন ব্যক্তি যদি ফরজ হজ্জ আদায় করতে অক্ষম হয় তবে কোন ব্যক্তিকে তার পক্ষ হতে হজ্জ (বদলি হজ্জ) পালন করার জন্য মনোনীত করতে পারে। এক্ষেত্রে মনোনীত ব্যক্তি ইতিপূর্বে নিজের হজ্জ পালন করেছে এমন হতে হবে। (আবু দাউদ-১৮১১, ইবনে মাজাহ-২৯০৩)
* আবু রাযিন আল আকিলি থেকে বর্ণিত; তিনি এসে রাসূল (ﷺ) - কে প্রশ্ন করে বললেন, আমার পিতা খুব বৃদ্ধ, তিনি হজ্জ ও উমরাহ পালন করতে পারেন না। সাওয়ারির উপর উঠে চলতেও পারেন না। রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমার পিতার পক্ষ থেকে হজ্জ ও উমরাহ করো। (আবু দাউদ-১৮১০, নাসাঈ-২৬২১)
* তিন প্রকার হজ্জের মধ্যে বদলি হজ্জ কোন প্রকার হবে তা, যে ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জ করা হচ্ছে তিনি নির্ধারণ করে দিবেন। বদলি হজ্জ - ইফরাদ হজ্জ হতে হবে, এমন কোন কথা নেই। বরং উপরের হাদীসে হজ্জ ও উমরাহ উভয়ের কথাই আছে। বদলি হজ্জ নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা আছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px