📘 হাদীসের কিসসা > 📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তদীয় পরিবারের মক্কায় পুনর্বাসন

📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তদীয় পরিবারের মক্কায় পুনর্বাসন


আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও শিশুপুত্র ইসমাঈলকে মক্কার জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন। সাথে ছিল মাত্র এক মশকের পানি ও সামান্য খেজুর। হাজেরা (আঃ) পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন, 'হে ইবরাহীম! আপনি আমাদের এমন জায়গায় ফেলে কোথায় যাচ্ছেন, যেখানে কোনো মানুষ নেই, পানি নেই?' ইবরাহীম (আঃ) কোনো উত্তর দিলেন না।
অবশেষে হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কি আল্লাহর নির্দেশ?' ইবরাহীম (আঃ) ইশারায় বললেন, 'হ্যাঁ।' তখন হাজেরা দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, 'তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।' ইবরাহীম (আঃ) চলে গেলেন। শীঘ্রই পানি ফুরিয়ে গেল। শিশু ইসমাঈল পিপাসায় ছটফট করতে লাগলেন। পানির সন্ধানে হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করলেন। ফিরে এসে দেখলেন, শিশুর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে 'জমজম' কূূপের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণেই আজ সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম।

আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও শিশুপুত্র ইসমাঈলকে মক্কার জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন। সাথে ছিল মাত্র এক মশকের পানি ও সামান্য খেজুর। হাজেরা (আঃ) পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন, 'হে ইবরাহীম! আপনি আমাদের এমন জায়গায় ফেলে কোথায় যাচ্ছেন, যেখানে কোনো মানুষ নেই, পানি নেই?' ইবরাহীম (আঃ) কোনো উত্তর দিলেন না।
অবশেষে হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কি আল্লাহর নির্দেশ?' ইবরাহীম (আঃ) ইশারায় বললেন, 'হ্যাঁ।' তখন হাজেরা দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, 'তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।' ইবরাহীম (আঃ) চলে গেলেন। শীঘ্রই পানি ফুরিয়ে গেল। শিশু ইসমাঈল পিপাসায় ছটফট করতে লাগলেন। পানির সন্ধানে হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করলেন। ফিরে এসে দেখলেন, শিশুর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে 'জমজম' কূূপের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণেই আজ সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম।

আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও শিশুপুত্র ইসমাঈলকে মক্কার জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন। সাথে ছিল মাত্র এক মশকের পানি ও সামান্য খেজুর। হাজেরা (আঃ) পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন, 'হে ইবরাহীম! আপনি আমাদের এমন জায়গায় ফেলে কোথায় যাচ্ছেন, যেখানে কোনো মানুষ নেই, পানি নেই?' ইবরাহীম (আঃ) কোনো উত্তর দিলেন না।
অবশেষে হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কি আল্লাহর নির্দেশ?' ইবরাহীম (আঃ) ইশারায় বললেন, 'হ্যাঁ।' তখন হাজেরা দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, 'তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।' ইবরাহীম (আঃ) চলে গেলেন। শীঘ্রই পানি ফুরিয়ে গেল। শিশু ইসমাঈল পিপাসায় ছটফট করতে লাগলেন। পানির সন্ধানে হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করলেন। ফিরে এসে দেখলেন, শিশুর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে 'জমজম' কূূপের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণেই আজ সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম।

📘 হাদীসের কিসসা > 📄 হযরত মূসা (আঃ) ও পানির বোতল

📄 হযরত মূসা (আঃ) ও পানির বোতল


একবার হযরত মূসা (আঃ)-এর মনে প্রশ্ন জাগল, 'আল্লাহ কি ঘুমান?' আল্লাহ তাআলা তাঁকে এই প্রশ্নের উত্তর হাতে-কলমে দেওয়ার জন্য এক ফেরেশতা পাঠালেন। ফেরেশতা মূসা (আঃ)-কে দুটি কাঁচের বোতল বা পেয়ালা দুই হাতে ধরে সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকতে বললেন এবং সতর্ক করলেন যেন হাত থেকে না পড়ে।
রাতের কিছু অংশ পার হওয়ার পর মূসা (আঃ)-এর চোখে ঘুম নেমে এল। তিনি ঢুলতে লাগলেন। ঘুমের ঘোরে তাঁর হাত থেকে বোতল দুটি পড়ে গিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ ওহী পাঠালেন, 'হে মূসা! আমি যদি ক্ষণিকের জন্য তন্দ্রা বা ঘুমে আচ্ছন্ন হতাম, তবে আসমান ও জমিন এই বোতলগুলোর মতোই ধ্বংস হয়ে যেত।' আয়াতুল কুরসিতে এই কথাই বলা হয়েছে—'তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না।'

একবার হযরত মূসা (আঃ)-এর মনে প্রশ্ন জাগল, 'আল্লাহ কি ঘুমান?' আল্লাহ তাআলা তাঁকে এই প্রশ্নের উত্তর হাতে-কলমে দেওয়ার জন্য এক ফেরেশতা পাঠালেন। ফেরেশতা মূসা (আঃ)-কে দুটি কাঁচের বোতল বা পেয়ালা দুই হাতে ধরে সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকতে বললেন এবং সতর্ক করলেন যেন হাত থেকে না পড়ে।
রাতের কিছু অংশ পার হওয়ার পর মূসা (আঃ)-এর চোখে ঘুম নেমে এল। তিনি ঢুলতে লাগলেন। ঘুমের ঘোরে তাঁর হাত থেকে বোতল দুটি পড়ে গিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ ওহী পাঠালেন, 'হে মূসা! আমি যদি ক্ষণিকের জন্য তন্দ্রা বা ঘুমে আচ্ছন্ন হতাম, তবে আসমান ও জমিন এই বোতলগুলোর মতোই ধ্বংস হয়ে যেত।' আয়াতুল কুরসিতে এই কথাই বলা হয়েছে—'তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না।'

একবার হযরত মূসা (আঃ)-এর মনে প্রশ্ন জাগল, 'আল্লাহ কি ঘুমান?' আল্লাহ তাআলা তাঁকে এই প্রশ্নের উত্তর হাতে-কলমে দেওয়ার জন্য এক ফেরেশতা পাঠালেন। ফেরেশতা মূসা (আঃ)-কে দুটি কাঁচের বোতল বা পেয়ালা দুই হাতে ধরে সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকতে বললেন এবং সতর্ক করলেন যেন হাত থেকে না পড়ে।
রাতের কিছু অংশ পার হওয়ার পর মূসা (আঃ)-এর চোখে ঘুম নেমে এল। তিনি ঢুলতে লাগলেন। ঘুমের ঘোরে তাঁর হাত থেকে বোতল দুটি পড়ে গিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ ওহী পাঠালেন, 'হে মূসা! আমি যদি ক্ষণিকের জন্য তন্দ্রা বা ঘুমে আচ্ছন্ন হতাম, তবে আসমান ও জমিন এই বোতলগুলোর মতোই ধ্বংস হয়ে যেত।' আয়াতুল কুরসিতে এই কথাই বলা হয়েছে—'তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না।'

📘 হাদীসের কিসসা > 📄 হযরত মূসা (আঃ) ও খিজির (আঃ) এর সফর

📄 হযরত মূসা (আঃ) ও খিজির (আঃ) এর সফর


হযরত মূসা (আঃ) একবার বলেছিলেন যে তিনি সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। আল্লাহ তাঁকে জানালেন যে, দুই সাগরের মিলনস্থলে এমন এক বান্দা আছেন যিনি তাঁর চেয়েও বেশি জ্ঞান রাখেন। মূসা (আঃ) সেই খিজির (আঃ)-এর খোঁজে বের হলেন। সাক্ষাতের পর খিজির (আঃ) শর্ত দিলেন যে, সফরে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না।
সফরকালে খিজির (আঃ) তিনটি অদ্ভুত কাজ করলেন: ১. গরিব মাঝিদের নৌকা ছিদ্র করে দিলেন। ২. এক মাসুম বাচ্চাকে হত্যা করলেন। ৩. এক কৃপণ গ্রামের দেয়াল বিনা পারিশ্রমিকে মেরামত করে দিলেন।
মূসা (আঃ) ধৈর্য ধরতে না পেরে প্রতিবারই প্রশ্ন করলেন। শেষে খিজির (আঃ) রহস্য উন্মোচন করলেন: নৌকাটি ছিদ্র করা হয়েছিল যাতে জালেম রাজা ভালো নৌকাটি দখল করতে না পারে। বাচ্চাটিকে হত্যা করা হয়েছে কারণ বড় হয়ে সে কাফির হতো এবং বাবা-মাকে কষ্ট দিত। আর দেয়ালটি মেরামত করা হয়েছে কারণ তার নিচে দুই এতিম বাচ্চার গুপ্তধন ছিল। এসবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের জ্ঞান সীমিত আর আল্লাহর জ্ঞান অসীম।

হযরত মূসা (আঃ) একবার বলেছিলেন যে তিনি সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। আল্লাহ তাঁকে জানালেন যে, দুই সাগরের মিলনস্থলে এমন এক বান্দা আছেন যিনি তাঁর চেয়েও বেশি জ্ঞান রাখেন। মূসা (আঃ) সেই খিজির (আঃ)-এর খোঁজে বের হলেন। সাক্ষাতের পর খিজির (আঃ) শর্ত দিলেন যে, সফরে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না।
সফরকালে খিজির (আঃ) তিনটি অদ্ভুত কাজ করলেন: ১. গরিব মাঝিদের নৌকা ছিদ্র করে দিলেন। ২. এক মাসুম বাচ্চাকে হত্যা করলেন। ৩. এক কৃপণ গ্রামের দেয়াল বিনা পারিশ্রমিকে মেরামত করে দিলেন।
মূসা (আঃ) ধৈর্য ধরতে না পেরে প্রতিবারই প্রশ্ন করলেন। শেষে খিজির (আঃ) রহস্য উন্মোচন করলেন: নৌকাটি ছিদ্র করা হয়েছিল যাতে জালেম রাজা ভালো নৌকাটি দখল করতে না পারে। বাচ্চাটিকে হত্যা করা হয়েছে কারণ বড় হয়ে সে কাফির হতো এবং বাবা-মাকে কষ্ট দিত। আর দেয়ালটি মেরামত করা হয়েছে কারণ তার নিচে দুই এতিম বাচ্চার গুপ্তধন ছিল। এসবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের জ্ঞান সীমিত আর আল্লাহর জ্ঞান অসীম।

হযরত মূসা (আঃ) একবার বলেছিলেন যে তিনি সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। আল্লাহ তাঁকে জানালেন যে, দুই সাগরের মিলনস্থলে এমন এক বান্দা আছেন যিনি তাঁর চেয়েও বেশি জ্ঞান রাখেন। মূসা (আঃ) সেই খিজির (আঃ)-এর খোঁজে বের হলেন। সাক্ষাতের পর খিজির (আঃ) শর্ত দিলেন যে, সফরে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না।
সফরকালে খিজির (আঃ) তিনটি অদ্ভুত কাজ করলেন: ১. গরিব মাঝিদের নৌকা ছিদ্র করে দিলেন। ২. এক মাসুম বাচ্চাকে হত্যা করলেন। ৩. এক কৃপণ গ্রামের দেয়াল বিনা পারিশ্রমিকে মেরামত করে দিলেন।
মূসা (আঃ) ধৈর্য ধরতে না পেরে প্রতিবারই প্রশ্ন করলেন। শেষে খিজির (আঃ) রহস্য উন্মোচন করলেন: নৌকাটি ছিদ্র করা হয়েছিল যাতে জালেম রাজা ভালো নৌকাটি দখল করতে না পারে। বাচ্চাটিকে হত্যা করা হয়েছে কারণ বড় হয়ে সে কাফির হতো এবং বাবা-মাকে কষ্ট দিত। আর দেয়ালটি মেরামত করা হয়েছে কারণ তার নিচে দুই এতিম বাচ্চার গুপ্তধন ছিল। এসবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের জ্ঞান সীমিত আর আল্লাহর জ্ঞান অসীম।

📘 হাদীসের কিসসা > 📄 হযরত মূসা (আঃ) ও ইসতিস্কার নামায

📄 হযরত মূসা (আঃ) ও ইসতিস্কার নামায


হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, একবার হযরত মুসা (আঃ) এর আমলে মিশরে ভীষণ খরা ও অনাবৃষ্টি দেখা দেয়। বনী ইসরাইলের লোকেরা হযরত মূসাকে অনুরোধ জানায় যে, আপনি আমাদেরকে নিয়ে ইসতিস্কার নামায পড়ুন এবং বৃষ্টির জন্য দোয়া করুন। হযরত মূসা বিপুল সংখ্যক লোককে সাথে নিয়ে একটি মাঠে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ইসতিস্কার নামায পড়লেন এবং অনেক কান্নাকাটি করে দোয়া করলেন। কিন্তু বৃষ্টিও হলো না, আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন জবাবও এলো না।

পরদিন তিনি আবার ইসতিস্কার নামায পড়ালেন। এভাবে তৃতীয় দিনও পড়ালেন। শেষের দিন নামাযের পর অনেক বেশী সময় ধরে দোয়া করলেন। দোয়ার পর আল্লাহর কাছ থেকে ওহী এলো যে, "হে মূসা! সমবেত লোকদের মধ্যে এমন একজন লোক রয়েছে যে আজকের আগে আর কখনো আল্লাহর নাম মুখে আনেনি। অধিকন্তু অত্যন্ত জঘন্য পাপ কাজে লিপ্ত ছিল। ঐ লোকটিকে দল থেকে বের করে দিয়ে দোয়া করো। নচেত আমি দোয়া কবুল করবো না।”

হযরত মূসা আল্লাহর ওহীর নির্দেশ সমবেত লোকদেরকে জানালেন এবং বললেন, আল্লাহ এই ব্যক্তির নাম বলেননি তবে এই ব্যক্তি নিজে নিজের সম্পর্কে নিশ্চয়ই ওয়াকিফহাল। দেশের সমগ্র জনগণের স্বার্থ আমি তাকে এই স্থান ত্যাগ করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

হযরত মূসা বার বার আবেদন জানাতে লাগলেন। কিন্তু কোন ফলোদয় হলো না। এভাবে কয়েক ঘন্টা কেটে যাওয়ার পর সহসা আকাশে মেঘের আনাগোনা শুরু হলো। কিছুক্ষণের মধ্যে কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে গেল। অতঃপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষিত হলো।

বৃষ্টি হওয়ায় জনগণ খুশী হলেও হযরত মূসা পড়ে গেলেন একটু বেকায়দায়। কারণ ওহীর নির্দেশমত কোন পাপী লোককে বেরিয়ে যেতে দেখা গেলো না। তথাপি বৃষ্টি হলো। এতে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিল যে, হযরত মূসা ওহীর নামে যে কথা বলেছিলেন তা সত্য ছিল কিনা।

অগত্যা তিনি ঘটনার ব্যাখ্যা চাইলেন আল্লাহর কাছে। আল্লাহ জবাবে বললেনঃ হে মূসা। তুমি যখন বারবার পাপীকে স্থান ত্যাগ করার আবেদন জানাচ্ছিলে, সে তখন মনে মনে আমার কাছে অনুশোচনা প্রকাশ করে তওবা করেছিল এবং বলছিলঃ "হে আল্লাহ! এত লোকের সামনে আমাকে অপদস্থও করোনা, আর আমার জন্য দেশবাসীকে কষ্টও দিওনা। আমাকে মাফ করে দিয়ে বৃষ্টি দাও।” আমি তার দোয়া কবুল করে বৃষ্টি দিয়েছি। (বুখারী)

শিক্ষা: গুনাহ বা ভুলত্রুটীর জন্য কোন মানুষকে লজ্জা দেয়া বা লোকজনের সামনে হেয় করা উচিত নয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00