📘 হাদীসের কিসসা > 📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও ভিক্ষুক

📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও ভিক্ষুক


হযরত ইবরাহীম (আঃ) মেহমান ছাড়া কখনো খাবার খেতেন না। একদিন তিনি খাবারের সময় কোনো মেহমান পেলেন না। অবশেষে এক বৃদ্ধ ভিক্ষুক এল। ইবরাহীম (আঃ) তাকে খেতে বসালেন। কথায় কথায় তিনি জানতে পারলেন যে, বৃদ্ধটি অগ্নিপূজক। ইবরাহীম (আঃ) বললেন, 'তুমি আমার রবের অকৃতজ্ঞ হয়ে অন্যের পূজা করো, আমি তোমাকে খাওয়াব না।'
বৃদ্ধটি উঠে চলে গেল। তখনই জিবরাঈল (আঃ) এসে আল্লাহর বাণী শোনালেন, 'হে ইবরাহীম! আমি এই লোকটিকে সত্তর বছর ধরে রিজিক দিচ্ছি, সে আমার ইবাদত না করা সত্ত্বেও। আর তুমি তাকে এক বেলা খাবার দিতে পারলে না?' ইবরাহীম (আঃ) লজ্জিত হয়ে দৌড়ে গিয়ে বৃদ্ধকে ফিরিয়ে আনলেন এবং সম্মানের সাথে খাওয়ালেন। বৃদ্ধ অবাক হয়ে কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি আল্লাহর তিরস্কারের কথা জানালেন। এই মহানুভবতা ও রবের দয়া দেখে বৃদ্ধটি তখনই ইসলাম গ্রহণ করল।

হযরত ইবরাহীম (আঃ) মেহমান ছাড়া কখনো খাবার খেতেন না। একদিন তিনি খাবারের সময় কোনো মেহমান পেলেন না। অবশেষে এক বৃদ্ধ ভিক্ষুক এল। ইবরাহীম (আঃ) তাকে খেতে বসালেন। কথায় কথায় তিনি জানতে পারলেন যে, বৃদ্ধটি অগ্নিপূজক। ইবরাহীম (আঃ) বললেন, 'তুমি আমার রবের অকৃতজ্ঞ হয়ে অন্যের পূজা করো, আমি তোমাকে খাওয়াব না।'
বৃদ্ধটি উঠে চলে গেল। তখনই জিবরাঈল (আঃ) এসে আল্লাহর বাণী শোনালেন, 'হে ইবরাহীম! আমি এই লোকটিকে সত্তর বছর ধরে রিজিক দিচ্ছি, সে আমার ইবাদত না করা সত্ত্বেও। আর তুমি তাকে এক বেলা খাবার দিতে পারলে না?' ইবরাহীম (আঃ) লজ্জিত হয়ে দৌড়ে গিয়ে বৃদ্ধকে ফিরিয়ে আনলেন এবং সম্মানের সাথে খাওয়ালেন। বৃদ্ধ অবাক হয়ে কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি আল্লাহর তিরস্কারের কথা জানালেন। এই মহানুভবতা ও রবের দয়া দেখে বৃদ্ধটি তখনই ইসলাম গ্রহণ করল।

হযরত ইবরাহীম (আঃ) মেহমান ছাড়া কখনো খাবার খেতেন না। একদিন তিনি খাবারের সময় কোনো মেহমান পেলেন না। অবশেষে এক বৃদ্ধ ভিক্ষুক এল। ইবরাহীম (আঃ) তাকে খেতে বসালেন। কথায় কথায় তিনি জানতে পারলেন যে, বৃদ্ধটি অগ্নিপূজক। ইবরাহীম (আঃ) বললেন, 'তুমি আমার রবের অকৃতজ্ঞ হয়ে অন্যের পূজা করো, আমি তোমাকে খাওয়াব না।'
বৃদ্ধটি উঠে চলে গেল। তখনই জিবরাঈল (আঃ) এসে আল্লাহর বাণী শোনালেন, 'হে ইবরাহীম! আমি এই লোকটিকে সত্তর বছর ধরে রিজিক দিচ্ছি, সে আমার ইবাদত না করা সত্ত্বেও। আর তুমি তাকে এক বেলা খাবার দিতে পারলে না?' ইবরাহীম (আঃ) লজ্জিত হয়ে দৌড়ে গিয়ে বৃদ্ধকে ফিরিয়ে আনলেন এবং সম্মানের সাথে খাওয়ালেন। বৃদ্ধ অবাক হয়ে কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি আল্লাহর তিরস্কারের কথা জানালেন। এই মহানুভবতা ও রবের দয়া দেখে বৃদ্ধটি তখনই ইসলাম গ্রহণ করল।

📘 হাদীসের কিসসা > 📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তদীয় পরিবারের মক্কায় পুনর্বাসন

📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তদীয় পরিবারের মক্কায় পুনর্বাসন


আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও শিশুপুত্র ইসমাঈলকে মক্কার জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন। সাথে ছিল মাত্র এক মশকের পানি ও সামান্য খেজুর। হাজেরা (আঃ) পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন, 'হে ইবরাহীম! আপনি আমাদের এমন জায়গায় ফেলে কোথায় যাচ্ছেন, যেখানে কোনো মানুষ নেই, পানি নেই?' ইবরাহীম (আঃ) কোনো উত্তর দিলেন না।
অবশেষে হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কি আল্লাহর নির্দেশ?' ইবরাহীম (আঃ) ইশারায় বললেন, 'হ্যাঁ।' তখন হাজেরা দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, 'তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।' ইবরাহীম (আঃ) চলে গেলেন। শীঘ্রই পানি ফুরিয়ে গেল। শিশু ইসমাঈল পিপাসায় ছটফট করতে লাগলেন। পানির সন্ধানে হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করলেন। ফিরে এসে দেখলেন, শিশুর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে 'জমজম' কূূপের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণেই আজ সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম।

আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও শিশুপুত্র ইসমাঈলকে মক্কার জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন। সাথে ছিল মাত্র এক মশকের পানি ও সামান্য খেজুর। হাজেরা (আঃ) পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন, 'হে ইবরাহীম! আপনি আমাদের এমন জায়গায় ফেলে কোথায় যাচ্ছেন, যেখানে কোনো মানুষ নেই, পানি নেই?' ইবরাহীম (আঃ) কোনো উত্তর দিলেন না।
অবশেষে হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কি আল্লাহর নির্দেশ?' ইবরাহীম (আঃ) ইশারায় বললেন, 'হ্যাঁ।' তখন হাজেরা দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, 'তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।' ইবরাহীম (আঃ) চলে গেলেন। শীঘ্রই পানি ফুরিয়ে গেল। শিশু ইসমাঈল পিপাসায় ছটফট করতে লাগলেন। পানির সন্ধানে হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করলেন। ফিরে এসে দেখলেন, শিশুর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে 'জমজম' কূূপের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণেই আজ সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম।

আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও শিশুপুত্র ইসমাঈলকে মক্কার জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন। সাথে ছিল মাত্র এক মশকের পানি ও সামান্য খেজুর। হাজেরা (আঃ) পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন, 'হে ইবরাহীম! আপনি আমাদের এমন জায়গায় ফেলে কোথায় যাচ্ছেন, যেখানে কোনো মানুষ নেই, পানি নেই?' ইবরাহীম (আঃ) কোনো উত্তর দিলেন না।
অবশেষে হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কি আল্লাহর নির্দেশ?' ইবরাহীম (আঃ) ইশারায় বললেন, 'হ্যাঁ।' তখন হাজেরা দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, 'তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।' ইবরাহীম (আঃ) চলে গেলেন। শীঘ্রই পানি ফুরিয়ে গেল। শিশু ইসমাঈল পিপাসায় ছটফট করতে লাগলেন। পানির সন্ধানে হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করলেন। ফিরে এসে দেখলেন, শিশুর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে 'জমজম' কূূপের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণেই আজ সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম।

📘 হাদীসের কিসসা > 📄 হযরত মূসা (আঃ) ও পানির বোতল

📄 হযরত মূসা (আঃ) ও পানির বোতল


একবার হযরত মূসা (আঃ)-এর মনে প্রশ্ন জাগল, 'আল্লাহ কি ঘুমান?' আল্লাহ তাআলা তাঁকে এই প্রশ্নের উত্তর হাতে-কলমে দেওয়ার জন্য এক ফেরেশতা পাঠালেন। ফেরেশতা মূসা (আঃ)-কে দুটি কাঁচের বোতল বা পেয়ালা দুই হাতে ধরে সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকতে বললেন এবং সতর্ক করলেন যেন হাত থেকে না পড়ে।
রাতের কিছু অংশ পার হওয়ার পর মূসা (আঃ)-এর চোখে ঘুম নেমে এল। তিনি ঢুলতে লাগলেন। ঘুমের ঘোরে তাঁর হাত থেকে বোতল দুটি পড়ে গিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ ওহী পাঠালেন, 'হে মূসা! আমি যদি ক্ষণিকের জন্য তন্দ্রা বা ঘুমে আচ্ছন্ন হতাম, তবে আসমান ও জমিন এই বোতলগুলোর মতোই ধ্বংস হয়ে যেত।' আয়াতুল কুরসিতে এই কথাই বলা হয়েছে—'তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না।'

একবার হযরত মূসা (আঃ)-এর মনে প্রশ্ন জাগল, 'আল্লাহ কি ঘুমান?' আল্লাহ তাআলা তাঁকে এই প্রশ্নের উত্তর হাতে-কলমে দেওয়ার জন্য এক ফেরেশতা পাঠালেন। ফেরেশতা মূসা (আঃ)-কে দুটি কাঁচের বোতল বা পেয়ালা দুই হাতে ধরে সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকতে বললেন এবং সতর্ক করলেন যেন হাত থেকে না পড়ে।
রাতের কিছু অংশ পার হওয়ার পর মূসা (আঃ)-এর চোখে ঘুম নেমে এল। তিনি ঢুলতে লাগলেন। ঘুমের ঘোরে তাঁর হাত থেকে বোতল দুটি পড়ে গিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ ওহী পাঠালেন, 'হে মূসা! আমি যদি ক্ষণিকের জন্য তন্দ্রা বা ঘুমে আচ্ছন্ন হতাম, তবে আসমান ও জমিন এই বোতলগুলোর মতোই ধ্বংস হয়ে যেত।' আয়াতুল কুরসিতে এই কথাই বলা হয়েছে—'তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না।'

একবার হযরত মূসা (আঃ)-এর মনে প্রশ্ন জাগল, 'আল্লাহ কি ঘুমান?' আল্লাহ তাআলা তাঁকে এই প্রশ্নের উত্তর হাতে-কলমে দেওয়ার জন্য এক ফেরেশতা পাঠালেন। ফেরেশতা মূসা (আঃ)-কে দুটি কাঁচের বোতল বা পেয়ালা দুই হাতে ধরে সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকতে বললেন এবং সতর্ক করলেন যেন হাত থেকে না পড়ে।
রাতের কিছু অংশ পার হওয়ার পর মূসা (আঃ)-এর চোখে ঘুম নেমে এল। তিনি ঢুলতে লাগলেন। ঘুমের ঘোরে তাঁর হাত থেকে বোতল দুটি পড়ে গিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ ওহী পাঠালেন, 'হে মূসা! আমি যদি ক্ষণিকের জন্য তন্দ্রা বা ঘুমে আচ্ছন্ন হতাম, তবে আসমান ও জমিন এই বোতলগুলোর মতোই ধ্বংস হয়ে যেত।' আয়াতুল কুরসিতে এই কথাই বলা হয়েছে—'তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না।'

📘 হাদীসের কিসসা > 📄 হযরত মূসা (আঃ) ও খিজির (আঃ) এর সফর

📄 হযরত মূসা (আঃ) ও খিজির (আঃ) এর সফর


হযরত মূসা (আঃ) একবার বলেছিলেন যে তিনি সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। আল্লাহ তাঁকে জানালেন যে, দুই সাগরের মিলনস্থলে এমন এক বান্দা আছেন যিনি তাঁর চেয়েও বেশি জ্ঞান রাখেন। মূসা (আঃ) সেই খিজির (আঃ)-এর খোঁজে বের হলেন। সাক্ষাতের পর খিজির (আঃ) শর্ত দিলেন যে, সফরে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না।
সফরকালে খিজির (আঃ) তিনটি অদ্ভুত কাজ করলেন: ১. গরিব মাঝিদের নৌকা ছিদ্র করে দিলেন। ২. এক মাসুম বাচ্চাকে হত্যা করলেন। ৩. এক কৃপণ গ্রামের দেয়াল বিনা পারিশ্রমিকে মেরামত করে দিলেন।
মূসা (আঃ) ধৈর্য ধরতে না পেরে প্রতিবারই প্রশ্ন করলেন। শেষে খিজির (আঃ) রহস্য উন্মোচন করলেন: নৌকাটি ছিদ্র করা হয়েছিল যাতে জালেম রাজা ভালো নৌকাটি দখল করতে না পারে। বাচ্চাটিকে হত্যা করা হয়েছে কারণ বড় হয়ে সে কাফির হতো এবং বাবা-মাকে কষ্ট দিত। আর দেয়ালটি মেরামত করা হয়েছে কারণ তার নিচে দুই এতিম বাচ্চার গুপ্তধন ছিল। এসবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের জ্ঞান সীমিত আর আল্লাহর জ্ঞান অসীম।

হযরত মূসা (আঃ) একবার বলেছিলেন যে তিনি সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। আল্লাহ তাঁকে জানালেন যে, দুই সাগরের মিলনস্থলে এমন এক বান্দা আছেন যিনি তাঁর চেয়েও বেশি জ্ঞান রাখেন। মূসা (আঃ) সেই খিজির (আঃ)-এর খোঁজে বের হলেন। সাক্ষাতের পর খিজির (আঃ) শর্ত দিলেন যে, সফরে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না।
সফরকালে খিজির (আঃ) তিনটি অদ্ভুত কাজ করলেন: ১. গরিব মাঝিদের নৌকা ছিদ্র করে দিলেন। ২. এক মাসুম বাচ্চাকে হত্যা করলেন। ৩. এক কৃপণ গ্রামের দেয়াল বিনা পারিশ্রমিকে মেরামত করে দিলেন।
মূসা (আঃ) ধৈর্য ধরতে না পেরে প্রতিবারই প্রশ্ন করলেন। শেষে খিজির (আঃ) রহস্য উন্মোচন করলেন: নৌকাটি ছিদ্র করা হয়েছিল যাতে জালেম রাজা ভালো নৌকাটি দখল করতে না পারে। বাচ্চাটিকে হত্যা করা হয়েছে কারণ বড় হয়ে সে কাফির হতো এবং বাবা-মাকে কষ্ট দিত। আর দেয়ালটি মেরামত করা হয়েছে কারণ তার নিচে দুই এতিম বাচ্চার গুপ্তধন ছিল। এসবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের জ্ঞান সীমিত আর আল্লাহর জ্ঞান অসীম।

হযরত মূসা (আঃ) একবার বলেছিলেন যে তিনি সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। আল্লাহ তাঁকে জানালেন যে, দুই সাগরের মিলনস্থলে এমন এক বান্দা আছেন যিনি তাঁর চেয়েও বেশি জ্ঞান রাখেন। মূসা (আঃ) সেই খিজির (আঃ)-এর খোঁজে বের হলেন। সাক্ষাতের পর খিজির (আঃ) শর্ত দিলেন যে, সফরে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না।
সফরকালে খিজির (আঃ) তিনটি অদ্ভুত কাজ করলেন: ১. গরিব মাঝিদের নৌকা ছিদ্র করে দিলেন। ২. এক মাসুম বাচ্চাকে হত্যা করলেন। ৩. এক কৃপণ গ্রামের দেয়াল বিনা পারিশ্রমিকে মেরামত করে দিলেন।
মূসা (আঃ) ধৈর্য ধরতে না পেরে প্রতিবারই প্রশ্ন করলেন। শেষে খিজির (আঃ) রহস্য উন্মোচন করলেন: নৌকাটি ছিদ্র করা হয়েছিল যাতে জালেম রাজা ভালো নৌকাটি দখল করতে না পারে। বাচ্চাটিকে হত্যা করা হয়েছে কারণ বড় হয়ে সে কাফির হতো এবং বাবা-মাকে কষ্ট দিত। আর দেয়ালটি মেরামত করা হয়েছে কারণ তার নিচে দুই এতিম বাচ্চার গুপ্তধন ছিল। এসবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের জ্ঞান সীমিত আর আল্লাহর জ্ঞান অসীম।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00