📄 হযরত ঈসা (আঃ), তিন সহচর ও স্বর্ণের ইট
হযরত ঈসা (আঃ)-এর সাথে সফরকালে তাঁর তিন সহচর রাস্তায় তিনটি স্বর্ণের ইট দেখতে পেল। ঈসা (আঃ) তাদের বললেন, 'এগুলো হলো দুনিয়ার মোহ, যা ধ্বংসের কারণ।' তিনি তাদের রেখে সামনে এগিয়ে গেলেন। তিন সহচর সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর সফর করবে না, এই সোনা ভাগ করে বাড়ি ফিরে যাবে।
তাদের ক্ষুধা পেলে একজনকে খাবার কিনতে বাজারে পাঠানো হলো। যে খাবার কিনতে গেল, সে ভাবল, 'আমি খাবারে বিষ মিশিয়ে দেব, যাতে বাকি দুজন মারা যায় এবং আমি সব সোনা একা পাই।' অন্যদিকে, যারা পাহারায় ছিল, তারা পরামর্শ করল, 'সে ফিরে এলে আমরা তাকে হত্যা করব এবং সোনা দুই ভাগ করে নেব।'
খাবার নিয়ে আসার পর তারা তাকে হত্যা করল। এরপর বিষ মেশানো খাবার খেয়ে তারাও মারা গেল। ঈসা (আঃ) ফিরে এসে দেখলেন তিনটি লাশ পড়ে আছে এবং স্বর্ণের ইটগুলো যেমন ছিল তেমনই আছে। তিনি বললেন, 'এটাই দুনিয়ার হাকিকত। সে তার পূজারীদের এভাবেই ধ্বংস করে।'
হযরত ঈসা (আঃ)-এর সাথে সফরকালে তাঁর তিন সহচর রাস্তায় তিনটি স্বর্ণের ইট দেখতে পেল। ঈসা (আঃ) তাদের বললেন, 'এগুলো হলো দুনিয়ার মোহ, যা ধ্বংসের কারণ।' তিনি তাদের রেখে সামনে এগিয়ে গেলেন। তিন সহচর সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর সফর করবে না, এই সোনা ভাগ করে বাড়ি ফিরে যাবে।
তাদের ক্ষুধা পেলে একজনকে খাবার কিনতে বাজারে পাঠানো হলো। যে খাবার কিনতে গেল, সে ভাবল, 'আমি খাবারে বিষ মিশিয়ে দেব, যাতে বাকি দুজন মারা যায় এবং আমি সব সোনা একা পাই।' অন্যদিকে, যারা পাহারায় ছিল, তারা পরামর্শ করল, 'সে ফিরে এলে আমরা তাকে হত্যা করব এবং সোনা দুই ভাগ করে নেব।'
খাবার নিয়ে আসার পর তারা তাকে হত্যা করল। এরপর বিষ মেশানো খাবার খেয়ে তারাও মারা গেল। ঈসা (আঃ) ফিরে এসে দেখলেন তিনটি লাশ পড়ে আছে এবং স্বর্ণের ইটগুলো যেমন ছিল তেমনই আছে। তিনি বললেন, 'এটাই দুনিয়ার হাকিকত। সে তার পূজারীদের এভাবেই ধ্বংস করে।'
হযরত ঈসা (আঃ)-এর সাথে সফরকালে তাঁর তিন সহচর রাস্তায় তিনটি স্বর্ণের ইট দেখতে পেল। ঈসা (আঃ) তাদের বললেন, 'এগুলো হলো দুনিয়ার মোহ, যা ধ্বংসের কারণ।' তিনি তাদের রেখে সামনে এগিয়ে গেলেন। তিন সহচর সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর সফর করবে না, এই সোনা ভাগ করে বাড়ি ফিরে যাবে।
তাদের ক্ষুধা পেলে একজনকে খাবার কিনতে বাজারে পাঠানো হলো। যে খাবার কিনতে গেল, সে ভাবল, 'আমি খাবারে বিষ মিশিয়ে দেব, যাতে বাকি দুজন মারা যায় এবং আমি সব সোনা একা পাই।' অন্যদিকে, যারা পাহারায় ছিল, তারা পরামর্শ করল, 'সে ফিরে এলে আমরা তাকে হত্যা করব এবং সোনা দুই ভাগ করে নেব।'
খাবার নিয়ে আসার পর তারা তাকে হত্যা করল। এরপর বিষ মেশানো খাবার খেয়ে তারাও মারা গেল। ঈসা (আঃ) ফিরে এসে দেখলেন তিনটি লাশ পড়ে আছে এবং স্বর্ণের ইটগুলো যেমন ছিল তেমনই আছে। তিনি বললেন, 'এটাই দুনিয়ার হাকিকত। সে তার পূজারীদের এভাবেই ধ্বংস করে।'
📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও বিবি সারার ঘটনা
হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আঃ) হিজরত করে মিসর বা জর্ডানের এক এলাকায় পৌঁছালেন, যেখানে এক লম্পট বাদশাহ রাজত্ব করত। সুন্দরী নারী দেখলেই সে তাকে ছিনিয়ে নিত। বাদশাহর লোকেরা সারা (আঃ)-কে ধরে নিয়ে গেল। ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর ওপর ভরসা করে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন।
বাদশাহ যখন কু-মতলবে সারার দিকে হাত বাড়াল, সাথে সাথে তার হাত অবশ হয়ে গেল এবং সে যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগল। সে বলল, 'আমার জন্য দোয়া করো, আমি আর এমন করব না।' সারা দোয়া করলেন, সে ভালো হলো। কিন্তু সে আবার হাত বাড়াল এবং আবার অবশ হলো। এভাবে তিনবার হওয়ার পর বাদশাহ ভয়ে কাঁপতে লাগল। সে বুঝতে পারল ইনি সাধারণ নারী নন। সে ক্ষমা চাইল এবং সম্মানের সাথে সারাকে মুক্তি দিল। উপঢৌকন হিসেবে সে নিজের কন্যা হাজেরাকে সারার খেদমতের জন্য দান করল।
হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আঃ) হিজরত করে মিসর বা জর্ডানের এক এলাকায় পৌঁছালেন, যেখানে এক লম্পট বাদশাহ রাজত্ব করত। সুন্দরী নারী দেখলেই সে তাকে ছিনিয়ে নিত। বাদশাহর লোকেরা সারা (আঃ)-কে ধরে নিয়ে গেল। ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর ওপর ভরসা করে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন।
বাদশাহ যখন কু-মতলবে সারার দিকে হাত বাড়াল, সাথে সাথে তার হাত অবশ হয়ে গেল এবং সে যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগল। সে বলল, 'আমার জন্য দোয়া করো, আমি আর এমন করব না।' সারা দোয়া করলেন, সে ভালো হলো। কিন্তু সে আবার হাত বাড়াল এবং আবার অবশ হলো। এভাবে তিনবার হওয়ার পর বাদশাহ ভয়ে কাঁপতে লাগল। সে বুঝতে পারল ইনি সাধারণ নারী নন। সে ক্ষমা চাইল এবং সম্মানের সাথে সারাকে মুক্তি দিল। উপঢৌকন হিসেবে সে নিজের কন্যা হাজেরাকে সারার খেদমতের জন্য দান করল।
হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আঃ) হিজরত করে মিসর বা জর্ডানের এক এলাকায় পৌঁছালেন, যেখানে এক লম্পট বাদশাহ রাজত্ব করত। সুন্দরী নারী দেখলেই সে তাকে ছিনিয়ে নিত। বাদশাহর লোকেরা সারা (আঃ)-কে ধরে নিয়ে গেল। ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর ওপর ভরসা করে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন।
বাদশাহ যখন কু-মতলবে সারার দিকে হাত বাড়াল, সাথে সাথে তার হাত অবশ হয়ে গেল এবং সে যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগল। সে বলল, 'আমার জন্য দোয়া করো, আমি আর এমন করব না।' সারা দোয়া করলেন, সে ভালো হলো। কিন্তু সে আবার হাত বাড়াল এবং আবার অবশ হলো। এভাবে তিনবার হওয়ার পর বাদশাহ ভয়ে কাঁপতে লাগল। সে বুঝতে পারল ইনি সাধারণ নারী নন। সে ক্ষমা চাইল এবং সম্মানের সাথে সারাকে মুক্তি দিল। উপঢৌকন হিসেবে সে নিজের কন্যা হাজেরাকে সারার খেদমতের জন্য দান করল।
📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও ভিক্ষুক
হযরত ইবরাহীম (আঃ) মেহমান ছাড়া কখনো খাবার খেতেন না। একদিন তিনি খাবারের সময় কোনো মেহমান পেলেন না। অবশেষে এক বৃদ্ধ ভিক্ষুক এল। ইবরাহীম (আঃ) তাকে খেতে বসালেন। কথায় কথায় তিনি জানতে পারলেন যে, বৃদ্ধটি অগ্নিপূজক। ইবরাহীম (আঃ) বললেন, 'তুমি আমার রবের অকৃতজ্ঞ হয়ে অন্যের পূজা করো, আমি তোমাকে খাওয়াব না।'
বৃদ্ধটি উঠে চলে গেল। তখনই জিবরাঈল (আঃ) এসে আল্লাহর বাণী শোনালেন, 'হে ইবরাহীম! আমি এই লোকটিকে সত্তর বছর ধরে রিজিক দিচ্ছি, সে আমার ইবাদত না করা সত্ত্বেও। আর তুমি তাকে এক বেলা খাবার দিতে পারলে না?' ইবরাহীম (আঃ) লজ্জিত হয়ে দৌড়ে গিয়ে বৃদ্ধকে ফিরিয়ে আনলেন এবং সম্মানের সাথে খাওয়ালেন। বৃদ্ধ অবাক হয়ে কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি আল্লাহর তিরস্কারের কথা জানালেন। এই মহানুভবতা ও রবের দয়া দেখে বৃদ্ধটি তখনই ইসলাম গ্রহণ করল।
হযরত ইবরাহীম (আঃ) মেহমান ছাড়া কখনো খাবার খেতেন না। একদিন তিনি খাবারের সময় কোনো মেহমান পেলেন না। অবশেষে এক বৃদ্ধ ভিক্ষুক এল। ইবরাহীম (আঃ) তাকে খেতে বসালেন। কথায় কথায় তিনি জানতে পারলেন যে, বৃদ্ধটি অগ্নিপূজক। ইবরাহীম (আঃ) বললেন, 'তুমি আমার রবের অকৃতজ্ঞ হয়ে অন্যের পূজা করো, আমি তোমাকে খাওয়াব না।'
বৃদ্ধটি উঠে চলে গেল। তখনই জিবরাঈল (আঃ) এসে আল্লাহর বাণী শোনালেন, 'হে ইবরাহীম! আমি এই লোকটিকে সত্তর বছর ধরে রিজিক দিচ্ছি, সে আমার ইবাদত না করা সত্ত্বেও। আর তুমি তাকে এক বেলা খাবার দিতে পারলে না?' ইবরাহীম (আঃ) লজ্জিত হয়ে দৌড়ে গিয়ে বৃদ্ধকে ফিরিয়ে আনলেন এবং সম্মানের সাথে খাওয়ালেন। বৃদ্ধ অবাক হয়ে কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি আল্লাহর তিরস্কারের কথা জানালেন। এই মহানুভবতা ও রবের দয়া দেখে বৃদ্ধটি তখনই ইসলাম গ্রহণ করল।
হযরত ইবরাহীম (আঃ) মেহমান ছাড়া কখনো খাবার খেতেন না। একদিন তিনি খাবারের সময় কোনো মেহমান পেলেন না। অবশেষে এক বৃদ্ধ ভিক্ষুক এল। ইবরাহীম (আঃ) তাকে খেতে বসালেন। কথায় কথায় তিনি জানতে পারলেন যে, বৃদ্ধটি অগ্নিপূজক। ইবরাহীম (আঃ) বললেন, 'তুমি আমার রবের অকৃতজ্ঞ হয়ে অন্যের পূজা করো, আমি তোমাকে খাওয়াব না।'
বৃদ্ধটি উঠে চলে গেল। তখনই জিবরাঈল (আঃ) এসে আল্লাহর বাণী শোনালেন, 'হে ইবরাহীম! আমি এই লোকটিকে সত্তর বছর ধরে রিজিক দিচ্ছি, সে আমার ইবাদত না করা সত্ত্বেও। আর তুমি তাকে এক বেলা খাবার দিতে পারলে না?' ইবরাহীম (আঃ) লজ্জিত হয়ে দৌড়ে গিয়ে বৃদ্ধকে ফিরিয়ে আনলেন এবং সম্মানের সাথে খাওয়ালেন। বৃদ্ধ অবাক হয়ে কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি আল্লাহর তিরস্কারের কথা জানালেন। এই মহানুভবতা ও রবের দয়া দেখে বৃদ্ধটি তখনই ইসলাম গ্রহণ করল।
📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তদীয় পরিবারের মক্কায় পুনর্বাসন
আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও শিশুপুত্র ইসমাঈলকে মক্কার জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন। সাথে ছিল মাত্র এক মশকের পানি ও সামান্য খেজুর। হাজেরা (আঃ) পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন, 'হে ইবরাহীম! আপনি আমাদের এমন জায়গায় ফেলে কোথায় যাচ্ছেন, যেখানে কোনো মানুষ নেই, পানি নেই?' ইবরাহীম (আঃ) কোনো উত্তর দিলেন না।
অবশেষে হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কি আল্লাহর নির্দেশ?' ইবরাহীম (আঃ) ইশারায় বললেন, 'হ্যাঁ।' তখন হাজেরা দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, 'তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।' ইবরাহীম (আঃ) চলে গেলেন। শীঘ্রই পানি ফুরিয়ে গেল। শিশু ইসমাঈল পিপাসায় ছটফট করতে লাগলেন। পানির সন্ধানে হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করলেন। ফিরে এসে দেখলেন, শিশুর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে 'জমজম' কূূপের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণেই আজ সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম।
আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও শিশুপুত্র ইসমাঈলকে মক্কার জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন। সাথে ছিল মাত্র এক মশকের পানি ও সামান্য খেজুর। হাজেরা (আঃ) পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন, 'হে ইবরাহীম! আপনি আমাদের এমন জায়গায় ফেলে কোথায় যাচ্ছেন, যেখানে কোনো মানুষ নেই, পানি নেই?' ইবরাহীম (আঃ) কোনো উত্তর দিলেন না।
অবশেষে হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কি আল্লাহর নির্দেশ?' ইবরাহীম (আঃ) ইশারায় বললেন, 'হ্যাঁ।' তখন হাজেরা দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, 'তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।' ইবরাহীম (আঃ) চলে গেলেন। শীঘ্রই পানি ফুরিয়ে গেল। শিশু ইসমাঈল পিপাসায় ছটফট করতে লাগলেন। পানির সন্ধানে হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করলেন। ফিরে এসে দেখলেন, শিশুর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে 'জমজম' কূূপের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণেই আজ সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম।
আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও শিশুপুত্র ইসমাঈলকে মক্কার জনমানবহীন মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন। সাথে ছিল মাত্র এক মশকের পানি ও সামান্য খেজুর। হাজেরা (আঃ) পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন, 'হে ইবরাহীম! আপনি আমাদের এমন জায়গায় ফেলে কোথায় যাচ্ছেন, যেখানে কোনো মানুষ নেই, পানি নেই?' ইবরাহীম (আঃ) কোনো উত্তর দিলেন না।
অবশেষে হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কি আল্লাহর নির্দেশ?' ইবরাহীম (আঃ) ইশারায় বললেন, 'হ্যাঁ।' তখন হাজেরা দৃঢ়কণ্ঠে বললেন, 'তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।' ইবরাহীম (আঃ) চলে গেলেন। শীঘ্রই পানি ফুরিয়ে গেল। শিশু ইসমাঈল পিপাসায় ছটফট করতে লাগলেন। পানির সন্ধানে হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করলেন। ফিরে এসে দেখলেন, শিশুর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে 'জমজম' কূূপের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের কারণেই আজ সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম।