📄 হযরত আইয়ুব (আঃ) এর অগ্নিপরীক্ষা
হযরত আইয়ুব (আঃ) ছিলেন অগাধ ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। আল্লাহ তাআলা তাঁকে পরীক্ষা করার ইচ্ছা করলেন। একে একে তাঁর সমস্ত গবাদি পশু মারা গেল, ঘরবাড়ি ধ্বংস হলো এবং ছাদ ধসে তাঁর চৌদ্দজন সন্তান ইন্তেকাল করল। কিন্তু আইয়ুব (আঃ) ধৈর্য হারালেন না, বরং বললেন, 'আল্লাহ দিয়েছিলেন, আল্লাহই নিয়ে গেছেন।'
এরপর তিনি এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেন। তাঁর সারা শরীরে পচন ধরল এবং পোকা হলো। দুর্গন্ধের কারণে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী তাঁকে লোকালয় থেকে বের করে দিল। একমাত্র তাঁর স্ত্রী রহিমা বিবি তাঁকে সেবা-যত্ন করতে লাগলেন। দীর্ঘ আঠারো বছর এই কষ্টের পর তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন, 'আন্নী মাস্সানিয়ায যুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন' (আমি দুঃখ-কষ্টে পতিত হয়েছি, আর আপনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু)।
আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করলেন। আল্লাহর নির্দেশে তিনি মাটিতে পদাঘাত করলেন এবং সেখান থেকে নির্গত ঝরনার পানি দিয়ে গোসল ও পান করার পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন। আল্লাহ তাঁকে তাঁর হারানো সম্পদ ও পরিবার দ্বিগুণ ফিরিয়ে দিলেন। এই ঘটনা সবরের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
হযরত আইয়ুব (আঃ) ছিলেন অগাধ ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। আল্লাহ তাআলা তাঁকে পরীক্ষা করার ইচ্ছা করলেন। একে একে তাঁর সমস্ত গবাদি পশু মারা গেল, ঘরবাড়ি ধ্বংস হলো এবং ছাদ ধসে তাঁর চৌদ্দজন সন্তান ইন্তেকাল করল। কিন্তু আইয়ুব (আঃ) ধৈর্য হারালেন না, বরং বললেন, 'আল্লাহ দিয়েছিলেন, আল্লাহই নিয়ে গেছেন।'
এরপর তিনি এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেন। তাঁর সারা শরীরে পচন ধরল এবং পোকা হলো। দুর্গন্ধের কারণে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী তাঁকে লোকালয় থেকে বের করে দিল। একমাত্র তাঁর স্ত্রী রহিমা বিবি তাঁকে সেবা-যত্ন করতে লাগলেন। দীর্ঘ আঠারো বছর এই কষ্টের পর তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন, 'আন্নী মাস্সানিয়ায যুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন' (আমি দুঃখ-কষ্টে পতিত হয়েছি, আর আপনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু)।
আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করলেন। আল্লাহর নির্দেশে তিনি মাটিতে পদাঘাত করলেন এবং সেখান থেকে নির্গত ঝরনার পানি দিয়ে গোসল ও পান করার পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন। আল্লাহ তাঁকে তাঁর হারানো সম্পদ ও পরিবার দ্বিগুণ ফিরিয়ে দিলেন। এই ঘটনা সবরের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
হযরত আইয়ুব (আঃ) ছিলেন অগাধ ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। আল্লাহ তাআলা তাঁকে পরীক্ষা করার ইচ্ছা করলেন। একে একে তাঁর সমস্ত গবাদি পশু মারা গেল, ঘরবাড়ি ধ্বংস হলো এবং ছাদ ধসে তাঁর চৌদ্দজন সন্তান ইন্তেকাল করল। কিন্তু আইয়ুব (আঃ) ধৈর্য হারালেন না, বরং বললেন, 'আল্লাহ দিয়েছিলেন, আল্লাহই নিয়ে গেছেন।'
এরপর তিনি এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেন। তাঁর সারা শরীরে পচন ধরল এবং পোকা হলো। দুর্গন্ধের কারণে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী তাঁকে লোকালয় থেকে বের করে দিল। একমাত্র তাঁর স্ত্রী রহিমা বিবি তাঁকে সেবা-যত্ন করতে লাগলেন। দীর্ঘ আঠারো বছর এই কষ্টের পর তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন, 'আন্নী মাস্সানিয়ায যুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন' (আমি দুঃখ-কষ্টে পতিত হয়েছি, আর আপনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু)।
আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করলেন। আল্লাহর নির্দেশে তিনি মাটিতে পদাঘাত করলেন এবং সেখান থেকে নির্গত ঝরনার পানি দিয়ে গোসল ও পান করার পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন। আল্লাহ তাঁকে তাঁর হারানো সম্পদ ও পরিবার দ্বিগুণ ফিরিয়ে দিলেন। এই ঘটনা সবরের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
📄 হযরত ঈসা (আঃ) ও দাম্ভিক দরবেশ
একবার হযরত ঈসা (আঃ) এক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর সাথে ছিল এক কুখ্যাত পাপিষ্ঠ ব্যক্তি, যে নিজের পাপের জন্য অনুতপ্ত ছিল। পথে এক পাহাড়ের চূড়ায় এক দরবেশ বা আবেদ ইবাদত করছিল। সে যখন ঈসা (আঃ)-কে দেখল, তখন সে নিচে নেমে এল এবং ভাবল, 'আজ আল্লাহর নবীর সাথে থাকার সুযোগ পাওয়া গেছে।' কিন্তু সে পাপিষ্ঠ লোকটিকে দেখে ঘৃণাভরে বলল, 'হে আল্লাহ! আমাকে হাশরের ময়দানে এই পাপিষ্ঠের সাথে রাখিও না।'
পাপিষ্ঠ লোকটি তখন নিজের পাপের কথা স্মরণ করে লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইছিল। তখন আল্লাহ তাআলা ঈসা (আঃ)-এর কাছে ওহী পাঠালেন, 'হে ঈসা! আমি ওদের দুজনের দোয়াই কবুল করেছি। পাপিষ্ঠ লোকটির বিনয় ও অনুশোচনার কারণে তাকে জান্নাতবাসী করলাম। আর দরবেশের অহংকারের কারণে তার সারা জীবনের আমল বরবাদ করে তাকে জাহান্নামী করলাম।' অহংকার ইবাদতকে ধ্বংস করে দেয়, আর অনুশোচনা পাপকে ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়।
একবার হযরত ঈসা (আঃ) এক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর সাথে ছিল এক কুখ্যাত পাপিষ্ঠ ব্যক্তি, যে নিজের পাপের জন্য অনুতপ্ত ছিল। পথে এক পাহাড়ের চূড়ায় এক দরবেশ বা আবেদ ইবাদত করছিল। সে যখন ঈসা (আঃ)-কে দেখল, তখন সে নিচে নেমে এল এবং ভাবল, 'আজ আল্লাহর নবীর সাথে থাকার সুযোগ পাওয়া গেছে।' কিন্তু সে পাপিষ্ঠ লোকটিকে দেখে ঘৃণাভরে বলল, 'হে আল্লাহ! আমাকে হাশরের ময়দানে এই পাপিষ্ঠের সাথে রাখিও না।'
পাপিষ্ঠ লোকটি তখন নিজের পাপের কথা স্মরণ করে লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইছিল। তখন আল্লাহ তাআলা ঈসা (আঃ)-এর কাছে ওহী পাঠালেন, 'হে ঈসা! আমি ওদের দুজনের দোয়াই কবুল করেছি। পাপিষ্ঠ লোকটির বিনয় ও অনুশোচনার কারণে তাকে জান্নাতবাসী করলাম। আর দরবেশের অহংকারের কারণে তার সারা জীবনের আমল বরবাদ করে তাকে জাহান্নামী করলাম।' অহংকার ইবাদতকে ধ্বংস করে দেয়, আর অনুশোচনা পাপকে ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়।
একবার হযরত ঈসা (আঃ) এক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর সাথে ছিল এক কুখ্যাত পাপিষ্ঠ ব্যক্তি, যে নিজের পাপের জন্য অনুতপ্ত ছিল। পথে এক পাহাড়ের চূড়ায় এক দরবেশ বা আবেদ ইবাদত করছিল। সে যখন ঈসা (আঃ)-কে দেখল, তখন সে নিচে নেমে এল এবং ভাবল, 'আজ আল্লাহর নবীর সাথে থাকার সুযোগ পাওয়া গেছে।' কিন্তু সে পাপিষ্ঠ লোকটিকে দেখে ঘৃণাভরে বলল, 'হে আল্লাহ! আমাকে হাশরের ময়দানে এই পাপিষ্ঠের সাথে রাখিও না।'
পাপিষ্ঠ লোকটি তখন নিজের পাপের কথা স্মরণ করে লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইছিল। তখন আল্লাহ তাআলা ঈসা (আঃ)-এর কাছে ওহী পাঠালেন, 'হে ঈসা! আমি ওদের দুজনের দোয়াই কবুল করেছি। পাপিষ্ঠ লোকটির বিনয় ও অনুশোচনার কারণে তাকে জান্নাতবাসী করলাম। আর দরবেশের অহংকারের কারণে তার সারা জীবনের আমল বরবাদ করে তাকে জাহান্নামী করলাম।' অহংকার ইবাদতকে ধ্বংস করে দেয়, আর অনুশোচনা পাপকে ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়।
📄 হযরত ঈসা (আঃ), তিন সহচর ও স্বর্ণের ইট
হযরত ঈসা (আঃ)-এর সাথে সফরকালে তাঁর তিন সহচর রাস্তায় তিনটি স্বর্ণের ইট দেখতে পেল। ঈসা (আঃ) তাদের বললেন, 'এগুলো হলো দুনিয়ার মোহ, যা ধ্বংসের কারণ।' তিনি তাদের রেখে সামনে এগিয়ে গেলেন। তিন সহচর সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর সফর করবে না, এই সোনা ভাগ করে বাড়ি ফিরে যাবে।
তাদের ক্ষুধা পেলে একজনকে খাবার কিনতে বাজারে পাঠানো হলো। যে খাবার কিনতে গেল, সে ভাবল, 'আমি খাবারে বিষ মিশিয়ে দেব, যাতে বাকি দুজন মারা যায় এবং আমি সব সোনা একা পাই।' অন্যদিকে, যারা পাহারায় ছিল, তারা পরামর্শ করল, 'সে ফিরে এলে আমরা তাকে হত্যা করব এবং সোনা দুই ভাগ করে নেব।'
খাবার নিয়ে আসার পর তারা তাকে হত্যা করল। এরপর বিষ মেশানো খাবার খেয়ে তারাও মারা গেল। ঈসা (আঃ) ফিরে এসে দেখলেন তিনটি লাশ পড়ে আছে এবং স্বর্ণের ইটগুলো যেমন ছিল তেমনই আছে। তিনি বললেন, 'এটাই দুনিয়ার হাকিকত। সে তার পূজারীদের এভাবেই ধ্বংস করে।'
হযরত ঈসা (আঃ)-এর সাথে সফরকালে তাঁর তিন সহচর রাস্তায় তিনটি স্বর্ণের ইট দেখতে পেল। ঈসা (আঃ) তাদের বললেন, 'এগুলো হলো দুনিয়ার মোহ, যা ধ্বংসের কারণ।' তিনি তাদের রেখে সামনে এগিয়ে গেলেন। তিন সহচর সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর সফর করবে না, এই সোনা ভাগ করে বাড়ি ফিরে যাবে।
তাদের ক্ষুধা পেলে একজনকে খাবার কিনতে বাজারে পাঠানো হলো। যে খাবার কিনতে গেল, সে ভাবল, 'আমি খাবারে বিষ মিশিয়ে দেব, যাতে বাকি দুজন মারা যায় এবং আমি সব সোনা একা পাই।' অন্যদিকে, যারা পাহারায় ছিল, তারা পরামর্শ করল, 'সে ফিরে এলে আমরা তাকে হত্যা করব এবং সোনা দুই ভাগ করে নেব।'
খাবার নিয়ে আসার পর তারা তাকে হত্যা করল। এরপর বিষ মেশানো খাবার খেয়ে তারাও মারা গেল। ঈসা (আঃ) ফিরে এসে দেখলেন তিনটি লাশ পড়ে আছে এবং স্বর্ণের ইটগুলো যেমন ছিল তেমনই আছে। তিনি বললেন, 'এটাই দুনিয়ার হাকিকত। সে তার পূজারীদের এভাবেই ধ্বংস করে।'
হযরত ঈসা (আঃ)-এর সাথে সফরকালে তাঁর তিন সহচর রাস্তায় তিনটি স্বর্ণের ইট দেখতে পেল। ঈসা (আঃ) তাদের বললেন, 'এগুলো হলো দুনিয়ার মোহ, যা ধ্বংসের কারণ।' তিনি তাদের রেখে সামনে এগিয়ে গেলেন। তিন সহচর সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর সফর করবে না, এই সোনা ভাগ করে বাড়ি ফিরে যাবে।
তাদের ক্ষুধা পেলে একজনকে খাবার কিনতে বাজারে পাঠানো হলো। যে খাবার কিনতে গেল, সে ভাবল, 'আমি খাবারে বিষ মিশিয়ে দেব, যাতে বাকি দুজন মারা যায় এবং আমি সব সোনা একা পাই।' অন্যদিকে, যারা পাহারায় ছিল, তারা পরামর্শ করল, 'সে ফিরে এলে আমরা তাকে হত্যা করব এবং সোনা দুই ভাগ করে নেব।'
খাবার নিয়ে আসার পর তারা তাকে হত্যা করল। এরপর বিষ মেশানো খাবার খেয়ে তারাও মারা গেল। ঈসা (আঃ) ফিরে এসে দেখলেন তিনটি লাশ পড়ে আছে এবং স্বর্ণের ইটগুলো যেমন ছিল তেমনই আছে। তিনি বললেন, 'এটাই দুনিয়ার হাকিকত। সে তার পূজারীদের এভাবেই ধ্বংস করে।'
📄 হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও বিবি সারার ঘটনা
হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আঃ) হিজরত করে মিসর বা জর্ডানের এক এলাকায় পৌঁছালেন, যেখানে এক লম্পট বাদশাহ রাজত্ব করত। সুন্দরী নারী দেখলেই সে তাকে ছিনিয়ে নিত। বাদশাহর লোকেরা সারা (আঃ)-কে ধরে নিয়ে গেল। ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর ওপর ভরসা করে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন।
বাদশাহ যখন কু-মতলবে সারার দিকে হাত বাড়াল, সাথে সাথে তার হাত অবশ হয়ে গেল এবং সে যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগল। সে বলল, 'আমার জন্য দোয়া করো, আমি আর এমন করব না।' সারা দোয়া করলেন, সে ভালো হলো। কিন্তু সে আবার হাত বাড়াল এবং আবার অবশ হলো। এভাবে তিনবার হওয়ার পর বাদশাহ ভয়ে কাঁপতে লাগল। সে বুঝতে পারল ইনি সাধারণ নারী নন। সে ক্ষমা চাইল এবং সম্মানের সাথে সারাকে মুক্তি দিল। উপঢৌকন হিসেবে সে নিজের কন্যা হাজেরাকে সারার খেদমতের জন্য দান করল।
হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আঃ) হিজরত করে মিসর বা জর্ডানের এক এলাকায় পৌঁছালেন, যেখানে এক লম্পট বাদশাহ রাজত্ব করত। সুন্দরী নারী দেখলেই সে তাকে ছিনিয়ে নিত। বাদশাহর লোকেরা সারা (আঃ)-কে ধরে নিয়ে গেল। ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর ওপর ভরসা করে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন।
বাদশাহ যখন কু-মতলবে সারার দিকে হাত বাড়াল, সাথে সাথে তার হাত অবশ হয়ে গেল এবং সে যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগল। সে বলল, 'আমার জন্য দোয়া করো, আমি আর এমন করব না।' সারা দোয়া করলেন, সে ভালো হলো। কিন্তু সে আবার হাত বাড়াল এবং আবার অবশ হলো। এভাবে তিনবার হওয়ার পর বাদশাহ ভয়ে কাঁপতে লাগল। সে বুঝতে পারল ইনি সাধারণ নারী নন। সে ক্ষমা চাইল এবং সম্মানের সাথে সারাকে মুক্তি দিল। উপঢৌকন হিসেবে সে নিজের কন্যা হাজেরাকে সারার খেদমতের জন্য দান করল।
হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আঃ) হিজরত করে মিসর বা জর্ডানের এক এলাকায় পৌঁছালেন, যেখানে এক লম্পট বাদশাহ রাজত্ব করত। সুন্দরী নারী দেখলেই সে তাকে ছিনিয়ে নিত। বাদশাহর লোকেরা সারা (আঃ)-কে ধরে নিয়ে গেল। ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর ওপর ভরসা করে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন।
বাদশাহ যখন কু-মতলবে সারার দিকে হাত বাড়াল, সাথে সাথে তার হাত অবশ হয়ে গেল এবং সে যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগল। সে বলল, 'আমার জন্য দোয়া করো, আমি আর এমন করব না।' সারা দোয়া করলেন, সে ভালো হলো। কিন্তু সে আবার হাত বাড়াল এবং আবার অবশ হলো। এভাবে তিনবার হওয়ার পর বাদশাহ ভয়ে কাঁপতে লাগল। সে বুঝতে পারল ইনি সাধারণ নারী নন। সে ক্ষমা চাইল এবং সম্মানের সাথে সারাকে মুক্তি দিল। উপঢৌকন হিসেবে সে নিজের কন্যা হাজেরাকে সারার খেদমতের জন্য দান করল।