📄 আল্লাহর পথে দানের মাহাত্ম্য
হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একবার এক ব্যক্তি ক্ষেতে কাজ করার সময় মেঘের ভেতরে আওয়াজ শুনতে পেলঃ "হে মেঘ! অমুকের ক্ষেতে পানি দাও।" এ কথার পর মেঘখানা এক দিকে চলতে শুরু করলো। ঐ লোকটিও মেঘের সাথে সাথে চলতে লাগলো।
বেশ কিছু পথ অতিক্রম করার পর সে দেখতে পেল, একটি বাগানের ওপর ঐ মেঘখানি গিয়ে থামলো এবং মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করলো। অথচ তার আশপাশের অন্যান্য ক্ষেতখামারে এক ফোঁটা বৃষ্টিও হলো না।
বৃষ্টির শেষে লোকটি ঐ বাগানে ঢুকলো। দেখলো, বাগানের ভেতরে এক প্রৌঢ় কৃষক বৃষ্টির পানি বিভিন্ন গাছের গোড়ায় পৌঁছিয়ে দিচ্ছে। সে জিজ্ঞাসা করলোঃ জনাব, আপনার নাম কি? কৃষক যখন তার নাম বললো, তখন সে দেখলো, মেঘের ভেতরে যে নামটি উচ্চারিত হয়েছিল, তার সাথে এ নামটি হু-ব-হু মিলে যাচ্ছে। অতঃপর কৃষক আগুন্তককে জিজ্ঞাসা করলো, "আপনি কি জন্য আমার নাম জানতে চাইছেন?" আগন্তুক বললোঃ "যে মেঘ থেকে এই মাত্র বৃষ্টি বর্ষিত হলো, সেখানে আপনার নাম ধরে বলা হচ্ছিল আপনার বাগানে বৃষ্টি বর্ষাতে। আমি জানতে চাই আপনি এমন কি মহৎ কাজ করেন, যার জন্য আপনার প্রতি আল্লাহর এমন অলৌকিক অনুগ্রহ।"
কৃষক বললোঃ "আমি ফসল ঘরে তোলার পর তাকে তিন ভাগ করি। এক ভাগ প্রথমেই আল্লাহর পথে দান করি। অপর এক ভাগ বীজ হিসাবে সংরক্ষণ করি। আর তৃতীয় ভাগ নিজে সপরিবারে ভোগ করি।” (মুসলিম শরীফ, তারগীব ও তারহীব)
শিক্ষাঃ
(১) এ ঘটনাটি থেকে জানা যায় যে, নিজের যাবতীয় প্রয়োজন পুরনের পর অবশিষ্ট অংশ আল্লাহর পথে ব্যয় করা নয় বরং উপার্জিত স্বম্পদের একটি অংশ প্রথমেই আল্লাহর পথে দান করা এবং তারপর বাদ বাকী অংশ দিয়ে নিজের প্রয়োজন পুরন করাই ইসলামী রীতি। কেননা এতে অনেক সময় আদৌ কোন অবশিষ্ট নাও থাকতে পারে। প্রথমে আল্লাহর পথে দাতব্য অংশটি নির্দ্ধারণ বা দান করার অর্থ দাঁড়ায় সমুদয় পার্থিব চাহিদা ও প্রয়োজনের ওপর আল্লাহর দ্বীনের ও তার দরিদ্র বান্দাদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেয়া। এতে আল্লাহ সর্বাধিক পরিমাণে খুশী হন এবং যে বান্দা এরূপ নীতি অবলম্বন করে তার জীবিকা বৃদ্ধি নিশ্চিত করেন।
(২) এ ঘটনাটি থেকে এ কথাও জানা গেল যে, সাধারণ কৃষক শ্রমিক ও মুটে মজুর শ্রেণীর লোককে অবজ্ঞা করা কোন অবস্থাতেই উচিত নয়। এ ধরনের নগন্য লোকেরা অতি সহজেই আল্লাহর নৈকট্য লাভ ও তাঁর ওলীর মর্যাদায় উপনীত হতে পারে। যদিও তাদের বেশভুষা ও চালচলনে তেমন কোন লক্ষণ সাধারণ মানুষের চোখে পড়ে না এবং তারা সমাজের মর্যাদাবান ও প্রভাবশালী লোকদের দৃষ্টিতে উপেক্ষিতই থাকে। নিজের উপার্জনে আল্লাহর বঞ্চিত দরিদ্র বান্দাদের অংশ রয়েছে- এ কথা যারা ভুলে যায় না বরং সেই অংশটি সবার আগে আলাদা করে ও দান করে, তারা যথার্থই আল্লাহর ওলী তথা প্রিয় বান্দা-চাই তারা যেখানে যে পরিচয়েই বাস করুক না কেন।
📄 নিজের ক্ষতি স্বীকার করে পরোপকার
রাসূল (সাঃ) বলেনঃ প্রাচীনকালে একবার দুই ব্যক্তি একসাথে সফরে বেরুলো। এদের একজন সব সময় আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত থাকতে পছন্দ করতো। অপরজন ছিল আল্লাহর হুকুম পালনে উদাসীন। পথিমধ্যে এক সময় প্রথমোক্ত ব্যক্তি পিপাসায় কাতর হয়ে পড়লো। ক্রমে সে বেহুশ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো। দ্বিতীয় ব্যক্তিটি মনে মনে বললো, "এই সৎ ও খোদাভীরু লোকটি যদি পিপাসায় মারা যায় এবং আমার কাছে পানি থাকা সত্ত্বেও যদি তাকে না খাওয়াই, তা হলে আল্লাহর আক্রোশ থেকে আমি কোন ক্রমেই রক্ষা পাবো না। পক্ষান্তরে তাকে পানি খাওয়ালে পরবর্তীতে আমি নিজে পিপাসায় মারা যাবো। এখন তা হলে কি করা?"
কয়েক মূহুর্ত ভেবেচিন্তে সে আল্লাহর ওপর ভরসা করে তাকে কয়েক ফোঁটা পানি খাইয়ে দিল এবং নিজের জন্যও কিছু সঞ্চিত রাখলো। এভাবে এক সময় তাদের একত্রে সফরের পালা শেষ হলো।
এই দুই ব্যক্তির মৃত্যুর পর প্রথম ব্যক্তিকে জান্নাত ও দ্বিতীয় ব্যক্তিকে জাহান্নামের অধিবাসী বলে ঘোষণা করা হলো। দ্বিতীয় ব্যক্তিকে যখন ফেরেশতারা জাহান্নামে নিয়ে যেতে আরম্ভ করলো, তখন সহসা প্রথম ব্যক্তির সাথে তার সাক্ষাত হলো। সে ঐ ব্যক্তিকে চিনতে পেরে বললোঃ "ওহে আল্লাহর প্রিয় বান্দা। তুমি কি আমাকে চিন?” সে বললোঃ "তুমি কে?” তখন সে বললোঃ "আমি অমুক। এক বিপদের দিনে আমরা মিলিত হয়েছিলাম এবং তোমাকে আমি অগ্রাধিকার দিয়ে পানি খাইয়ে প্রাণ রক্ষার চেষ্টা করেছিলাম।" তখন ঘটনাটা প্রথম ব্যক্তির মনে পড়লো এবং দোজখের ফেরেশতাকে থামতে বললো। অতঃপর সে আল্লাহর নিকট সুপারিশ করে তাকে সাথে নিয়ে বেহেশতে চলে গেলো। (তাবরানী, বায়হাকী)
শিক্ষাঃ
(১) হাদিসটির পয়লা শিক্ষা এই যে, কোন বিপন্ন বা মুমূর্ষ মানুষকে দেখলে তাকে সাহায্য করা ও তার প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করা কর্তব্য। বিশেষতঃ কোন ধার্মিক ও সৎ ব্যক্তি যদি বিপদগ্রস্থ হয় তবে নিজের কিছু কষ্ট হলেও তাকে সাহায্য করা উচিত।
(২) দ্বিতীয়তঃ কাউকে বিপদগ্রস্ত বা মৃত্যুর সম্মুখীন দেখলে নিজের যথাসর্বস্ব বিলিয়ে দিয়ে তাকে সাহায্য করা ঠিক নয়। নিজের জন্য যতটুকু একান্ত প্রয়োজন, তা রেখে অন্যকে দিতে হবে। শেষ কপর্দক বিলিয়ে দিয়ে নিজেকে অন্যের মুখাপেক্ষী বানানো উচিত নয়।
(৩) সফরসংগীকে সব সময় অগ্রাধিকার দিয়ে খিদমত করার চেষ্টা করা উচিত। বিশেষতঃ সফরসংগী যদি অপেক্ষাকৃত অভাবী সৎ ব্যক্তি হয়, তবে তার দিকে আরো বেশী খেয়াল রাখা কর্তব্য।
📄 ওয়াদামত ঋণ পরিশোধের গুরুত্ব
রাসুল (সাঃ) বলেনঃ একবার বনী ইসরাইলের এক ব্যক্তি একই গোত্রের জনৈক ধনাঢ্য ব্যক্তির নিকট এক হাজার দিনার ধার চাইলো। ধনাঢ্য লোকটি তাকে বললোঃ "ঠিক আছে। আমি ধার দিতে প্রস্তুত। তবে কয়েকজন সাক্ষী নিয়ে এসো। তাদেরকে সাক্ষী রেখে আমি তোমাকে ধার দেবো।” ধার প্রার্থী বললোঃ "সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট।”
ধনাঢ্য ব্যক্তি তখন বললোঃ "তাহলে এমন একজন লোক নিয়ে এসো, যে এই ঋণের জন্য জামিন থাকবে।" লোকটি এবারও বললোঃ "জামিন হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট।” তখন ধনাঢ্য লোকটি বললোঃ "তুমি সত্য কথাই বলেছ।" অতঃপর সে তাকে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য এক হাজার দিনার ধার দিলো।
লোকটি এই ঋণ নিয়ে সমুদ্র ভ্রমণে বেরিয়ে গেলো এবং নিজের প্রয়োজন পূরণ করলো। অতঃপর দেশে ফিরে আসার জন্য জাহাজের সন্ধান করতে লাগলো, যাতে নির্দ্ধারিত দিনে সে ঐ ঋণ পরিশোধ করতে পারে। কিন্তু বহু চেষ্টা করেও সে কোন জাহাজ ধরতে পারলো না। অগত্যা সে একখানা কাঠের টুকরো ছিদ্র করে তার ভেতরে এক হাজার দিনার ও ঋণ দাতার উদ্দেশ্যে লেখা একখানা চিঠি ঢুকিয়ে তা শিশা গালিয়ে বন্ধ করে সমুদ্রে ভাসিয়ে দিলো।
অতঃপর সে আল্লাহর নিকট কাকুতি মিনতি সহকারে দোয়া করলোঃ "হে আল্লাহ! তুমি তো জান, অমুকের নিকট থেকে আমি এক হাজার দিনার ধার নিয়েছিলাম। সে সাক্ষী চাইলে আমি বললাম, সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট। অতঃপর সে জামিন চাইলে আমি বললাম, জামিন হিসাবে আল্লাহ যথেষ্ট। সে সাক্ষী ও জামিন হিসাবে তোমাকে পেয়েই সন্তুষ্ট হয়েছিল। আমি যথাসময়ে তার ঋণ পরিশোধের জন্য সামুদ্রিক যান সন্ধানে সাধ্যমত চেষ্টা করেছি। কিন্তু সক্ষম হইনি। তাই এই এক হাজার দিনার আমি তোমার নিকট সোপর্দ করছি।” এই বলেই সে ঐ কাষ্ঠখন্ড সমুদ্রে নিক্ষেপ করলো। এরপরও সে জাহাজের সন্ধানে ব্যাপৃত রইলো।
ওদিকে ঋণদাতা নির্দ্ধারিত দিনে সমুদ্রতীরে এসে অপেক্ষা করতে লাগলো। ভাবলো, হয়তো তার খাতক কোন জাহাজে করে ফিরে আসবে এবং তাকে ঋণ পরিশোধ করবে। কিন্তু দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কোন জাহাজ কিনারে ভিড়তে দেখলো না। সে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে উদ্যত হলো। সহসা দেখলো, এক টুকরো কাঠ ভাসতে ভাসতে এসে কিনারে আসলো। লোকটি ঐ কাঠের টুকরোটি জ্বালানী হিসাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বাড়ীতে নিয়ে গেলো। বাড়ীতে নিয়ে যেই কাঠখানি চেরাই করলো, অমনি তার ভেতর থেকে চিঠি ও এক হাজার দিনার বেরিয়ে পড়লো।
কয়েকদিন পরই খাতক এসে হাজির। সে পৃথকভাবে তাকে এক হাজার দিনার দিলো। কারণ সে ভেবেছিল সমুদ্রে ভাসিয়ে দেয়া কাঠের টুকরো তার মহাজন পায়নি। এমনকি ব্যাপারটা তাকে জিজ্ঞাসা করতেও সে সংকোচ বোধ করলো। এক হাজার দিনার হাতে গুঁজে দিয়ে সে বিলম্বের জন্য ওজর পেশ করতে ও ক্ষমা চাইতে লাগলো। বললো, সময়মত সামুদ্রিক যান না পাওয়ার কারণেই তার এই বিলম্ব হয়েছে।
মহাজন বললোঃ "আচ্ছা, তুমি কি আমার কাছে কোন জিনিস পাঠিয়েছ?” সে বললোঃ "আমি আপনার নিকট ওজর পেশ করছি যে, সময়মত জাহাজ ধরতে না পেরে আমার বিলম্ব হয়েছে।"
মহাজন বললোঃ "তাহলে শোনো! তুমি কাঠের টুকরোতে করে যা পাঠিয়েছ, তা আল্লাহ আমার কাছে পৌছে দিয়েছেন। এই এক হাজার দিনার আমার প্রয়োজন নেই। এটা তুমি নিয়ে যাও।” (বুখারী, নাসায়ী)
শিক্ষাঃ
(১) ওয়াদামত ঋণ পরিশোধ করা কর্তব্য। হাদীসে আছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে লড়াই করে শহীদ হয়, তার সকল গুনাহ আল্লাহ মাফ করলেও ঋণ মাফ করেন না। কারণ ওটা বান্দার হক।
(২) যে কোন ব্যাপারে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করা সত্ত্বেও যথাসাধ্য চেষ্টা অব্যাহত রাখা কর্তব্য।
(৩) ঋণের আদান-প্রদান কালে সাক্ষী বা জামিন রাখা অথবা লিখিত দলিল স্বাক্ষর করা শরীয়তে দৃষ্টিতে বাদ্যতামূলক। তবে পূর্ববর্তী নবীদের শরীয়তে এ ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা ছিল না। কুরআনের সূরা বাকারায় এ ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে, যাতে কোন বিতর্কের সৃষ্টি না হয়।
(৪) কোন ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য বা জামিন হাজির করতে অক্ষম হয় এবং আল্লাহকে সাক্ষী ও জামিন রাখে, তবে তাকে বিশ্বাস করে ঋণ দিয়ে তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করা উত্তম। মনে রাখতে হবে, সুদ-বিহীন ঋণ প্রদান ক্ষেত্র বিশেষে দান করার চেয়েও বেশী সওয়াবের কাজ। কেননা এটা সাধারণতঃ বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে উদ্ধারে সহায়তা করে। দানশীল ব্যক্তি সাধারণতঃ নিজের ইচ্ছা অনুসারে উদ্ধৃত্ত সম্পদ থেকে দান করে থাকে। কিন্তু ঋণদাতা বিপন্ন ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য নিজের অত্যাবশ্যকীয় সম্পদ থেকেও ঋণ দিয়ে থাকে।
📄 অপাত্রে দান
হযরত রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ একবার এক ব্যক্তি শপথ করলো যে, আজ রাতে কিছু ছদকা না করে সে ঘুমাবে না। অতঃপর ছদকার অর্থ নিয়ে রাস্তায় বেরুলো। যে ব্যক্তিকে সে ছদকা দিল, সে ছিল একজন চোর। লোকটি তাকে চিনতো না। যখন ব্যাপারটা জানাজানি হলো, তখন লোকে তাকে উপহাস করলো যে, একটা চোরকে সে ছদকা দিয়েছে। কিন্তু সে কিছুমাত্র হতোদ্যম হলো না। বরং আল্লাহর শোকর আদায় করলো।
পরের দিন পুনরায় শপথ করলো যে, রাতে কিছু ছদকা না নিয়ে সে ঘুমাবে না। কিন্তু আজও তার অজান্তে ছদকা গিয়ে পড়লো এক ব্যাভিচারীর হাতে। এবারও তাকে বিদ্রুপ শুনতে হলো এবং সে যথারীতি আল্লাহর শোকর আদায় করলো।
তৃতীয় দিনেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো। আজ তার ছদকা জুটলো এক ধনী ব্যক্তির কপালে। আজও তাকে উপহাসে জর্জরিত করা হলো। কিন্তু সে আল্লাহর শোকর আদায় করলো।
এই লোকটি কিছু দিন পর মারা গেলে ফেরেশতারা তাকে জানালেন যে, তার সকল ছদকাই কবুল হয়েছে। চোরকে দেয়া ছদকা এই জন্য কবুল হয়েছে যে, এ ছদকা পাওয়ার পর তার চুরির অভ্যাস ত্যাগ করার আশা করা যায়। ব্যভিচারীরও শুধরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর ধনী ব্যক্তি ছদকা পেয়ে লজ্জিত হয়ে নিজে ছদকার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারে। (বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী)
শিক্ষা : দান ছদকা না জেনে অপাত্রে দিলেও তা বৃথা যায় না। তবে জেনে শুনে উপযুক্ত ও অভাবী ব্যক্তিকে দেওয়াই উত্তম। কোন অপরাধী যদি ছদকা পেলে শুধরে যাবে বলে আশা করা যায়, তবে তাকে ছদকা দেয়া যাবে।