📄 সুদখোরদের যুগ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيَأْتِيَنَّ عَلَى النَّاسِ زَمَانُ لَا يَبْقَى أَحَدُ إِلَّا أَكَلَ الرِّبَا فَإِنْ لَمْ يَأْكُلْهُ أَصَابَهُ مِنْ بُخَارِهِ قَالَ ابْنُ عِيسَى أَصَابَهُ مِنْ غُبَارِهِ び
‘হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিশ্চিই এমন এক যুগ আসবে যেখানে কেউ সুদ থেকে মুক্ত থাকবে না। যদি সে সুদ না-ও খায় তবুও সুদের ধূলা-বালি (অর্থাৎ প্রভাব) তার পর্যন্ত পৌঁছবে। (এ অবস্থায় সুদ খাওয়ার অপরাধ হবে না ঠিক; কিন্তু হালাল সম্পদের বরকত থেকে তো বঞ্চিত হবে!'
টিকাঃ
৩৫. আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত:২৪৫
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيَأْتِيَنَّ عَلَى النَّاسِ زَمَانُ لَا يَبْقَى أَحَدُ إِلَّا أَكَلَ الرِّبَا فَإِنْ لَمْ يَأْكُلْهُ أَصَابَهُ مِنْ بُخَارِهِ قَالَ ابْنُ عِيسَى أَصَابَهُ مِنْ غُبَارِهِ び
‘হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিশ্চিই এমন এক যুগ আসবে যেখানে কেউ সুদ থেকে মুক্ত থাকবে না। যদি সে সুদ না-ও খায় তবুও সুদের ধূলা-বালি (অর্থাৎ প্রভাব) তার পর্যন্ত পৌঁছবে। (এ অবস্থায় সুদ খাওয়ার অপরাধ হবে না ঠিক; কিন্তু হালাল সম্পদের বরকত থেকে তো বঞ্চিত হবে!'
টিকাঃ
৩৫. আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত:২৪৫
📄 জালেম শাসকের বিরুদ্ধে জিহাদের তিন স্তর
عن عمر بن الخطاب قال: قال رسول الله صلى الله عليه و سلم : « إنه تصيب أمتي في آخر الزمان من سلطانهم شدائد لا ينجو منه إلا رجل عرف دين الله جاهد عليه بلسانه ويده وقلبه فذلك الذي سبقت له السوابق ورجل عرف دين الله فصدق به ورجل عرف دين الله فسكت عليه فإن رأى من يعمل الخير أحبه عليه وإن رأى من يعمل بباطل أبغضه عليه فذلك ينجو على إبطانه كله.
'হযরত উমর রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, শেষ যুগে আমার উম্মতের ওপর শাসকদের পক্ষ থেকে (দীনী বিষয়ে) অনেক কঠোরতা আসবে। এ থেকে শুধু তিন শ্রেণির মানুষ পরিত্রাণ পাবে।
এক. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহ তাআলার দীনের সঠিক পরিচয় পেয়েছে অতঃপর নিজের যবান, অন্তর ও হাত দ্বারা জিহাদ করেছে। এমন ব্যক্তি সবার থেকে অগ্রগামী হবে।
দুই. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহর দীনের পরিচয় পেয়েছে তারপর যবান দ্বারা তার সত্যায়নও করেছে (অর্থাৎ সত্যতা ঘোষণা করেছে) ।
তৃতীয়. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহর দীনের পরিচয় পেয়েছে। তবে সে চুপ থেকেছে। কাউকে ভালো কাজ করতে দেখেলে তাকে মুহাব্বত করে। কাউকে অন্যায় করতে দেখলে তখন তার ব্যাপারে অন্তরে ক্ষোভ পোষণ করে। সুতরাং এই ব্যক্তি নিজের মুহাব্বত ও শত্রুতা গোপন রাখা সত্ত্বেও পরিত্রাণের উপযুক্ত বলে গণ্য হবে।'
টিকাঃ
৩৬. মিশকাত শরীফ:৪৩৮
عن عمر بن الخطاب قال: قال رسول الله صلى الله عليه و سلم : « إنه تصيب أمتي في آخر الزمان من سلطانهم شدائد لا ينجو منه إلا رجل عرف دين الله جاهد عليه بلسانه ويده وقلبه فذلك الذي سبقت له السوابق ورجل عرف دين الله فصدق به ورجل عرف دين الله فسكت عليه فإن رأى من يعمل الخير أحبه عليه وإن رأى من يعمل بباطل أبغضه عليه فذلك ينجو على إبطانه كله.
'হযরত উমর রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, শেষ যুগে আমার উম্মতের ওপর শাসকদের পক্ষ থেকে (দীনী বিষয়ে) অনেক কঠোরতা আসবে। এ থেকে শুধু তিন শ্রেণির মানুষ পরিত্রাণ পাবে।
এক. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহ তাআলার দীনের সঠিক পরিচয় পেয়েছে অতঃপর নিজের যবান, অন্তর ও হাত দ্বারা জিহাদ করেছে। এমন ব্যক্তি সবার থেকে অগ্রগামী হবে।
দুই. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহর দীনের পরিচয় পেয়েছে তারপর যবান দ্বারা তার সত্যায়নও করেছে (অর্থাৎ সত্যতা ঘোষণা করেছে) ।
তৃতীয়. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহর দীনের পরিচয় পেয়েছে। তবে সে চুপ থেকেছে। কাউকে ভালো কাজ করতে দেখেলে তাকে মুহাব্বত করে। কাউকে অন্যায় করতে দেখলে তখন তার ব্যাপারে অন্তরে ক্ষোভ পোষণ করে। সুতরাং এই ব্যক্তি নিজের মুহাব্বত ও শত্রুতা গোপন রাখা সত্ত্বেও পরিত্রাণের উপযুক্ত বলে গণ্য হবে।'
টিকাঃ
৩৬. মিশকাত শরীফ:৪৩৮
📄 দুআ কবুল না হওয়া
عن حذيفة رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال : « وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَتَأْمُرُنَّ بِالمَعْرُوفِ، وَلَتَنْهَوُنَّ عَنِ الْمُنْكَرِ، أَوْ لَيُوشِكَنَّ اللَّهُ تعالى أَن يَبْعَثَ عَلَيْكُمْ عِقاباً مِنْهُ، ثُمَّ تَدْعُونَهُ فَلَا يُسْتَجَابَ لَكُمْ.
'হযরত হুযাইফা রাযি. থেকে বর্ণিত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ওই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ! তোমরা অবশ্যই নেককাজ করবে এবং অসৎ কাজ থেকে বাধা প্রদান করবে। অন্যথায় সেই দিন বেশী দূরে নয় যে, তোমাদের ওপর আল্লাহ তাআলার শাস্তি চলে আসবে। তখন তোমরা সেই শাস্তি থেকে মুক্তির দোয়াও যদি করো তবুও কবুল করা হবে না।'
টিকাঃ
৩৭. জামে তিরমিযী:২/৩৯
عن حذيفة رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال : « وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَتَأْمُرُنَّ بِالمَعْرُوفِ، وَلَتَنْهَوُنَّ عَنِ الْمُنْكَرِ، أَوْ لَيُوشِكَنَّ اللَّهُ تعالى أَن يَبْعَثَ عَلَيْكُمْ عِقاباً مِنْهُ، ثُمَّ تَدْعُونَهُ فَلَا يُسْتَجَابَ لَكُمْ.
'হযরত হুযাইফা রাযি. থেকে বর্ণিত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ওই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ! তোমরা অবশ্যই নেককাজ করবে এবং অসৎ কাজ থেকে বাধা প্রদান করবে। অন্যথায় সেই দিন বেশী দূরে নয় যে, তোমাদের ওপর আল্লাহ তাআলার শাস্তি চলে আসবে। তখন তোমরা সেই শাস্তি থেকে মুক্তির দোয়াও যদি করো তবুও কবুল করা হবে না।'
টিকাঃ
৩৭. জামে তিরমিযী:২/৩৯
📄 আল্লাহর নিরাপত্তা ওঠে যাবে
عن الحسن رحمه الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لاتزال هذه الامة تحت يد الله وفي كفه ما لم تمال قرائها امرآئها ولم يزك صالحوها فجارها وما لم يمن خيارها شرارها فاذا فعلوا ذالك رفع الله عنهم يده ثم سلط عليهم جبابرتهم فسامو هم سوء العذاب وضربهم بالفاقة والفقر وملا قلوهم رعبا.
'হযরত হাসান বসরী রহ. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইরশাদ বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, এই উম্মত সর্বদা আল্লাহ তাআলার হেফাজতে থাকবে এবং তাঁর আশ্রয়েই জীবনযাপন করবে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই উম্মতের আলেম ও ক্বারীগণ শাসকদের সঙ্গে মিলে-মিশে একাকার না হয়ে যাবে। এবং উম্মতের নেককার লোকেরা বদাকারদের সাফাই না গাইবে। এবং যতক্ষণ পর্যন্ত উম্মতের ভালো মানুষগুলো (নিজের স্বার্থে) মন্দ লোকগুলোর তোষামোদ না করবে। হ্যাঁ! তারা যদি এমনটি করা শুরু করে তাহলে আল্লাহ তাআলা তাদের থেকে নিজহাত গুটিয়ে নেবেন এবং তাদের ওপর জালেম, অত্যাচারী ও অহংকারী লোক চাপিয়ে দেবেন। যাতে তারা এর শাস্তি ভোগ করতে পারে এবং তাদেরকে ক্ষুধা ও দারিদ্রতার মাঝে ঠেলে দেবেন। তাদের অন্তরে দুশমনদের ভয় ঢুকিয়ে দেবেন।'
টিকাঃ
৩৮. কিতাবুর রাকায়েক: ইবনুল মোবারক
عن الحسن رحمه الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لاتزال هذه الامة تحت يد الله وفي كفه ما لم تمال قرائها امرآئها ولم يزك صالحوها فجارها وما لم يمن خيارها شرارها فاذا فعلوا ذالك رفع الله عنهم يده ثم سلط عليهم جبابرتهم فسامو هم سوء العذاب وضربهم بالفاقة والفقر وملا قلوهم رعبا.
'হযরত হাসান বসরী রহ. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইরশাদ বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, এই উম্মত সর্বদা আল্লাহ তাআলার হেফাজতে থাকবে এবং তাঁর আশ্রয়েই জীবনযাপন করবে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই উম্মতের আলেম ও ক্বারীগণ শাসকদের সঙ্গে মিলে-মিশে একাকার না হয়ে যাবে। এবং উম্মতের নেককার লোকেরা বদাকারদের সাফাই না গাইবে। এবং যতক্ষণ পর্যন্ত উম্মতের ভালো মানুষগুলো (নিজের স্বার্থে) মন্দ লোকগুলোর তোষামোদ না করবে। হ্যাঁ! তারা যদি এমনটি করা শুরু করে তাহলে আল্লাহ তাআলা তাদের থেকে নিজহাত গুটিয়ে নেবেন এবং তাদের ওপর জালেম, অত্যাচারী ও অহংকারী লোক চাপিয়ে দেবেন। যাতে তারা এর শাস্তি ভোগ করতে পারে এবং তাদেরকে ক্ষুধা ও দারিদ্রতার মাঝে ঠেলে দেবেন। তাদের অন্তরে দুশমনদের ভয় ঢুকিয়ে দেবেন।'
টিকাঃ
৩৮. কিতাবুর রাকায়েক: ইবনুল মোবারক