📄 রাজতন্ত্র, অত্যাচার ও স্বৈরাচারিতার যুগ
عن أبو ثعلبة الخشني عن أبي عبيدة ، ومعاذ بن جبل – رضي الله عنهم - عن رسول الله - صلى الله عليه وسلم قال: إن الله بدأ هذا الأمر نبوة ورحمة، و كائنا خلافة و رحمة، و كائنا ملكا عضوضا، و كائنا عتوة و جبرية وفسادا في الامة، يستحلون الفروج والخمور والحرير، وينصرون على ذلك يرزقون ابدا حتى يلقوا الله
‘হযরত আবু সা’আলাবা খুশানি, আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ ও মুআয বিন জাবাল রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা এই দীনের সূচনা নবুয়ত ও রহমত দ্বারা করেছেন। তারপর (নবুয়তের যুগের পর) খেলাফত ও রহমতের যুগ। তারপর আসবে এমন রাজতন্ত্রের যুগ; যারা দাঁত দিয়ে রাজত্ব কাঁমড়ে ধরে রাখতে চায়। এরপর নিরেট ধৃষ্টতা, অত্যাচার ও স্বেচ্ছাচারিতার যুগ; তারা ব্যভিচার, মদপান ও রেশমের পোশাক পরিধানকে হালাল মনে করে। তা সত্ত্বেও তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে, রিযিকেরও ব্যবস্থা হবে-মৃত্যু পর্যন্ত।’
টিকাঃ
৩৩. তরজমানুস সুন্নাহ:৪/৭৫, মেশকাত: ৪৬০
📄 হালাল হারামের বাছবিচার ওঠে যাবে
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ لَا يُبَالِي الْمَرْءُ مَا أَخَذَ مِنْهُ أَمِنَ الْحَلَالِ أَمْ مِنْ الْحَرَامِ.
‘হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, এমন এক যুগ আসবে যেখানে মানুষ যা গ্রহণ করছে তা হালাল না হারাম তার বাছবিচার করবে না।'
টিকাঃ
৩৪. সহীহ বুখারী:১/২৭৬
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ لَا يُبَالِي الْمَرْءُ مَا أَخَذَ مِنْهُ أَمِنَ الْحَلَالِ أَمْ مِنْ الْحَرَامِ.
‘হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, এমন এক যুগ আসবে যেখানে মানুষ যা গ্রহণ করছে তা হালাল না হারাম তার বাছবিচার করবে না।'
টিকাঃ
৩৪. সহীহ বুখারী:১/২৭৬
📄 সুদখোরদের যুগ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيَأْتِيَنَّ عَلَى النَّاسِ زَمَانُ لَا يَبْقَى أَحَدُ إِلَّا أَكَلَ الرِّبَا فَإِنْ لَمْ يَأْكُلْهُ أَصَابَهُ مِنْ بُخَارِهِ قَالَ ابْنُ عِيسَى أَصَابَهُ مِنْ غُبَارِهِ び
‘হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিশ্চিই এমন এক যুগ আসবে যেখানে কেউ সুদ থেকে মুক্ত থাকবে না। যদি সে সুদ না-ও খায় তবুও সুদের ধূলা-বালি (অর্থাৎ প্রভাব) তার পর্যন্ত পৌঁছবে। (এ অবস্থায় সুদ খাওয়ার অপরাধ হবে না ঠিক; কিন্তু হালাল সম্পদের বরকত থেকে তো বঞ্চিত হবে!'
টিকাঃ
৩৫. আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত:২৪৫
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيَأْتِيَنَّ عَلَى النَّاسِ زَمَانُ لَا يَبْقَى أَحَدُ إِلَّا أَكَلَ الرِّبَا فَإِنْ لَمْ يَأْكُلْهُ أَصَابَهُ مِنْ بُخَارِهِ قَالَ ابْنُ عِيسَى أَصَابَهُ مِنْ غُبَارِهِ び
‘হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিশ্চিই এমন এক যুগ আসবে যেখানে কেউ সুদ থেকে মুক্ত থাকবে না। যদি সে সুদ না-ও খায় তবুও সুদের ধূলা-বালি (অর্থাৎ প্রভাব) তার পর্যন্ত পৌঁছবে। (এ অবস্থায় সুদ খাওয়ার অপরাধ হবে না ঠিক; কিন্তু হালাল সম্পদের বরকত থেকে তো বঞ্চিত হবে!'
টিকাঃ
৩৫. আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত:২৪৫
📄 জালেম শাসকের বিরুদ্ধে জিহাদের তিন স্তর
عن عمر بن الخطاب قال: قال رسول الله صلى الله عليه و سلم : « إنه تصيب أمتي في آخر الزمان من سلطانهم شدائد لا ينجو منه إلا رجل عرف دين الله جاهد عليه بلسانه ويده وقلبه فذلك الذي سبقت له السوابق ورجل عرف دين الله فصدق به ورجل عرف دين الله فسكت عليه فإن رأى من يعمل الخير أحبه عليه وإن رأى من يعمل بباطل أبغضه عليه فذلك ينجو على إبطانه كله.
'হযরত উমর রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, শেষ যুগে আমার উম্মতের ওপর শাসকদের পক্ষ থেকে (দীনী বিষয়ে) অনেক কঠোরতা আসবে। এ থেকে শুধু তিন শ্রেণির মানুষ পরিত্রাণ পাবে।
এক. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহ তাআলার দীনের সঠিক পরিচয় পেয়েছে অতঃপর নিজের যবান, অন্তর ও হাত দ্বারা জিহাদ করেছে। এমন ব্যক্তি সবার থেকে অগ্রগামী হবে।
দুই. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহর দীনের পরিচয় পেয়েছে তারপর যবান দ্বারা তার সত্যায়নও করেছে (অর্থাৎ সত্যতা ঘোষণা করেছে) ।
তৃতীয়. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহর দীনের পরিচয় পেয়েছে। তবে সে চুপ থেকেছে। কাউকে ভালো কাজ করতে দেখেলে তাকে মুহাব্বত করে। কাউকে অন্যায় করতে দেখলে তখন তার ব্যাপারে অন্তরে ক্ষোভ পোষণ করে। সুতরাং এই ব্যক্তি নিজের মুহাব্বত ও শত্রুতা গোপন রাখা সত্ত্বেও পরিত্রাণের উপযুক্ত বলে গণ্য হবে।'
টিকাঃ
৩৬. মিশকাত শরীফ:৪৩৮
عن عمر بن الخطاب قال: قال رسول الله صلى الله عليه و سلم : « إنه تصيب أمتي في آخر الزمان من سلطانهم شدائد لا ينجو منه إلا رجل عرف دين الله جاهد عليه بلسانه ويده وقلبه فذلك الذي سبقت له السوابق ورجل عرف دين الله فصدق به ورجل عرف دين الله فسكت عليه فإن رأى من يعمل الخير أحبه عليه وإن رأى من يعمل بباطل أبغضه عليه فذلك ينجو على إبطانه كله.
'হযরত উমর রাযি. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, শেষ যুগে আমার উম্মতের ওপর শাসকদের পক্ষ থেকে (দীনী বিষয়ে) অনেক কঠোরতা আসবে। এ থেকে শুধু তিন শ্রেণির মানুষ পরিত্রাণ পাবে।
এক. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহ তাআলার দীনের সঠিক পরিচয় পেয়েছে অতঃপর নিজের যবান, অন্তর ও হাত দ্বারা জিহাদ করেছে। এমন ব্যক্তি সবার থেকে অগ্রগামী হবে।
দুই. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহর দীনের পরিচয় পেয়েছে তারপর যবান দ্বারা তার সত্যায়নও করেছে (অর্থাৎ সত্যতা ঘোষণা করেছে) ।
তৃতীয়. এমন ব্যক্তি যে আল্লাহর দীনের পরিচয় পেয়েছে। তবে সে চুপ থেকেছে। কাউকে ভালো কাজ করতে দেখেলে তাকে মুহাব্বত করে। কাউকে অন্যায় করতে দেখলে তখন তার ব্যাপারে অন্তরে ক্ষোভ পোষণ করে। সুতরাং এই ব্যক্তি নিজের মুহাব্বত ও শত্রুতা গোপন রাখা সত্ত্বেও পরিত্রাণের উপযুক্ত বলে গণ্য হবে।'
টিকাঃ
৩৬. মিশকাত শরীফ:৪৩৮