📘 হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি > 📄 উপসংহার

📄 উপসংহার


এ প্রবন্ধের সমাপ্তিতে বলতে চাই- প্রিয় মুসলিম, নব্য জাহেলিয়াতের কবলে পড়ে, আদর্শিক বা তথ্য সন্ত্রাসে আক্রান্ত হয়ে আপনি যেন বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া খড়-কুটা না হন। নিজের দ্বীনকে আঁকড়ে ধরুন।
নিজেকে ইসলামী জ্ঞানে আলোকিত করে তুলুন। বাতিলের ষড়যন্ত্রের প্রতিরোধে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে ইসলামী জ্ঞান আহরণ করুন এবং সঠিকভাবে তা জাতির সামনে তুলে ধরুন। আর অজানা বিষয়ে চুপ থাকুন। কারণ না জেনে ইসলামী বিধি-বিধান নিয়ে কথা বলা জঘন্য অপরাধ। ইসলামী শরীয়াতে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা বলেন,
كَانَ أُولَئِكَ كُلُّ وَالْفُؤَادَ وَالْبَصَرَ عَ السَّمْ إِنَّ عِلْمٌ بِهِ لَكَ لَيْسَ مَا تَقْفُ وَلَا (36) مَسْئُولًا عَنْهُ
অর্থ: যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই সে বিষয়ে আলোকপাত করো না। নিশ্চয় কর্ণ, চক্ষু ও আত্মা প্রত্যেকটি এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। [সূরা ইসরা বা বনী ইসরাইল ১৭:৩৬] অন্য আয়াতে কারীমাতে আল্লাহ তাআলা বলেন,
بِغَيْرِ وَالْبَغْيَ وَالْإِثْمَ بَطَنَ وَمَا مِنْهَا ظَهَرَ مَا الْفَوَاحِشَ رَبِّيَ حَرَّمَ إِنَّمَا قُلْ مَا اللَّهِ عَلَى تَقُولُوا وَأَنْ سُلْطَانًا بِهِ يُنَزِّلْ لَمْ مَا بِاللَّهِ تُشْرِكُوا وَأَنَّ الْحَقِّ تَعْلَمُونَ لَا
অর্থ: "(হে মুহাম্মদ) আপনি বলুন, আমার প্রতিপালক প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অশ্লীলতা, পাপকাজ, অন্যায় ও অসংগত বিদ্রোহ করাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। এবং হারাম ঘোষণা করেছেন তাঁর সাথে অংশীদার স্থাপন করাকে; যার পক্ষে তিনি কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং তিনি হারাম ঘোষণা করেছেন- 'না জেনে তাঁর নামে মিথ্যা বলাকে।" [সূরা আরাফ ৭:৩৩]।
সুতরাং কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান ছাড়া ইসলাম নিয়ে কথা বলা মানে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নামে মিথ্যা বলা; যা কবীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- "আল্লাহ তাআলা বান্দাদেরকে ইলম দেয়ার পর সরাসরি ইলম উঠিয়ে নেবেন না, কিন্তু তিনি আলেমদেরকে তাদের ইলম সহ উঠিয়ে নেবেন; এরপর শুধু অজ্ঞ লোকেরা থাকবে, তাদের কাছে শরয়ী বিষয়ে সিদ্ধান্ত চাওয়া হবে, তারা তাদের মন খোদ মত সিদ্ধান্ত দিবে। এভাবে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৭৭, কুপ্রবৃত্তির তিরস্কার শীর্ষক অধ্যায়] আল্লাহ আমাদেরকে হেফাযত করুন। আমীন।

এ প্রবন্ধের সমাপ্তিতে বলতে চাই- প্রিয় মুসলিম, নব্য জাহেলিয়াতের কবলে পড়ে, আদর্শিক বা তথ্য সন্ত্রাসে আক্রান্ত হয়ে আপনি যেন বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া খড়-কুটা না হন। নিজের দ্বীনকে আঁকড়ে ধরুন।
নিজেকে ইসলামী জ্ঞানে আলোকিত করে তুলুন। বাতিলের ষড়যন্ত্রের প্রতিরোধে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে ইসলামী জ্ঞান আহরণ করুন এবং সঠিকভাবে তা জাতির সামনে তুলে ধরুন। আর অজানা বিষয়ে চুপ থাকুন। কারণ না জেনে ইসলামী বিধি-বিধান নিয়ে কথা বলা জঘন্য অপরাধ। ইসলামী শরীয়াতে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা বলেন,
كَانَ أُولَئِكَ كُلُّ وَالْفُؤَادَ وَالْبَصَرَ عَ السَّمْ إِنَّ عِلْمٌ بِهِ لَكَ لَيْسَ مَا تَقْفُ وَلَا (36) مَسْئُولًا عَنْهُ
অর্থ: যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই সে বিষয়ে আলোকপাত করো না। নিশ্চয় কর্ণ, চক্ষু ও আত্মা প্রত্যেকটি এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। [সূরা ইসরা বা বনী ইসরাইল ১৭:৩৬] অন্য আয়াতে কারীমাতে আল্লাহ তাআলা বলেন,
بِغَيْرِ وَالْبَغْيَ وَالْإِثْمَ بَطَنَ وَمَا مِنْهَا ظَهَرَ مَا الْفَوَاحِشَ رَبِّيَ حَرَّمَ إِنَّمَا قُلْ مَا اللَّهِ عَلَى تَقُولُوا وَأَنْ سُلْطَانًا بِهِ يُنَزِّلْ لَمْ مَا بِاللَّهِ تُشْرِكُوا وَأَنَّ الْحَقِّ تَعْلَمُونَ لَا
অর্থ: "(হে মুহাম্মদ) আপনি বলুন, আমার প্রতিপালক প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অশ্লীলতা, পাপকাজ, অন্যায় ও অসংগত বিদ্রোহ করাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। এবং হারাম ঘোষণা করেছেন তাঁর সাথে অংশীদার স্থাপন করাকে; যার পক্ষে তিনি কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং তিনি হারাম ঘোষণা করেছেন- 'না জেনে তাঁর নামে মিথ্যা বলাকে।" [সূরা আরাফ ৭:৩৩]।
সুতরাং কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান ছাড়া ইসলাম নিয়ে কথা বলা মানে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নামে মিথ্যা বলা; যা কবীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- "আল্লাহ তাআলা বান্দাদেরকে ইলম দেয়ার পর সরাসরি ইলম উঠিয়ে নেবেন না, কিন্তু তিনি আলেমদেরকে তাদের ইলম সহ উঠিয়ে নেবেন; এরপর শুধু অজ্ঞ লোকেরা থাকবে, তাদের কাছে শরয়ী বিষয়ে সিদ্ধান্ত চাওয়া হবে, তারা তাদের মন খোদ মত সিদ্ধান্ত দিবে। এভাবে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৭৭, কুপ্রবৃত্তির তিরস্কার শীর্ষক অধ্যায়] আল্লাহ আমাদেরকে হেফাযত করুন। আমীন।

এ প্রবন্ধের সমাপ্তিতে বলতে চাই- প্রিয় মুসলিম, নব্য জাহেলিয়াতের কবলে পড়ে, আদর্শিক বা তথ্য সন্ত্রাসে আক্রান্ত হয়ে আপনি যেন বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া খড়-কুটা না হন। নিজের দ্বীনকে আঁকড়ে ধরুন।
নিজেকে ইসলামী জ্ঞানে আলোকিত করে তুলুন। বাতিলের ষড়যন্ত্রের প্রতিরোধে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে ইসলামী জ্ঞান আহরণ করুন এবং সঠিকভাবে তা জাতির সামনে তুলে ধরুন। আর অজানা বিষয়ে চুপ থাকুন। কারণ না জেনে ইসলামী বিধি-বিধান নিয়ে কথা বলা জঘন্য অপরাধ। ইসলামী শরীয়াতে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা বলেন,
كَانَ أُولَئِكَ كُلُّ وَالْفُؤَادَ وَالْبَصَرَ عَ السَّمْ إِنَّ عِلْمٌ بِهِ لَكَ لَيْسَ مَا تَقْفُ وَلَا (36) مَسْئُولًا عَنْهُ
অর্থ: যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই সে বিষয়ে আলোকপাত করো না। নিশ্চয় কর্ণ, চক্ষু ও আত্মা প্রত্যেকটি এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। [সূরা ইসরা বা বনী ইসরাইল ১৭:৩৬] অন্য আয়াতে কারীমাতে আল্লাহ তাআলা বলেন,
بِغَيْرِ وَالْبَغْيَ وَالْإِثْمَ بَطَنَ وَمَا مِنْهَا ظَهَرَ مَا الْفَوَاحِشَ رَبِّيَ حَرَّمَ إِنَّمَا قُلْ مَا اللَّهِ عَلَى تَقُولُوا وَأَنْ سُلْطَانًا بِهِ يُنَزِّلْ لَمْ مَا بِاللَّهِ تُشْرِكُوا وَأَنَّ الْحَقِّ تَعْلَمُونَ لَا
অর্থ: "(হে মুহাম্মদ) আপনি বলুন, আমার প্রতিপালক প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অশ্লীলতা, পাপকাজ, অন্যায় ও অসংগত বিদ্রোহ করাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। এবং হারাম ঘোষণা করেছেন তাঁর সাথে অংশীদার স্থাপন করাকে; যার পক্ষে তিনি কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং তিনি হারাম ঘোষণা করেছেন- 'না জেনে তাঁর নামে মিথ্যা বলাকে।" [সূরা আরাফ ৭:৩৩]।
সুতরাং কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান ছাড়া ইসলাম নিয়ে কথা বলা মানে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নামে মিথ্যা বলা; যা কবীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- "আল্লাহ তাআলা বান্দাদেরকে ইলম দেয়ার পর সরাসরি ইলম উঠিয়ে নেবেন না, কিন্তু তিনি আলেমদেরকে তাদের ইলম সহ উঠিয়ে নেবেন; এরপর শুধু অজ্ঞ লোকেরা থাকবে, তাদের কাছে শরয়ী বিষয়ে সিদ্ধান্ত চাওয়া হবে, তারা তাদের মন খোদ মত সিদ্ধান্ত দিবে। এভাবে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৭৭, কুপ্রবৃত্তির তিরস্কার শীর্ষক অধ্যায়] আল্লাহ আমাদেরকে হেফাযত করুন। আমীন।

এ প্রবন্ধের সমাপ্তিতে বলতে চাই- প্রিয় মুসলিম, নব্য জাহেলিয়াতের কবলে পড়ে, আদর্শিক বা তথ্য সন্ত্রাসে আক্রান্ত হয়ে আপনি যেন বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া খড়-কুটা না হন। নিজের দ্বীনকে আঁকড়ে ধরুন।
নিজেকে ইসলামী জ্ঞানে আলোকিত করে তুলুন। বাতিলের ষড়যন্ত্রের প্রতিরোধে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে ইসলামী জ্ঞান আহরণ করুন এবং সঠিকভাবে তা জাতির সামনে তুলে ধরুন। আর অজানা বিষয়ে চুপ থাকুন। কারণ না জেনে ইসলামী বিধি-বিধান নিয়ে কথা বলা জঘন্য অপরাধ। ইসলামী শরীয়াতে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা বলেন,
كَانَ أُولَئِكَ كُلُّ وَالْفُؤَادَ وَالْبَصَرَ عَ السَّمْ إِنَّ عِلْمٌ بِهِ لَكَ لَيْسَ مَا تَقْفُ وَلَا (36) مَسْئُولًا عَنْهُ
অর্থ: যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই সে বিষয়ে আলোকপাত করো না। নিশ্চয় কর্ণ, চক্ষু ও আত্মা প্রত্যেকটি এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। [সূরা ইসরা বা বনী ইসরাইল ১৭:৩৬] অন্য আয়াতে কারীমাতে আল্লাহ তাআলা বলেন,
بِغَيْرِ وَالْبَغْيَ وَالْإِثْمَ بَطَنَ وَمَا مِنْهَا ظَهَرَ مَا الْفَوَاحِشَ رَبِّيَ حَرَّمَ إِنَّمَا قُلْ مَا اللَّهِ عَلَى تَقُولُوا وَأَنْ سُلْطَانًا بِهِ يُنَزِّلْ لَمْ مَا بِاللَّهِ تُشْرِكُوا وَأَنَّ الْحَقِّ تَعْلَمُونَ لَا
অর্থ: "(হে মুহাম্মদ) আপনি বলুন, আমার প্রতিপালক প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অশ্লীলতা, পাপকাজ, অন্যায় ও অসংগত বিদ্রোহ করাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। এবং হারাম ঘোষণা করেছেন তাঁর সাথে অংশীদার স্থাপন করাকে; যার পক্ষে তিনি কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং তিনি হারাম ঘোষণা করেছেন- 'না জেনে তাঁর নামে মিথ্যা বলাকে।" [সূরা আরাফ ৭:৩৩]।
সুতরাং কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান ছাড়া ইসলাম নিয়ে কথা বলা মানে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নামে মিথ্যা বলা; যা কবীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- "আল্লাহ তাআলা বান্দাদেরকে ইলম দেয়ার পর সরাসরি ইলম উঠিয়ে নেবেন না, কিন্তু তিনি আলেমদেরকে তাদের ইলম সহ উঠিয়ে নেবেন; এরপর শুধু অজ্ঞ লোকেরা থাকবে, তাদের কাছে শরয়ী বিষয়ে সিদ্ধান্ত চাওয়া হবে, তারা তাদের মন খোদ মত সিদ্ধান্ত দিবে। এভাবে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে। [বুখারী, হাদীস নং ৬৮৭৭, কুপ্রবৃত্তির তিরস্কার শীর্ষক অধ্যায়] আল্লাহ আমাদেরকে হেফাযত করুন। আমীন।

📘 হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি > 📄 পরিশিষ্ট – ১ – সহায়ক গ্রন্থসমূহের তালিকা

📄 পরিশিষ্ট – ১ – সহায়ক গ্রন্থসমূহের তালিকা


১। পবিত্র কুরআন মজীদ – তাওহীদ পাবলিকেশন্স।
২। হাদীস সংকলনের ইতিহাস – মাওলানা আব্দুর রহীম, খায়রুন প্রকাশনী।
৩। হাদীসের পরিচয় – জিলহজ্ব আলী, সুহৃদ প্রকাশন, বাংলা বাজার, ঢাকা।
৪। হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি – সানাউল্লাহ নজীর আহমেদ, ইসলাম হাউজ।
৫। সনদ সহীহ হলেই কি হাদীস সহীহ হয়ে যায় – আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক।
৬। সিহাহ্ সিত্তার হাদীসে কুদসী – আব্দুস শহীদ নাসিম, শতাব্দী প্রকাশনী।
৭। আল ইত্তেহাফাতুস্ সুন্নিয়া ফীল হাদীসিল কুদসিয়া – আল্লামা আব্দুর রউফ আল মানাভী
৮। শরহু ইলালিত তিরমিযী ৮৪ পৃঃ, জামে তিরমিযী মুখবন্ধ ১ম খণ্ড ৬০ পৃঃ, অনুবাদ- আবদুন নূর সালাফী
৯। শরহু ইলালিত তিরমিযী ৮৪ পৃঃ, জামে তিরমিযী মুখবন্ধ ১ম খণ্ড ৬০ পৃঃ, অনুবাদ- আবদুন নূর সালাফী
১০। হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি - শায়খ ওমর ইবন মুহাম্মদ বাইকুনি রাহিমাহুল্লাহ্ (মূল আরবী)।
১১। ডঃ খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর কুরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা।
১২। হাদীসের নামে জালিয়াতি ডঃ আব্দুল্লাহ খন্দকার জাহাঙ্গীর, আস্ সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া।
১৩। হাদীসের সনদ: মৌখিক বর্ননা বনাম পান্ডুলিপি নির্ভরতা ডঃ খন্দকার আ.ন.ম. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর কর্তৃক লিখিত প্রবন্ধটি ইন্সটিটিউট অব ইসলামিক এডুকেশন এন্ড রিসার্স জার্নাল ১ম খন্ড, ১ম সংখ্যা, জুন ২০০৬ ইং প্রকাশিত।
১৪। সহীহুল বুখারী- তাওহীদ পাবলিকেশন্স, বংশাল, ঢাকা।
১৫। সহীহ মুসলিম আহলে হাদীস লাইব্রেরী, বংশাল, ঢাকা।
১৬। হাফিয সাখাবী (রহঃ) "আল-কাওলিল বাদী ফী ফাযলীস সালাতে আলাল হাবীবিশ শাফী” (হিন্দি ছাপা)
১৭। মূল - শাইখ নাসির উদ্দীন আল-আলবানী (রহঃ) অনুবাদ - আবু শিফা মুহাম্মদ আকমাল হুসাইন
১৮। যঈফ ও জাল হাদীস বর্জনের মূলনীতি - মুযাফ্ফর বিন মুহসিন, আছ ছিরাত প্রকাশনী, রাজশাহী।
১৯। ডঃ মাহমুদ তাহহান - তাইসিরু মুসতালাহিল হাদীস (মূল আরবী)।
২০। "الإلماع إلى معرفة أصول الرواية وتقييد السماع" - কাযী ইয়ায ইব্‌ন মুসা ইয়াহসুবি (মৃ. ৫৪৪হি.)।
২১। "نخبة الفكر في مصطلح أهل الأثر" - ইব্‌ন হাজার রাহিমাহুল্লাহ
২২। "المحدث الفاصل بين الراوي والواعي" - লেখক - কাযী আবু মুহাম্মদ হাসান ইব্‌ন আব্দুর রহমান ইব্‌ন খাল্লাদ রামাহুরমুযি (মৃ. ৩৬০হি.)
২৩। হাদীসের প্রামাণিকতা - ডঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব, হাদীস ফাউন্ডেশান।
২৪। আরও অন্যান্য যে সকল আরবী গ্রন্থ, হাদীস ও বাংলা গ্রন্থের সহায়তা নিয়েছি তা ফুটনোটে উল্লেখ করেছি।

১। পবিত্র কুরআন মজীদ – তাওহীদ পাবলিকেশন্স।
২। হাদীস সংকলনের ইতিহাস – মাওলানা আব্দুর রহীম, খায়রুন প্রকাশনী।
৩। হাদীসের পরিচয় – জিলহজ্ব আলী, সুহৃদ প্রকাশন, বাংলা বাজার, ঢাকা।
৪। হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি – সানাউল্লাহ নজীর আহমেদ, ইসলাম হাউজ।
৫। সনদ সহীহ হলেই কি হাদীস সহীহ হয়ে যায় – আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক।
৬। সিহাহ্ সিত্তার হাদীসে কুদসী – আব্দুস শহীদ নাসিম, শতাব্দী প্রকাশনী।
৭। আল ইত্তেহাফাতুস্ সুন্নিয়া ফীল হাদীসিল কুদসিয়া – আল্লামা আব্দুর রউফ আল মানাভী
৮। শরহু ইলালিত তিরমিযী ৮৪ পৃঃ, জামে তিরমিযী মুখবন্ধ ১ম খণ্ড ৬০ পৃঃ, অনুবাদ- আবদুন নূর সালাফী
৯। শরহু ইলালিত তিরমিযী ৮৪ পৃঃ, জামে তিরমিযী মুখবন্ধ ১ম খণ্ড ৬০ পৃঃ, অনুবাদ- আবদুন নূর সালাফী
১০। হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি - শায়খ ওমর ইবন মুহাম্মদ বাইকুনি রাহিমাহুল্লাহ্ (মূল আরবী)।
১১। ডঃ খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর কুরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা।
১২। হাদীসের নামে জালিয়াতি ডঃ আব্দুল্লাহ খন্দকার জাহাঙ্গীর, আস্ সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া।
১৩। হাদীসের সনদ: মৌখিক বর্ননা বনাম পান্ডুলিপি নির্ভরতা ডঃ খন্দকার আ.ন.ম. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর কর্তৃক লিখিত প্রবন্ধটি ইন্সটিটিউট অব ইসলামিক এডুকেশন এন্ড রিসার্স জার্নাল ১ম খন্ড, ১ম সংখ্যা, জুন ২০০৬ ইং প্রকাশিত।
১৪। সহীহুল বুখারী- তাওহীদ পাবলিকেশন্স, বংশাল, ঢাকা।
১৫। সহীহ মুসলিম আহলে হাদীস লাইব্রেরী, বংশাল, ঢাকা।
১৬। হাফিয সাখাবী (রহঃ) "আল-কাওলিল বাদী ফী ফাযলীস সালাতে আলাল হাবীবিশ শাফী” (হিন্দি ছাপা)
১৭। মূল - শাইখ নাসির উদ্দীন আল-আলবানী (রহঃ) অনুবাদ - আবু শিফা মুহাম্মদ আকমাল হুসাইন
১৮। যঈফ ও জাল হাদীস বর্জনের মূলনীতি - মুযাফ্ফর বিন মুহসিন, আছ ছিরাত প্রকাশনী, রাজশাহী।
১৯। ডঃ মাহমুদ তাহহান - তাইসিরু মুসতালাহিল হাদীস (মূল আরবী)।
২০। "الإلماع إلى معرفة أصول الرواية وتقييد السماع" - কাযী ইয়ায ইব্‌ন মুসা ইয়াহসুবি (মৃ. ৫৪৪হি.)।
২১। "نخبة الفكر في مصطلح أهل الأثر" - ইব্‌ন হাজার রাহিমাহুল্লাহ
২২। "المحدث الفاصل بين الراوي والواعي" - লেখক - কাযী আবু মুহাম্মদ হাসান ইব্‌ন আব্দুর রহমান ইব্‌ন খাল্লাদ রামাহুরমুযি (মৃ. ৩৬০হি.)
২৩। হাদীসের প্রামাণিকতা - ডঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব, হাদীস ফাউন্ডেশান।
২৪। আরও অন্যান্য যে সকল আরবী গ্রন্থ, হাদীস ও বাংলা গ্রন্থের সহায়তা নিয়েছি তা ফুটনোটে উল্লেখ করেছি।

১। পবিত্র কুরআন মজীদ – তাওহীদ পাবলিকেশন্স।
২। হাদীস সংকলনের ইতিহাস – মাওলানা আব্দুর রহীম, খায়রুন প্রকাশনী।
৩। হাদীসের পরিচয় – জিলহজ্ব আলী, সুহৃদ প্রকাশন, বাংলা বাজার, ঢাকা।
৪। হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি – সানাউল্লাহ নজীর আহমেদ, ইসলাম হাউজ।
৫। সনদ সহীহ হলেই কি হাদীস সহীহ হয়ে যায় – আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক।
৬। সিহাহ্ সিত্তার হাদীসে কুদসী – আব্দুস শহীদ নাসিম, শতাব্দী প্রকাশনী।
৭। আল ইত্তেহাফাতুস্ সুন্নিয়া ফীল হাদীসিল কুদসিয়া – আল্লামা আব্দুর রউফ আল মানাভী
৮। শরহু ইলালিত তিরমিযী ৮৪ পৃঃ, জামে তিরমিযী মুখবন্ধ ১ম খণ্ড ৬০ পৃঃ, অনুবাদ- আবদুন নূর সালাফী
৯। শরহু ইলালিত তিরমিযী ৮৪ পৃঃ, জামে তিরমিযী মুখবন্ধ ১ম খণ্ড ৬০ পৃঃ, অনুবাদ- আবদুন নূর সালাফী
১০। হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি - শায়খ ওমর ইবন মুহাম্মদ বাইকুনি রাহিমাহুল্লাহ্ (মূল আরবী)।
১১। ডঃ খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর কুরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা।
১২। হাদীসের নামে জালিয়াতি ডঃ আব্দুল্লাহ খন্দকার জাহাঙ্গীর, আস্ সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া।
১৩। হাদীসের সনদ: মৌখিক বর্ননা বনাম পান্ডুলিপি নির্ভরতা ডঃ খন্দকার আ.ন.ম. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর কর্তৃক লিখিত প্রবন্ধটি ইন্সটিটিউট অব ইসলামিক এডুকেশন এন্ড রিসার্স জার্নাল ১ম খন্ড, ১ম সংখ্যা, জুন ২০০৬ ইং প্রকাশিত।
১৪। সহীহুল বুখারী- তাওহীদ পাবলিকেশন্স, বংশাল, ঢাকা।
১৫। সহীহ মুসলিম আহলে হাদীস লাইব্রেরী, বংশাল, ঢাকা।
১৬। হাফিয সাখাবী (রহঃ) "আল-কাওলিল বাদী ফী ফাযলীস সালাতে আলাল হাবীবিশ শাফী” (হিন্দি ছাপা)
১৭। মূল - শাইখ নাসির উদ্দীন আল-আলবানী (রহঃ) অনুবাদ - আবু শিফা মুহাম্মদ আকমাল হুসাইন
১৮। যঈফ ও জাল হাদীস বর্জনের মূলনীতি - মুযাফ্ফর বিন মুহসিন, আছ ছিরাত প্রকাশনী, রাজশাহী।
১৯। ডঃ মাহমুদ তাহহান - তাইসিরু মুসতালাহিল হাদীস (মূল আরবী)।
২০। "الإلماع إلى معرفة أصول الرواية وتقييد السماع" - কাযী ইয়ায ইব্‌ন মুসা ইয়াহসুবি (মৃ. ৫৪৪হি.)।
২১। "نخبة الفكر في مصطلح أهل الأثر" - ইব্‌ন হাজার রাহিমাহুল্লাহ
২২। "المحدث الفاصل بين الراوي والواعي" - লেখক - কাযী আবু মুহাম্মদ হাসান ইব্‌ন আব্দুর রহমান ইব্‌ন খাল্লাদ রামাহুরমুযি (মৃ. ৩৬০হি.)
২৩। হাদীসের প্রামাণিকতা - ডঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব, হাদীস ফাউন্ডেশান।
২৪। আরও অন্যান্য যে সকল আরবী গ্রন্থ, হাদীস ও বাংলা গ্রন্থের সহায়তা নিয়েছি তা ফুটনোটে উল্লেখ করেছি।

১। পবিত্র কুরআন মজীদ – তাওহীদ পাবলিকেশন্স।
২। হাদীস সংকলনের ইতিহাস – মাওলানা আব্দুর রহীম, খায়রুন প্রকাশনী।
৩। হাদীসের পরিচয় – জিলহজ্ব আলী, সুহৃদ প্রকাশন, বাংলা বাজার, ঢাকা।
৪। হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি – সানাউল্লাহ নজীর আহমেদ, ইসলাম হাউজ।
৫। সনদ সহীহ হলেই কি হাদীস সহীহ হয়ে যায় – আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক।
৬। সিহাহ্ সিত্তার হাদীসে কুদসী – আব্দুস শহীদ নাসিম, শতাব্দী প্রকাশনী।
৭। আল ইত্তেহাফাতুস্ সুন্নিয়া ফীল হাদীসিল কুদসিয়া – আল্লামা আব্দুর রউফ আল মানাভী
৮। শরহু ইলালিত তিরমিযী ৮৪ পৃঃ, জামে তিরমিযী মুখবন্ধ ১ম খণ্ড ৬০ পৃঃ, অনুবাদ- আবদুন নূর সালাফী
৯। শরহু ইলালিত তিরমিযী ৮৪ পৃঃ, জামে তিরমিযী মুখবন্ধ ১ম খণ্ড ৬০ পৃঃ, অনুবাদ- আবদুন নূর সালাফী
১০। হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি - শায়খ ওমর ইবন মুহাম্মদ বাইকুনি রাহিমাহুল্লাহ্ (মূল আরবী)।
১১। ডঃ খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর কুরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা।
১২। হাদীসের নামে জালিয়াতি ডঃ আব্দুল্লাহ খন্দকার জাহাঙ্গীর, আস্ সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া।
১৩। হাদীসের সনদ: মৌখিক বর্ননা বনাম পান্ডুলিপি নির্ভরতা ডঃ খন্দকার আ.ন.ম. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর কর্তৃক লিখিত প্রবন্ধটি ইন্সটিটিউট অব ইসলামিক এডুকেশন এন্ড রিসার্স জার্নাল ১ম খন্ড, ১ম সংখ্যা, জুন ২০০৬ ইং প্রকাশিত।
১৪। সহীহুল বুখারী- তাওহীদ পাবলিকেশন্স, বংশাল, ঢাকা।
১৫। সহীহ মুসলিম আহলে হাদীস লাইব্রেরী, বংশাল, ঢাকা।
১৬। হাফিয সাখাবী (রহঃ) "আল-কাওলিল বাদী ফী ফাযলীস সালাতে আলাল হাবীবিশ শাফী” (হিন্দি ছাপা)
১৭। মূল - শাইখ নাসির উদ্দীন আল-আলবানী (রহঃ) অনুবাদ - আবু শিফা মুহাম্মদ আকমাল হুসাইন
১৮। যঈফ ও জাল হাদীস বর্জনের মূলনীতি - মুযাফ্ফর বিন মুহসিন, আছ ছিরাত প্রকাশনী, রাজশাহী।
১৯। ডঃ মাহমুদ তাহহান - তাইসিরু মুসতালাহিল হাদীস (মূল আরবী)।
২০। "الإلماع إلى معرفة أصول الرواية وتقييد السماع" - কাযী ইয়ায ইব্‌ন মুসা ইয়াহসুবি (মৃ. ৫৪৪হি.)।
২১। "نخبة الفكر في مصطلح أهل الأثر" - ইব্‌ন হাজার রাহিমাহুল্লাহ
২২। "المحدث الفاصل بين الراوي والواعي" - লেখক - কাযী আবু মুহাম্মদ হাসান ইব্‌ন আব্দুর রহমান ইব্‌ন খাল্লাদ রামাহুরমুযি (মৃ. ৩৬০হি.)
২৩। হাদীসের প্রামাণিকতা - ডঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব, হাদীস ফাউন্ডেশান।
২৪। আরও অন্যান্য যে সকল আরবী গ্রন্থ, হাদীস ও বাংলা গ্রন্থের সহায়তা নিয়েছি তা ফুটনোটে উল্লেখ করেছি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00