📘 হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি > 📄 মা’রুফ ও মুনকার

📄 মা’রুফ ও মুনকার


منْکَرُ কর্মবাচক বিশেষ্য, অর্থ প্রত্যাখ্যাত, অস্বীকৃত ও অপরিচিত।
'মুনকার' এর পারিভাষিক সংজ্ঞাঃ "মুনকার সে ফারদ হাদীস, যা শুধু একজন রাবি বর্ণনা করেছে, যার একা আদালত গ্রহণযোগ্য নয়"। উদাহরণত ইবন মাজাহ বর্ণনা করেনঃ
قال ابن ماجة القزويني رحمه الله- حَدَّثَنَا أَبُو بِشَرِ بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسِ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " كُلُوا
الْبَلَحَ بِالتَّمْرِ، كُلُوا الْخَلَقَ بِالْجَدِيدِ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَغْضَبٍ، وَيَقُولُ: بَقِيَ ابْنُ آدَمَ حَتَّى أَكَلَ الْخَلَقَ بِالْجَدِيدِ
এ সনদে ইয়াহইয়া ইব্‌ন মুহাম্মদ ইব্‌ন কায়েস আল-মাদানি দুর্বল, যার একলা বর্ণনা গ্রহণযোগ্য নয়¹⁷⁴। অতএব মুনকার। হাফেয ইব্‌ন হাজার রাহিমাহুল্লাহ্ বলেনঃ “দুর্বল রাবী যদি সেকাহ রাবীর বিরোধিতা করে, তাহলে সেকাহ রাবীর হাদীসকে মারূফ ও দুর্বল রাবির হাদীসকে মুনকার বলা হয়..."। অতএব হাফেয মুনকারের জন্য দু'টি শর্তারোপ করেনঃ
১. রাবীর দুর্বল হওয়া এবং
২. অধিক সেকাহ রাবির বিরোধিতা করা। এ দু'শর্ত যুক্ত হাদীস মুনকার।
সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনায় বলা যায় যে, কোন যঈফ রাবীর হাদীস অপর কোন যঈফ রাবীর হাদীস এর বিরোধী হলে অপেক্ষাকৃত কম যঈফ রাবীর হাদীসকে হাদীসে মা'রূফ এবং অপর রাবীর হাদীসটিকে হাদীসে মুনকার বলে এবং এরূপ হওয়াকে নাকারাৎ বলে। নাকারাৎ হাদীস এর পক্ষে একটা বড় দোষ।

টিকাঃ
¹⁷⁴ ইব্‌ন মাজাহ: (৩৩৩০), সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ: (৬৬৮৭)

📘 হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি > 📄 মুদাল্লাল

📄 মুদাল্লাল


علة এর আভিধানিক অর্থ রোগ, عَلْ يَعِلُ থেকে مُعلّل অর্থ অসুস্থ ব্যক্তি। এ থেকে দোষণীয় ইল্লতযুক্ত হাদীসকে মু'আল্লাল বলা হয়, কারণ মু'আল্লাল হাদীসও অসুস্থ ব্যক্তির ন্যায় অক্ষম, সহি হাদীসের ন্যায় দলিল হতে পারে না।
সুতরাং, যে হাদীসের সনদে এমন কোন সূক্ষ্ম ত্রুটি রয়েছে যাকে কোন বড় হাদীস বিশেষজ্ঞ ব্যতীত ধরতে পারেন না, সে হাদীসকে হাদীসে মুয়াল্লাল বলে। আর এরূপ ত্রুটিকে ইল্লত বলে।
ইল্লত হাদীসের পক্ষে একটা মারাত্মক দোষ। মুয়াল্লাল হাদীস সহীহ্ হতে পারে না।

📘 হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি > 📄 মুতাবি ও শাহিদ

📄 মুতাবি ও শাহিদ


এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস শরীফ পাওয়া যায় তাহলে এই দ্বিতীয় রাবীর হাদীসটিকে প্রথম রাবীর হাদীস শরীফটির মুতাবি বলে, যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী (অর্থাৎ সাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু) একই ব্যক্তি হন। আর এরূপ হওয়াকে মুতাবায়াত বলে। যদি মূল রাবী একই ব্যক্তি না হন, তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে প্রথম ব্যক্তির হাদীস - এর শাহিদ বলে। আর এরূপ হওয়াকে শাহাদত বলে। মুতাবায়াত ও শাহাদত দ্বারা প্রথম হাদীস শরীফটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

📘 হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি > 📄 রাবীদের যোগ্যতা অনুসারে হাদীসের শ্রেণীবিভাগ

📄 রাবীদের যোগ্যতা অনুসারে হাদীসের শ্রেণীবিভাগ


রাবীদের যোগ্যতা অনুসারে হাদীসের প্রকারভেদ নিম্নরূপঃ-
১. সহীহ (صحیح) ২. হাসান (حسن) ৩.জয়ীফ হাদীস এবং মওজু (موضوع) বা জাল হাদীস।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00