📄 সংশয়-৫ : মুজতাহিদ ইমামগণ হাদীছকে গুরুত্ব প্রদান করেন নি
ইমাম আবু হানীফা হাদীছকে গুরুত্ব দিতেন না। ইমাম মালিকও হাদীছের পরিবর্তে নিজ শহরে প্রচলিত আমলকে গুরুত্ব দিতেন।
হাদীছ গ্রহণের ব্যাপারে ইমাম আবু হানীফা (১৫০হি.)-এর শর্তাবলী কঠোর ছিল এবং ইমাম মালিক (১৭৯হি.) মদীনাবাসীর আমলকে অধিকতর গুরুত্ব প্রদান করতেন। যদি তারা হাদীছকে ইসলামী শরী'আতের উৎসই মনে করতেন, তবে তারা এই নীতি কেন গ্রহণ করেছিলেন? প্রাচ্যবিদ এবং হাদীছ অস্বীকারকারীগণ এই সূত্র ধরে হাদীছ ইসলামী শরী'আতের উৎস নয় প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন।
পর্যালোচনা: ক. ইমাম আবু হানীফা বা ইমাম মালিকসহ কোন ইমামই হাদীছ পরিত্যাগের জন্য কিংবা তার প্রতি গুরুত্বহীনতার জন্য এ সকল শর্তারোপ করেননি; বরং তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল রাসূল (ছা.)-এর সুন্নাহ সম্পর্কে অধিকতর নিশ্চিত হওয়া। ড. রিফ'আত ফাওযী বলেন, 'দ্বিতীয় হিজরী শতাব্দীতে বিদ্বানদের কাউকে কিছু হাদীছ পরিত্যাগ করতে দেখা যায়, যেমন কোন হাদীছ ছাহাবীদের মধ্যে প্রসিদ্ধ না হ'লে বা তাঁরা দলীল হিসাবে গ্রহণ না করলে, কিংবা কোন কোন শহরে তার ওপর আমল না করা হ'লে বিশেষত মদীনায় আমল না করা হ'লে। এক্ষেত্রে তারা হাদীছের পরিবর্তে ছাহাবীদের বক্তব্য কিংবা মদীনাবাসীর আমলকে গ্রহণ করতেন। তাদের এই নীতি গ্রহণের পিছনে দু'টি কারণ প্রণিধানযোগ্য: (১) তাঁরা ছাহাবীদের বক্তব্য এবং মদীনাবাসীর আমল এই জন্য প্রাধান্য দিতেন না যে, তা সুন্নাহর মত মর্যাদাবান ও গুরুত্বপূর্ণ। বরং তারা হাদীছটির বিশুদ্ধতার ব্যাপারে সন্দেহে পতিত হয়েছিলেন এবং তাদের কাছে মনে হয়েছিল যে, হাদীছটি রাসূল (ছা.)-এর নয়। হয়ত হাদীছের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন বিচ্ছিন্নতা আছে। (২) তাঁরা মূলত রাসূল (ছা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের জন্যই এই নীতি অবলম্বন করেছিলেন। কেননা তারা যখন মদীনাবাসীর আমল বা কোন ছাহাবীর বক্তব্যকে গ্রহণ করেন, তখন তা এই বিশ্বাস থেকে গ্রহণ করেন যে আমলটি নিশ্চয়ই রাসূল (ছা.)-এর সূত্রে তাদের নিকট পৌঁছেছে কিংবা ছাহাবী নিশ্চয়ই রাসূল (ছা.)- এর সুন্নাহ থেকেই আমলটি গ্রহণ করেছিলেন।
খ. যদি হাদীছকে গুরুত্বহীনই মনে করবেন, তবে কেন ইমাম মালিক (১৭৯হি.) তাঁর বিখ্যাত হাদীছগ্রন্থ 'মুওয়াত্ত্বা মালিক' সংকলন করলেন? অনুরূপভাবে ইমাম আবু হানীফা (১৫০হি.) নিজে কোন হাদীছগ্রন্থ সংকলন না করলেও তাঁর বর্ণিত হাদীছ পরবর্তীকালে সংকলিত হয়েছে। সুতরাং তাঁরা হাদীছকে ইসলামী শরী'আতের অপরিহার্য দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন। নতুবা তাঁরা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা'আতের অনুসরণীয় ইমাম হওয়ারই যোগ্য হ'তেন না।
গ. হাদীছ সম্পর্কে বিস্তর অবগতি থাকা সত্ত্বেও ইমাম আবূ হানীফা (১৫০হি.) হ'তে বর্ণিত হাদীছ সংখ্যা কম হওয়ার কারণ ছিল তিনি হাদীছ থেকে ফিকহী মাসআলা নির্ণয়ে অধিক ব্যস্ত থাকতেন। একই কারণে ইমাম মালিক (১৭৯হি.) এবং ইমাম শাফেঈ (২০৪হি.)-ও তাঁদের অবগতির তুলনায় অনেক কম হাদীছ বর্ণনা করেছেন। যেমনভাবে আবু বকর এবং উমার (রা.)-এর বর্ণিত হাদীছ সংখ্যা কম, অথচ তাঁদের সমসাময়িক অন্যদের বর্ণনা অনেক বেশী।
ঘ. একথা অনস্বীকার্য যে, ইমাম আবু হানীফা (১৫০হি.) হাদীছের ব্যাপারে কম মনোযোগী ছিলেন মর্মে বিদ্বানদের মধ্যে প্রাথমিক যুগ থেকেই একটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে। যেমন খত্বীব আল-বাগদাদী (৪৬৩হি.) তাঁর 'তারীখু বাগদাদ'-এ এমন অনেক বর্ণনা এনেছেন যা থেকে প্রমাণিত হয় যে, তিনি হাদীছের ব্যাপারে গুরুত্বহীনতা প্রকাশ করেছেন, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে হাদীছের প্রতি অবহেলা প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, ইমাম আবু হানীফা (১৫০হি.) চার শতেরও বেশী হাদীছ পরিত্যাগ করেছেন। তিনি ওয়াক্বী' ইবনুল জারাহ (১৯৭হি.) হ'তে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি দেখেছি আবু হানীফা ২০০টি হাদীছ পরিত্যাগ করেছেন। অনুরূপভাবে ইবনু আবী শায়বাহ (২৩৫হি.) তাঁর 'আল-মুছান্নাফ' গ্রন্থে هذا ما خالف به أبو حنيفة الأثر الذي جاء عن الرد على أبي حنيفة অধ্যায়ে ১২৫টি মাসআলা উল্লেখ করেছেন যেখানে তিনি হাদীছ বিরোধী ফৎওয়া প্রদান করেছেন। এছাড়া ইমাম আবূ হানীফার সংগৃহীত হাদীছও অতি অল্পসংখ্যক দাবী করেছেন অনেক বিদ্বান। যেমন ইবনু হিব্বান (৩৫৪হি.) বলেন, তিনি মাত্র ১৩০টি হাদীছ বর্ণনা করেছিলেন। ইবনু খালদুন (৮০৮খ্রি.) বলেন, আবু حنيفة رضي الله تعالى عنه يقال بلغت روايته إلى سبعة عشر حديثا أو نحوها সম্পর্কে বলা হয় যে, তাঁর বর্ণিত হাদীছ সংখ্যা ১৭টি বা অনুরূপ।
এ সকল প্রশ্নের উত্তরে আমরা বলব, প্রথমত, ইমাম আবু হানীফা (১৫০হি.) আহলুর রায় বা রায়পন্থী হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ফিকহী মাসআলা নির্ণয়ে অধিক মশগুল থাকা এবং কিয়াস বা রায় অবলম্বনের কারণে সমকালীন মুহাদ্দিছদের বিরাগভাজন হয়েছিলেন। ফলে একদল মানুষ তাঁর গুণগ্রাহী যেমন ছিল, তেমনি তাঁর প্রতি বিরাগভাজন মানুষের সংখ্যাও কম ছিল না। খতীব আল-বাগদাদী (৪৬৩হি.) তাঁর প্রতি বিরাগভাজনদের এ সকল মতামত কেবল একজন ঐতিহাসিক হিসাবে স্বীয় গ্রন্থে একত্রিত করেছেন। তিনি ইমাম আবু হানীফার মর্যাদাহানী করতে চেয়েছেন, তা নয়।
দ্বিতীয়ত, এ সকল মন্তব্যের অধিকাংশেরই সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায় না এবং সুস্থ বিবেকের কাছে বিশ্বাসযোগ্যও মনে হয় না। আর সত্যতা নিশ্চিত হ'লেও তা প্রমাণের ভার মতামত প্রকাশকারীদের উপরই বর্তাবে। কেননা আমাদের দৃষ্টিতে এ সকল মন্তব্য যথার্থ নয়। এর কারণ হ'ল ইমাম আবু হানীফা (১৫০হি.) থেকে অসংখ্য এমন মত প্রকাশিত হয়েছে, যা হাদীছের প্রতি তাঁর অবিচল আস্থা প্রকাশ করে। খত্ত্বীব আল-বাগদাদী (৪৬৩হি.) স্বয়ং এমন অনেক মত উদ্ধৃত করেছেন যা হাদীছের পক্ষে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করে।
যেমন তিনি ইবনুছ ছাবাহ হ'তে বর্ণনা করেন, وكان إذا وردت عليه مسأل
فيها حديث صحيح اتبعه، وإن كان عن الصحابة والتابعين، وإلا قاس وأحسن القياس 'যখনই তাঁর সম্মুখে কোন মাসআলায় ছহীহ হাদীছ পেশ করা হ'ত তিনি তার অনুসরণ করতেন এমনকি যদি তা কোন ছাহাবী বা তাবেঈ'র বক্তব্য হয়। নতুবা তিনি কিয়াস করতেন এবং যথার্থভাবেই করতেন।"
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, সুফিয়ান আছ-ছাওরী (১৬১হি.)-কে ফিকহী বিষয়ে তাঁর নীতি সম্পর্কে ইমাম আবু হানীফা (১৫০হি.) বলেন, آخذ بكتاب الله فما لم أجد فبسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم، فإن لم أجد في كتاب الله ولا سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم، أخذت بقول أصحابه
ফিক্হী বিষয়ে প্রথমত কিতাবুল্লাহ থেকে হুকুম গ্রহণ করি। যদি আল্লাহর কিতাবে না পাওয়া যায় তবে রাসূল (ছা.)-এর সুন্নাহ থেকে হুকুম গ্রহণ করি। আর যদি আল্লাহর কিতাবেও না পাওয়া যায় এবং রাসূল (ছা.)-এর সুন্নাহেও না পাওয়া যায়, তবে আমি ছাহাবীদের বক্তব্য থেকে দলীল গ্রহণ করি...।'
এছাড়া তাঁর সুপ্রসিদ্ধ ও সর্বজনবিদিত মত হ'ল- إذا صح الحديث فهو مذهبي 'যখন কোন হাদীছ ছহীহ প্রমাণিত হবে, তখন সেটিই আমার মাযহাব।' সুতরাং হাদীছ ও সুন্নাহর প্রতি এমন বলিষ্ঠ নীতি গ্রহণকারী একজন ব্যক্তি হাদীছের প্রতি তাচ্ছিল্য করবেন এবং গুরুত্বহীনতা প্রকাশ করবেন, তা অবিশ্বাস্য। অতএব সংক্ষিপ্ত পরিসরে তাঁর সম্পর্কে সবচেয়ে ন্যায়ানুগ কথা হবে তিনি কখনও ছহীহ হাদীছ পাওয়ার পর ইচ্ছাকৃতভাবে তা পরিত্যাগ করেননি। ইবনু তায়মিয়া (৭২৮হি.) বলেন, ومن ظن بأبي حنيفة أو غيره من أئمة المسلمين أنهم يتعمدون مخالفة الحديث الصحيح لقياس أو غيره فقد أخطأ
عليهم وتكلم إما بظن وإما هوى 'যে ব্যক্তি আবু হানীফা অথবা ইসলামের অন্যান্য ইমামদের সম্পর্কে ধারণা করে যে, তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে ছহীহ হাদীছের বিরোধিতা করেছেন, কিয়াস বা অন্য কোন কারণে, সে নিঃসন্দেহে তাদের ব্যাপারে ভুল ধারণা করেছে এবং তাদের সম্পর্কে কুধারণা কিংবা স্বেচ্ছাচারিতামূলক মন্তব্য করেছে।
তৃতীয়ত, ওয়াক্বী' ইবনুল জারাহ (১৯৭হি.), ইবনু আবী শায়বাহ (২৩৫হি.) প্রমুখের মতে তিনি যে সকল মাসআলায় হাদীছের বিরোধিতা করেছেন, তা তাঁর ইচ্ছাকৃত ছিল না। বরং হয়ত সে বিষয়ক হাদীছগুলি তাঁর শর্ত মোতাবেক ছহীহ প্রমাণিত হয়নি কিংবা হাদীছটি তাঁর নিকট পৌঁছেনি কিংবা হাদীছটি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক মনে হওয়ায় গ্রহণ করেননি। খবর ওয়াহিদের গ্রহণে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক শর্তসমূহ গ্রহণও এর পিছনে একটি বড় কারণ ছিল। বিশেষত বাগদাদে হাদীছ জালকরণের ফিৎনা ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল। ইরাক পরিণত হয়েছিল হাদীছ জালকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে। এমনকি ইরাককে বলা হ'ত دار ضرب الحديث 'হাদীছ ভাঙ্গার কেন্দ্র'। ফলে স্বভাবতই এই পরিস্থিতি তাঁকে হাদীছ গ্রহণের ক্ষেত্রে অতীব সতর্ক দৃষ্টি রাখতে এবং হাদীছ গ্রহণে কঠিন শর্তারোপ করতে বাধ্য করেছিল, যেন দ্বীনের মধ্যে বাতিল বক্তব্য ও আমলের অনুপ্রবেশ না ঘটে। আর সম্ভবত এজন্যই তিনি হাদীছ সংগ্রহের কাজে অন্যদের মত তেমন একটা সফরে বের হননি। সর্বোপরি হাদীছ সম্পর্কে তাঁর গৃহীত নীতিতে কিছু ভুল থাকতেই পারে। ইয়াযীদ ইবনু হারূন বলেন, أبو حنيفة رجل من الناس، خطوه كخطاً الناس وصوابه كصواب الناس 'ইমাম আবূ হানীফা (১৫০হি.) একজন মানুষ। মানুষ হিসাবে তিনি ভুলও করেছেন এবং ঠিকও করেছেন।' কিন্তু এ কারণে তাঁকে হাদীছ বিরোধী কিংবা হাদীছের প্রতি কম গুরুত্ব প্রদর্শনকারী হিসাবে সাব্যস্ত করা যায় না।
চতুর্থত, পূর্ববর্তী বিদ্বানগণ যেমন ইবনু হিব্বান (৩৫৪হি.), ইবনু খালদূন (৮০৮খ্রি.) প্রমুখ বিদ্বানের মতানুযায়ী তিনি অতি স্বল্পসংখ্যক হাদীছ অবগত ছিলেন, তা বিস্ময়কর। বাগদাদকে জাল হাদীছ রচনার সূতিকাগার যখন বলা হয়েছে, তখন নিশ্চিতভাবে সেখানে হাদীছ বর্ণনার ব্যাপক প্রচলন ছিল। সুতরাং ইমাম আবূ হানীফার মত একজন বিখ্যাত অনুসরণীয় ইমাম এবং ফকীহের হাদীছ সম্পর্কে অবগতি না থাকা বাস্তবতার বিপরীত প্রতীয়মান - হয়। বিশেষত তাঁর নিজস্ব কোন রচনা না থাকলেও তাঁর বর্ণিত হাদীছসমূহ তাঁর ছাত্রগণ সংকলন করেছেন, যা আবুল মুআইয়িদ মুহাম্মাদ ইবনু মাহমূদ আল-খাওয়ারিযিমী (৬৬৫হি.) একত্রে সংকলন করেছেন جامع مسانيد الإمام الأعظم শিরোনামে। এটি ১৫টি মুসনাদের সংকলন এবং প্রায় পাঁচ শত হাদীছ সংকলিত হয়েছে। এছাড়া ইমাম আবূ হানীফার ছাত্র ও শিষ্যদের হাদীছ গ্রন্থ সংকলন থেকেও প্রতীয়মান হয় যে কুফায় হাদীছের যথেষ্ট প্রচলন ছিল। বিশেষ করে ইবনু মাসঊদ (রা.), আলী (রা.), আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা.) প্রমুখ ছাহাবী যে শহরে অবস্থান করেছিলেন, বিশিষ্ট তাবেঈ মাসরূক ইবনু আজদা', আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ, আলক্বামাহ প্রমুখ তাবেঈ যে শহরের বাসিন্দা ছিলেন, সেই শহরে হাদীছের এমন দৈন্যদশা মোটেও বিশ্বাসযোগ্য নয়। তবে হিজাযের মত হাদীছ বর্ণনার ব্যাপক প্রচলন ছিল না বলে সম্ভবত কৃষ্ণায় তুলনামূলক হাদীছের প্রসার কম হয়েছিল।
টিকাঃ
২৬০. ড. রিফ'আত ফাওযী, তাওছীকুস সুন্নাহ ফীল কারনিছ ছানী আল-হিজরী, পৃ. ১৪-১৫।
২৬১. আবূ ইউসূফ, মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান, আবু নাঈম আল-আস্ফাহানী সহ বেশ কয়েকজন বিদ্বান ইমাম আবূ হানীফা বর্ণিত হাদীছ সমূহের সংকলন করেন 'আল-মুসনাদ' নামে। আবুল মুআইয়িদ মুহাম্মাদ ইবনু মাহমূদ আল-খাওয়ারিযিমী (৬৬৫হি.) এমন মোট ১৫টি মুসনাদ একত্রে জমা করে সংকলন করেন ا جامع المسانيد
২৬২. আবূ যাহ্, আল-হাদীছু ওয়াল মুহাদ্দিছুন, পৃ. ২৮৪-২৮৫।
২৬৩. ড. মুহাম্মাদ বালতাজী, মানাহিজুত তাশরী' আল-ইসলামী ফিল কারনিছ ছানী আল- হিজরী (কায়রো: দারুস সালাম, ২০০৭খ্রি.), ১ম খণ্ড, পৃ. ২২১-২২৩।
২৬৪. খত্ত্বীব আল-বাগদাদী, তারীখু বাগদাদ, ১৩শ খণ্ড, পৃ. ৩৮৫-৩৯৪।
২৬৫. তদেব, পৃ. ৩৯০।
২৬৬. ইবনু আবী শায়বাহ, আল-মুছান্নাফ, ৭ম খণ্ড, পৃ. ২৭৭-৩২৫।
২৬৭. ইবনু হিব্বان, আল-মাজরহীন (আলেপ্পো : দারুল ওয়াঈ', ১৩৯৬হি.), ৩য় খণ্ড, পৃ. ৬৩।
২৬৮. ইবনু খালদুন, তারীখু ইবনু খালদুন (বৈরূত : দারুল ফিকর, ২য় প্রকাশ : ১৯৮৮খ্রি.), ১্ম খণ্ড, পৃ. ৫৬১।
২৬৯. ইবনু হাজার আল-হায়ছামী আল-মাক্কী, আল-খাইরাতুল হিসান ফী মানাক্কিবিল ইমাম আল-আ'যام, (মিসর : মাতবা'আতুস সা'আদাহ, ১৩২৪হি.), পৃ. ৭৯।
২৭০. খত্বীব আল-বাগদাদী, তারীখু বাগদাদ, ১৩শ খণ্ড, পৃ. ৩৪০।
২৭১. তদেব, ১৩শ খণ্ড, পৃ. ৩৬৫।
২৭২. ইবনু তায়মিয়া, মাজমুউল ফাতাওয়া, ২০শ খণ্ড, পৃ. ৩০৪।
২৭৩. ইবনু তায়মিয়া, রফ'উল মালাম আন আইম্মাতিল আ'লাম, পৃ. ৯-৩৪; আস-সিবাঈ, আস-সুন্নাতু ওয়া মাকানাতুহা, পৃ. ৪২০-৪২১; ড. মুহাম্মাদ কাসিম আব্দুহু আল-হারিছী, মাকানাতুল ইমাম আবী হানীফা বায়নাল মুহাদ্দিছীন (মক্কা: মাতাবিউছ ছাফা, ১৪১৩হি.), পৃ. ৩১৮।
২৭৪. আবূ যাহু, আল-হাদীছু ওয়াল মুহাদ্দিছুন, পৃ. ২৪০; আস-সিবাঈ, আস-সুন্নাতু ওয়া মাকানাতুহা, পৃ. ৪০৪।
২৭৫. খতীব আল-বাগদাদী, তারীখু বাগদাদ, ১৩শ খণ্ড, পৃ. ৩৬৬।
২৭৬. ইণ্ডিয়ার হায়দারাবাদ, দাক্ষিণাত্য থেকে ২ খণ্ডে প্রকাশিত। প্রকাশকাল: ১৩৩২ হিজরী।
২৭৭. আবূ যাহ্, আল-হাদীছু ওয়াল মুহাদ্দিছুন, পৃ. ২৮৪-২৮৫; আস-সিবাঈ, আস-সুন্নাতু ওয়া মাকানাতুহা, পৃ. ৪১৪-৪১৫; মুবাশির হোসাইন, আহাদীছে আহকাম আওর ফুকাহায়ে ইরাক (ইসলামাবাদ: ইদারায়ে তাহকীকাতে ইসলামী, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি ইসলামাবাদ, ২০১৫খ্রি.), পৃ. ২৭৯-২৮০।