📄 উপসংহার
আল কুরআন সকল কিছুর সুস্পষ্ট বর্ণনা। এই কুরআন সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করছে যে, কুরআনের বাইরেও মহান আল্লাহ ওহি নাযিল করেছেন— কুরআনের ব্যাখ্যা এবং কুরআনের অতিরিক্ত বিধিবিধান সংবলিত ওহি। যা কুরআনের সমপরিমাণ বা তারও অধিক। কুরআনের অতিরিক্ত এই ওহি আমাদের নিকট হাদীস বা সুন্নাহ নামে সংকলিত। এই উভয় প্রকার ওহি কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের জন্য মান্য করা মহান আল্লাহ আবশ্যক করে দিয়েছেন। সুতরাং তিনি কিয়ামত পর্যন্ত তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবেন এটা বিশ্বাস করা আমাদের ঈমানের অংশ। কেউ যদি ওহির কোনো অংশ কোনো ধরনের যুক্তির অবতারণা করে অস্বীকার করে তবে মহান আল্লাহর প্রতি তার ঈমান যথার্থ নয়। এবং সে ওহি অস্বীকারকারী বলে গণ্য।
সমগ্র মুসলিম উম্মাহ এ বিষয়ে একমত। তবে নিজেকে মুসলিম বলে দাবিকারী কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বিভিন্নভাবে হাদীস অস্বীকার করে থাকে। কেউ একবাক্যে সকল হাদীস অস্বীকার করে, কেউ কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক দাবি করে কিছু হাদীস অস্বীকার করে আর কেউ এর সাথে সাথে কুরআনের অতিরিক্ত বিষয় সংবলিত হাদীসগুলো অস্বীকার করে।
হাদীস অস্বীকারের এ ফিতনা অনেক প্রাচীন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও এ বিভ্রান্ত গোষ্ঠীর উত্থানের ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন। আমাদের আসলাফ-আকাবির তাদের বিভ্রান্তি খণ্ডনে বিস্তারিত লিখেছেন। তবে বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নতির কারণে অন্য অনেক কিছুর মতো এ ফিতনাও দেশ-দুনিয়ার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মাহফিল মঞ্চে জনপ্রিয় বক্তার কণ্ঠে, চায়ের দোকানে সাধারণের আলাপে, এমনকি খেতখামারে কৃষক-মজুরের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে এসব সংশয়ের কথা।
এ ফিতনা মূলত ইসলামের শিকড়মূলে কুঠারাঘাত। হাদীস অস্বীকারের মাধ্যমে কীভাবে ইসলামের সৌধসমগ্রকে ধসিয়ে দেওয়া যায় আপনারা তা এ পুস্তকের এতক্ষণের আলোচনায় নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। এ জন্য আমরা অনেকটা বাধ্য হয়েই কলম ধরেছি এবং সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এ বিষয়ক পূর্ণ পাঠ উপস্থাপন করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা কেবল সাধারণ পাঠকের জন্য প্রাথমিক খসড়া প্রস্তুত করেছি। তারা যেন এতটুকু বুঝতে পারেন যে, হাদীস অস্বীকারকারী সম্প্রদায় কর্তৃক হাদীসের উপর আরোপিত সংশয়গুলো ভিত্তিহীন, অবাস্তব ও অযৌক্তিক। কিন্তু তারা যদি এ বিষয়টি বিস্তারিত ও পরিপূর্ণরূপে জানতে চান তবে এ শাস্ত্রের প্রয়োজনীয় কিতাবাদি শাস্ত্রজ্ঞ আলিমের নিকট অধ্যয়ন করে নেবেন।
কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহর, যিনি এ অধমকে প্রচেষ্টার সমাপ্তি টানার তাওফীক দিয়েছেন। তাঁর কাছে বিনীত প্রার্থনা করছি, তিনি যেন ভুলভ্রান্তি ক্ষমা করে একে কবুল করে নেন এবং লেখক, পাঠক, প্রকাশকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নাজাতের ওসিলা করেন। সালাত ও সালাম আমাদের প্রিয়তম নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিজন, সহচর এবং কিয়ামত পর্যন্ত সকল অনুসারীর উপর। শুরুতে ও শেষে সকল সময়ে সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীনের নিমিত্তে।
আল কুরআন সকল কিছুর সুস্পষ্ট বর্ণনা। এই কুরআন সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করছে যে, কুরআনের বাইরেও মহান আল্লাহ ওহি নাযিল করেছেন— কুরআনের ব্যাখ্যা এবং কুরআনের অতিরিক্ত বিধিবিধান সংবলিত ওহি। যা কুরআনের সমপরিমাণ বা তারও অধিক। কুরআনের অতিরিক্ত এই ওহি আমাদের নিকট হাদীস বা সুন্নাহ নামে সংকলিত। এই উভয় প্রকার ওহি কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের জন্য মান্য করা মহান আল্লাহ আবশ্যক করে দিয়েছেন। সুতরাং তিনি কিয়ামত পর্যন্ত তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবেন এটা বিশ্বাস করা আমাদের ঈমানের অংশ। কেউ যদি ওহির কোনো অংশ কোনো ধরনের যুক্তির অবতারণা করে অস্বীকার করে তবে মহান আল্লাহর প্রতি তার ঈমান যথার্থ নয়। এবং সে ওহি অস্বীকারকারী বলে গণ্য।
সমগ্র মুসলিম উম্মাহ এ বিষয়ে একমত। তবে নিজেকে মুসলিম বলে দাবিকারী কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বিভিন্নভাবে হাদীস অস্বীকার করে থাকে। কেউ একবাক্যে সকল হাদীস অস্বীকার করে, কেউ কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক দাবি করে কিছু হাদীস অস্বীকার করে আর কেউ এর সাথে সাথে কুরআনের অতিরিক্ত বিষয় সংবলিত হাদীসগুলো অস্বীকার করে।
হাদীস অস্বীকারের এ ফিতনা অনেক প্রাচীন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও এ বিভ্রান্ত গোষ্ঠীর উত্থানের ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন। আমাদের আসলাফ-আকাবির তাদের বিভ্রান্তি খণ্ডনে বিস্তারিত লিখেছেন। তবে বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নতির কারণে অন্য অনেক কিছুর মতো এ ফিতনাও দেশ-দুনিয়ার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মাহফিল মঞ্চে জনপ্রিয় বক্তার কণ্ঠে, চায়ের দোকানে সাধারণের আলাপে, এমনকি খেতখামারে কৃষক-মজুরের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে এসব সংশয়ের কথা।
এ ফিতনা মূলত ইসলামের শিকড়মূলে কুঠারাঘাত। হাদীস অস্বীকারের মাধ্যমে কীভাবে ইসলামের সৌধসমগ্রকে ধসিয়ে দেওয়া যায় আপনারা তা এ পুস্তকের এতক্ষণের আলোচনায় নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। এ জন্য আমরা অনেকটা বাধ্য হয়েই কলম ধরেছি এবং সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এ বিষয়ক পূর্ণ পাঠ উপস্থাপন করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা কেবল সাধারণ পাঠকের জন্য প্রাথমিক খসড়া প্রস্তুত করেছি। তারা যেন এতটুকু বুঝতে পারেন যে, হাদীস অস্বীকারকারী সম্প্রদায় কর্তৃক হাদীসের উপর আরোপিত সংশয়গুলো ভিত্তিহীন, অবাস্তব ও অযৌক্তিক। কিন্তু তারা যদি এ বিষয়টি বিস্তারিত ও পরিপূর্ণরূপে জানতে চান তবে এ শাস্ত্রের প্রয়োজনীয় কিতাবাদি শাস্ত্রজ্ঞ আলিমের নিকট অধ্যয়ন করে নেবেন।
কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহর, যিনি এ অধমকে প্রচেষ্টার সমাপ্তি টানার তাওফীক দিয়েছেন। তাঁর কাছে বিনীত প্রার্থনা করছি, তিনি যেন ভুলভ্রান্তি ক্ষমা করে একে কবুল করে নেন এবং লেখক, পাঠক, প্রকাশকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নাজাতের ওসিলা করেন। সালাত ও সালাম আমাদের প্রিয়তম নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিজন, সহচর এবং কিয়ামত পর্যন্ত সকল অনুসারীর উপর। শুরুতে ও শেষে সকল সময়ে সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীনের নিমিত্তে।