📄 সুনানু আবী দাউদ
সুনান অর্থাৎ ধারাবাহিক ফিকহী আহকামের কিতাব হচ্ছে সুনanu আবী দাউদ। পাঁচ লাখ হাদীস থেকে বাছাই করে তিনি এই সংকলন তৈরি করেন। এর মধ্যে সহীহ, হাসান, লাইয়েন ও আমল উপযোগী হাদীসগুলো তিনি সংকলিত করেছেন। তিনি শর্ত করেছিলেন যে, যেসব হাদীস পরিত্যাগ করার ব্যাপারে সকল ইমাম একমত তিনি সেগুলো লিপিবদ্ধ করবেন না। কিন্তু যেগুলো পরিত্যাগের ব্যাপারে তাঁরা একমত নন এবং আয়িম্মায়ে মুজতাহিদীনের মধ্যে কেউ তা আমলকারী হলে তিনি সেগুলো লিপিবদ্ধ করবেন। সুতরাং রাফয়ে ইয়াদাইন, আদমে রাফয়ে ইয়াদাইন, আমীন বিল জিহর ও আমীন বিস্ সির, কিরায়াত খালফাল ইমাম ও আদমে কিরায়াত খালাফাল ইমাম-সব ধরনের হাদীস এর মধ্যে রয়েছে। ইমাম আবূ দাউদের দৃষ্টিতে যে হাদীস মালুল (আপত্তিকর) তিনি তার কারণ বর্ণনা করেছেন। হাদীসের দ্বারা কোন মাস'আলা উদ্ভাবিত হলে তা অধ্যায়ের শিরোনামে উল্লেখ করেছেন। প্রকৃতপক্ষে এ গ্রন্থটি আহকাম সংগ্রহ ও ফিকাহর সংকলনের অনন্য দাবিদার। আবূ দাউদ যেসব হাদীস সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন সেই হাদীসগুলো মুহাদ্দিসগণের নিকট গৃহীত। শৃংখলা বিধান ও সৌন্দর্য রক্ষার্থে হাদীস যাতে দীর্ঘ না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে প্রয়োজনে তিনি সংক্ষিপ্ত আকারে হাদীস একত্রিত করেছেন। সংকলনের পর তিনি গ্রন্থটি ইমাম আহমাদের নিকট পেশ করেন। তিনি গ্রন্থখানি পছন্দ করেন। ইমাম গাযালী লিখেছেন, মুজতাহিদদের জন্য তাঁর কিতাবই যথেষ্ট।
এটি খুব জনপ্রিয় সংকলন। সুন্নাতুল জামায়াতের সব ফিরকার আলিম ও ফকীহগণ এই গ্রন্থটি গ্রহণ করেছেন।
সুনanu আবী দাউদে পাঁচ ধাপের (মাধ্যমের) কম কোন হাদীস নেই। শুধু একটি হাদীসে চার ধাপ রয়েছে। সুনানের অধ্যায় সংখ্যা ৪০। এতে মোট চার হাজার আট শত হাদীস সন্নিবেশিত হয়েছে। তন্মধ্যে মারাসীলের সংখ্যা ৬০০টি। সুনanu আবী দাউদ চারটি রেওয়ায়েত হিসেবে প্রসিদ্ধ।
১. ইবনে ওয়াসা আবূ দাউদ থেকে রেওয়ায়েত করেছেন। এটি একটি পরিপূর্ণ রেওয়ায়েত। মাগরিবে এর প্রচলন বেশি।
২. আবী আলী আল লুয়ীর রেওয়ায়েত। এটিই প্রসিদ্ধ সহীহ রেওয়ায়েত। প্রাচ্যে এর প্রচলন বেশি।
৩. আবী সাঈদ ইবনুল 'আরাবীর রেওয়ায়েত। এই রেওয়ায়েতে কিছু ত্রুটি রয়েছে।
৪. আবু ঈসা ইসহাক আর রমলী ওয়ারিক আবী দাউদের রেওয়ায়েত। এই রেওয়ায়েত ইবনে ওয়াসার সমপর্যায়ের রেওয়ায়েত।
সুনanu আবী দাউদের অনেক শরাহ রয়েছে। তন্মধ্যে খাত্তাবীর মায়ালিমু সীন, শায়খ শামসুল হকের গায়াতুল মাকসূদ, শায়খ আশরাফ আলী আযিমাবাদীর উনুল মা'বুদ, শায়খ খলীল আহমদের বযলুল মাযহুদ খুবই প্রসিদ্ধ। ইমাম মুনযিরী সুনanu আবী দাউদের সার-সংক্ষেপ লিখেছেন। সুনানের ওপর পাদটিকা সম্বলিত কয়েকটি কিতাব লিখেছেন। রিজাল (চরিত অভিধান) ও লেখা হয়েছে। আমি (আমীমুল ইহসান) সুনানের মুকাদ্দমা (ভূমিকা) লিখেছি। তা প্রকাশিতও হয়েছে। সুনানের উর্দু অনুবাদও প্রকাশিত হয়েছে। আবু দাউদের মারাসীলও আমার (মুফতী আমীমুল ইহসান) ভূমিকাসহ ছাপা হয়েছে।
📄 ইমাম তিরমিযী (র)
ইমাম তিরমিযীর নাম মুহাম্মদ। উপনাম আবু ঈসা। বংশ পরম্পরা: মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে সূরাহ ইবনে মূসা ইবনে যাহ্হাক আস্ সালমী আল বুগী আত্ তিরমিযী। তিনি একজন প্রসিদ্ধ হাকিম ও ইলমে হাদীসের প্রখ্যাত ইমাম ছিলেন। তাঁর পূর্বপুরুষগণ মরোর অধিবাসী। তাঁর দাদা বলখ এলাকার তিরমিযে এসে বসতি স্থাপন করেন।
ইমাম তিরমিযী হিজরী ২০০ সনে জন্মগ্রহণ করেন। হাদীস সংগ্রহের জন্য তিনি বিভিন্ন দেশ সফর করেন। বসরা, কুফা, ওয়াসিত, রায়, খোরাসান ও হিজাযে তিনি হাদীসের সন্ধানে গমন করেন। ঐসব স্থানের বড় বড় মুহাদ্দিস থেকে তিনি হাদীস শ্রবণ করেন। তাঁর শ্রেষ্ঠ উস্তাদ ছিলেন কুতাইবা আবূ মুসয়াব, ইসমাঈল ইবনে মূসা এবং ইমাম বুখারী। ইমাম তিরমিযী থেকে বহু লোক হাদীস বর্ণনা করেছেন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন আবূ হামেদ মরোযী, হাইশাম ইবনে কালীবুস্ শাসী, মুহাম্মদ ইবনে মাহবুব আল মরোযী ও হাম্মাদ ইবনে শাকের। ইমাম তিরমিযীর বিশ্বস্ততা, স্মরণশক্তি এবং সংরক্ষণ ক্ষমতা সম্পর্কে মুহাদ্দিসগণ নিঃসংশয়। তিনি ফকীহ ছিলেন। হিফয সম্পর্কে তাঁকে উদাহরণ হিসেবে পেশ করা হতো। তিনি পরহেযগার ও নিঃস্বার্থ ব্যক্তি ছিলেন।
হিজরী ২৭৯ সনের ১৩ই রজব সোমবার তিরমিয থেকে ছয় ক্রোশ দূরবর্তী বুগ নামক গ্রামে তিনি ইন্তিকাল করেন। বহু গ্রন্থ প্রণেতা ইমাম তিরমিযীর প্রখ্যাত দু'টি গ্রন্থ হচ্ছে 'শামায়েল' ও 'জামি'উত তিরমিযী'।
'ইমাম বুখারীর জামে' সহীহ পরিচিতির মূলগ্রন্থ। আর তাঁর ছাত্র ইমাম তিরমিযীর জামে' হাসান পরিচিতির মূল উৎস। জামে' তিরমিযী গভীরতা ও বিশুদ্ধতার দৃষ্টিতে বুখারীর পদ্ধতির বাহক। উপস্থাপনা ও শৃংখলার দিক দিয়ে এটি সহীহ মুসলিমের অনুরূপ। আহকামের হাদীস ও ফকীহদের প্রমাণাদির বয়ানের দিক থেকে এটি সুনanu আবী দাউদের অনুরূপ। এই গ্রন্থ উপরোল্লিখিত তিনটি বৈশিষ্ট্য মণ্ডিত। তদুপরি নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে অন্যান্য হাদীসগ্রন্থের তুলনায় অধিকতর উপকারী।
১. অভিনব শৃংখলা, পুনরাবৃত্তিহীনতা ও তরীকের সংক্ষেপণ।
২. ফকীহদের মাযহাব ও প্রমাণাদির উল্লেখ
৩. সহীহ, হাসান, যয়ীফ, গরীব, ইলাল প্রভৃতি হাদীস পরিবেশন।
৪. রাবীদের নাম, উপনাম, উপাধি প্রভৃতির উল্লেখ।
ইমাম তিরমিযী যখন এই কিতাব লিপিবদ্ধ করে হিজাযের আলিমদের নিকট পেশ করেন, তখন তাঁরা এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। ইরাকের আলিমদেরকেও এটি দেখানো হয়। খোরাসানের আলিমগণও এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। শাইখুল ইসলাম হারদী (র) বলেন, "হাদীস শাস্ত্রের দৃষ্টিতে এই কিতাব সহীহাঈন থেকেও বেশি উপকারী।"
ইমাম তিরমিযীর জামে' হাসান পরিচিতির জন্য মৌলিক গ্রন্থ। প্রাথমিক কালের আলিমগণ সহীহ ও হাসানের মধ্যে পার্থক্য করতেন না। সর্বপ্রথম ইমাম বুখারী ও ইবনুল মদীনী এই পার্থক্যের কথা বলেন। আর ইমাম তিরমিযী এটিকে পূর্ণত্ব দান করেন।
জামিউত তিরমিযীতে ১৪৬টি অধ্যায় রয়েছে। এতে রয়েছে ৩৮১৪টি হাদীস। পুনঃ উল্লেখিত হাদীসের সংখ্যা মাত্র ৮৩টি। অনেক অধ্যায়ের পুনরুল্লেখ আছে। একটিতে মাত্র সুলাসী বা তিনজনের সূত্র আছে।
জামে'র মধ্যে ইমাম তিরমিযীর শর্ত শুধু এই যে, হাদীস এমন হতে হবে যা কোন মুজতাহিদ কর্তৃক ব্যবহৃত যদিও এর সনদ বিতর্কিত। এইজন্য জামিউত্ তিরমিযীর প্রায় সকল হাদীস আমলযোগ্য। জামিউত তিরমিযী সুনানে তিরমিযী নামেও পরিচিত। নাসাঈ, আবু দাউদ ও তিরমিযী এই তিনটি সুনানে কোন মওযু হাদীস নেই। কিন্তু ইবনে জওযী সুনানে নাসাঈর একটি, সুনanu আবী দাউদের চারটি এবং জামিউত তিরমিযীর তেইশটি হাদীস মওযু হাদীস বলে উল্লেখ করেছেন। এটা কিন্তু তাঁর ভুল ধারণা। কেননা হাফিয ইবনে হাজার 'আল কাউলুল হাসান ফিল কিযবে আনিস সুনান' গ্রন্থে ইবনে জওযীর অভিমতকে ভুল প্রমাণিত করেছেন।
জামিউত তিরমিযীতে যয়ীফ হাদীস আছে। অবশ্য ইমাম তিরমিযী নিজেই এগুলোর দুর্বলতা স্বীকার করেছেন। জামিউত তিরমিযীর মধ্যে কতিপয় শব্দের বিশেষ পরিভাষা রয়েছে। আর এগুলোর রয়েছে বিশেষ নিয়মনীতি। এগুলোর তাফসীল আমার (মুফতী আমীমুল ইহসান) লেখা 'ইলমুল হাদীসকে মুবাদিয়াত' নামক পুস্তিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
জামিউত তিরমিযীতে রাবী বা বর্ণনাকারী ছয়জন : ১. আবুল আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাহবুব। ২. আবূ সাঈদ ইবনে হাইশাম ইবনে কালীবুস শাসী। ৩. আবূ যার মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম। ৪. আবূ মুহাম্মাদ আলহাসান ইবনে ইবরাহীম আল কাত্তান। ৫. আবূ হামীদ আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ্। ৬. আবুল হাসান আল ওয়াযরী।
এই উপমহাদেশে প্রথম রাবীর রেওয়ায়েতই বেশি প্রচলিত। জামিউত্ তিরমিযীর শরাহ অনেক। তন্মধ্যে 'আরেদাতুল আহওয়াযী' (ইবনুল আরাবী কৃত) ও 'তুহফাতুল আহওয়াযী' (শায়খ আবদুর রহমান মুবারকপুরী কৃত) খুবই প্রসিদ্ধ। মাওলানা আনোয়ার শাহ কাশ্মীরীর অভিমত যুক্ত 'আল উরফুস শাসী'ও সুন্দর গ্রন্থ।
হাফিয ইবনে হাজার 'আল লুবাবু মা ফিলবাব' লিখেছেন। এতে জামিউত্ তিরমিযীতে উল্লিখিত সাহাবায়ে কিরামের সংক্ষিপ্ত সম্বোধিত হাদীসগুলো নির্বাচিত করা হয়েছে। জামিউত্ তিরমিযী উর্দু ভাষাতেও অনূদিত হয়েছে।
📄 ইমাম ইবনে মাজাহ্ (র)
ইমাম ইবনে মাজাহ্ নাম মুহাম্মাদ। উপনাম আবূ আবদুল্লাহ্। বংশ পরম্পরা : মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াযীদ ইবনে আবদুল্লাহ্ ইবনে মাজাহ আল কাযভীনা। তাঁর জন্মভূমি কাযভীন। হিজরী ২০৯ সনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। হাদীস সংগ্রহের জন্য তিনি বসরা, কুফা, বাগদাদ, শাম, মিসর, রায়, হিজায সফর করেন। ইবনে মাজাহ হাদীস শাস্ত্রের ইমাম ও প্রখ্যাত হাফিয ছিলেন। তিনি জাবারাহ ইবনুল মুফলিস, ইবরাহীম ইবনু মুনযির প্রমুখ থেকে হাদীস শুনেছেন। তাঁর ছাত্রদের মধ্যে প্রখ্যাত হচ্ছেন আবুল হাসান কাত্তান ও ঈসা ইবনে আবহার। হিজরী ২৭৩ সনের ২২শে রমযান তিনি ইন্তিকাল করেন। তাঁর প্রসিদ্ধ গ্রন্থ হচ্ছে সুনান যা সিহাহ সিত্তাহর অন্তর্ভুক্ত।
📄 সুনানে ইবনে মাজাহ্
সুনানে ইবনে মাজাহ হুকুম-আহকামে জামে' ধরনের একটি গ্রন্থ। এতে অনেক অধ্যায় রয়েছে। এতে রয়েছে বহু সহীহ হাদীস। আবার এতে দুর্বল ও বিতর্কিত হাদীসও আছে। ইমাম যাহাবীর মতে এতে মাত্র ৩০টি দুর্বল হাদীস রয়েছে। তিনি লিখেছেন "অল্প সংখ্যক অবান্তর হাদীস না থাকলে আবূ আবদুল্লাহ্র 'সুনান' একখানা উত্তম গ্রন্থ হিসেবে গণ্য হতো।" কিন্তু মযীর অভিমত হলো, তিনি স্বতন্ত্রভাবে যে হাদীস সংকলন করেছেন, তা দুর্বল।
ইবনে হাজার এর সমাধান এভাবে করেছেন, 'এই বক্তব্য বর্ণনাকারীর বেলায় প্রযোজ্য হতে পারে, হাদীসসমূহের বেলায় যথার্থতা মনে করা ঠিক নয়। পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, এর মধ্যে সহীহ ও হাসান হাদীসসমূহ রয়েছে।'
ইমাম মযীর অভিমত এভাবে খণ্ডন করেছেন, 'আমার অনুসন্ধান মতে অভিযোগটি সাধারণভাবে গ্রহণীয় নয়। অবশ্য সামগ্রিকভাবে এতে অনেক মুনকার হাদীসও বিদ্যমান রয়েছে।'
সয়ূতী বলেন, 'ইবনে মাজাহ স্বতন্ত্রভাবে এমন কিছু বর্ণনাকারী থেকেও হাদীস সংকলন করেছেন যারা হাদীসের ব্যাপারে মিথ্যাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত।'
ইবনে জুযী সুনান ইবনে মাজাহতে সংকলিত ষোলটি হাদীসকে বানোয়াট বলে চিহ্নিত করেছেন। ইবনে হাজার তাঁর এই অভিমত খণ্ডন করেছেন। কিন্তু কাযভীনের ফযীলতের হাদীস সম্মিলিত মতে বানোয়াট। এ কারণে পূর্বেকার আলিমগণ সুনানে ইবনে মাজাহকে সিহাহ সিত্তাহর মধ্যে শামিল করেন নি। এ জন্যই ইবনে আসীর জামিউল উসূলে ইবনে মাজাহর পরিবর্তে মুয়াত্তার হাদীসগুলোকে সংকলন করেছেন। কেউ কেউ সুনানে দারেমীকে ষষ্ঠস্থানীয় বলে উল্লেখ করেছেন। সর্বপ্রথম আবুল ফযল ইবনে তাহির মুকাদ্দেমী (মৃত্যু: ৬০০ হিঃ) উসূলে খামসার সাথে শামিল করেছেন। এর ওপর টীকাকারগণ টীকা লিখেছেন। টীকা একত্রিত করেছেন। বুসীরী (মৃত্যুঃ ৮৪০ হিঃ) ইবনে মাজাহর সমস্ত যাওয়াদের (অতিরিক্ত) সনদের সমালোচনা করেছেন।
এই সংকলনে পাঁচটি সালাসিয়াত আছে। সুনানে ইবনে মাজাহ-তে রয়েছে ৩২টি অধ্যায়, ১৫০০টি অনুচ্ছেদ এবং ৪৩৩৮টি হাদীস। সুনানের প্রসিদ্ধ রাবী হচ্ছেন আবুল হাসান কাত্তান। তাঁর রেওয়ায়েতেরই প্রাধ্যান্য বেশি।
আলাউদ্দীন মুগলতাঈ ইবনে মাজাহর শরাহ সবিস্তারে লিপিবদ্ধ করেছেন। সয়ূতী, সিন্ধি এবং শাহ আবদুল গনীও এর টীকা লিখেছেন।
মুহাম্মদ ওয়াহিদুযযামান কর্তৃক অনূদিত মুয়াত্তা ও সিহাহ সিত্তাহ্র প্রত্যেকটির উর্দু অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। দিল্লীর হামিদীয়া প্রেস সিহাহ সিত্তাহ ও মিশকাতের উর্দু তরজমা সম্পাদন করেছে।