📘 হাদিস আখলাকুন নবী সাঃ 📄 নবী (সা) এবং লাঠির উপর ভর দিয়ে চলার বর্ণনা

📄 নবী (সা) এবং লাঠির উপর ভর দিয়ে চলার বর্ণনা


৭২৮. হযরত আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাতের লাঠির উপর ভর দিয়ে চলা নবীগণের মুবারক একটি নীতি। রাসূলুল্লাহ (সা)-এর কাছেও একটি লাঠি ছিল। তিনি এটির উপর ভর দিয়ে চলতেন এবং আমাদেরকেও (এ ধরনের) লাঠি ব্যবহার করতে নির্দেশ দিতেন।

📘 হাদিস আখলাকুন নবী সাঃ 📄 নবী (সা)-এর তাঁর সাহাবীদের সালামের জওয়াব দেওয়া

📄 নবী (সা)-এর তাঁর সাহাবীদের সালামের জওয়াব দেওয়া


৭২৯. মুহাম্মদ ইব্‌ন সীরীন (রা) জাবির ইব্‌ন সুলায়ম হুজাইমী আবু জারী (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, একবার আমি নবী (সা)-এর সাক্ষাতে গেলাম। আমি তাঁর কাছে হাযির হয়ে বললাম: 'আস্সালামু আলাইকুম'। তিনি জবাবে বললেন: 'আস্সালামু আলাইকুম'।

ফায়দা: উপরোক্ত হাদীসের আলোকে বোঝা যায় যে, সালামের জবাব দেওয়া সুন্নত। এটিই হলো মুসলিমদের সামাজিক শিষ্টাচার। তারা একে অপরের সাক্ষাতের সময় সালাম বিনিময় করে থাকে। হাদীসে বলা হয়েছে, আগে সালাম দানকারী অধিক উত্তম, অধিক মর্যাদাবান ও রহমতে এলাহীর অধিক নিকটবর্তী। সালাম একটি দু'আ বিষয়ক বাক্য। সমাজে এ বাক্যের ব্যাপক চর্চার ফলে আল্লাহ্ পাকের রহমত ও অনুগ্রহ ব্যাপকভাবে বর্ষিত হয়।

📘 হাদিস আখলাকুন নবী সাঃ 📄 নবী (সা)-এর কোন পছন্দনীয় জিনিস দেখে দু‘আর বর্ণনা

📄 নবী (সা)-এর কোন পছন্দনীয় জিনিস দেখে দু‘আর বর্ণনা


৭১০. হযরত হাকীম ইবন হিযাম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) যখন এমন কোনো জিনিস দেখতেন যা তাঁর নিকট খুবই পছন্দনীয় এবং তার ব্যাপারে তিনি কুদৃষ্টির আশংকা বোধ করতেন তখন নিম্নোক্ত দু'আ পাঠ করতেন: اَللَّهُمَّ بَارِكْ فِيْهِ وَلَا تَضُرَّهُ “হে আল্লাহ! এ জিনিসের মধ্যে বরকত দাও এবং জিনিসটিকে কুদৃষ্টি থেকে বাঁচিয়ে রাখো।”

ফায়দা: উপরোক্ত হাদীসটি মুহাদ্দিস ইবনুস সুন্নী (র) তাঁর "عَمَلُ الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ" গ্রন্থে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন। কোন কোন আলিম অভিমত ব্যক্ত করেন যে, উপরোক্ত হাদীসটি কাওলী ও ফেলী উভয়রূপে বর্ণিত আছে। তবে ফেলী হাদীসটির বর্ণনা শুদ্ধ নয় এবং এটি মুনকার তথা পরিত্যাজ্যযোগ্য হাদীস। পক্ষান্তরে বিশুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য বর্ণনা হলো হাদীসটির কাওলী রূপ।

📘 হাদিস আখলাকুন নবী সাঃ 📄 সাহাবায়ে কিরামের কোন সফরে যাত্রাকালে নবী (সা)-এর তাঁদেরকে কিছু দূর পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়ার বর্ণনা

📄 সাহাবায়ে কিরামের কোন সফরে যাত্রাকালে নবী (সা)-এর তাঁদেরকে কিছু দূর পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়ার বর্ণনা


৭১১. সা'দ ইব্‌ন আবু ওয়াক্কাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা) যখন তাবুক অভিযানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন, তখন হযরত আলী (রা) তাঁকে কিছুদূর পর্যন্ত এগিয়ে দেন。

ফায়দা : এখানে গ্রন্থকার আল্লামা শায়েখ আবু হাইয়ান ইস্পাহানীর উপস্থাপিত অনুচ্ছেদ শিরনাম ও শিরনামাধীন বর্ণিত হাদীসের মধ্যে সংগতি রক্ষিত হয়নি। কেননা শিরনাম হলো সাহাবীদের সফরে যাত্রাকালে নবী (সা)-এর তাঁদেরকে কিছু দূর এগিয়ে দেওয়া। অথচ উল্লেখিত হাদীসের বিষয়বস্তু তার উল্টো। অর্থাৎ নবী (সা)-এর সফরে যাত্রাকালে সাহাবী কর্তৃক তাঁকে কিছু দূর এগিয়ে দেওয়ার বর্ণনা। তবে হযরত আলী (রা)-এর এ কাজটি নিশ্চিত প্রমাণ বহন করছে যে, কারোর সফরে যাত্রাকালে তাকে কিছুদূর পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়া নবী (সা)-এর কাছে একটি পছন্দনীয় ও ভাল কাজ হিসাবে বিবেচিত ছিল।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية