📘 হাদিস আখলাকুন নবী সাঃ 📄 একদিন বা একরাতে সকল স্ত্রীর সাথে নবী (সা)-এর সাক্ষাতের বর্ণনা

📄 একদিন বা একরাতে সকল স্ত্রীর সাথে নবী (সা)-এর সাক্ষাতের বর্ণনা


৭০০. কাতাদা (র) হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, নবী রাত ও দিনের কিছু সময়ের মধ্যে তাঁর সব স্ত্রীর কাছে যেতেন। তখন তাঁর স্ত্রীদের সংখ্যা ছিলো এগার। তাঁকে ত্রিশজন পুরুষের সমান যৌনক্ষমতা দেয়া হয়েছিল।
৭০১. কাতাদা (র) হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, নবী একই সময় তাঁর দশজন স্ত্রীর সবার সাথে মিলিত হতেন। তাঁকে ত্রিশজন পুরুষের সমান যৌনক্ষমতা দেয়া হয়েছিল।
৭০২. হিশাম ইবন যায়িদ (র) হযরত আনাস (ইবন মালিক) (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ তাঁর সমস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়ার পরে একবার মাত্র গোসল করতেন।
৭০৩. হুমায়দ তাবীল (র) হযরত আনাস (ইবন মালিক) (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ এক রাতে তাঁর সকল স্ত্রীর কাছে যেতেন এবং পরে একবার মাত্র গোসল করতেন।
৭০৪. সাবিত (র) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্-এর একটি হলুদ রঙের সুগন্ধিযুক্ত চাদর ছিলো। এর সুগন্ধি বাড়ানোর জন্য এর ওপর পানি ছিটিয়ে দিতেন।

📘 হাদিস আখলাকুন নবী সাঃ 📄 স্ত্রীদের সাথে সহবাসের সময় নবী (সা)-এর পর্দা করা ও চোখ বন্ধ রাখার বর্ণনা

📄 স্ত্রীদের সাথে সহবাসের সময় নবী (সা)-এর পর্দা করা ও চোখ বন্ধ রাখার বর্ণনা


৭০৫. হযরত আয়েশা (রা) বর্ণনা করেন, নবী তাঁর পবিত্র স্ত্রীদের কারো সাথে পর্দা না করে মিলিত হতেন না। এ সময় তিনি তাঁর মাথার ওপরে থেকে একখানা কাপড় লটকিয়ে নিতেন। আর আমি কখনো নবী -এর গোপন অঙ্গ দেখিনি এবং তিনিও কখনো আমার গোপন অঙ্গ দেখেন নি।

📘 হাদিস আখলাকুন নবী সাঃ 📄 নবী (সা) বাসর রাতে তাঁর স্ত্রীদের সালাম দিয়েছেন

📄 নবী (সা) বাসর রাতে তাঁর স্ত্রীদের সালাম দিয়েছেন


৭০৬. হযরত উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী তাঁকে বিয়ে করার পর বাসর রাতে ঘরে প্রবেশ করে সালাম দিয়েছিলেন।

📘 হাদিস আখলাকুন নবী সাঃ 📄 নবী (সা)-এর উপহার গ্রহণ করা এবং তার প্রতিদান দেওয়ার বর্ণনা

📄 নবী (সা)-এর উপহার গ্রহণ করা এবং তার প্রতিদান দেওয়ার বর্ণনা


৭০৭. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী হাদিয়া (উপহার) গ্রহণ করতেন এবং তার প্রতিদান দিতেন।
৭০৮. জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ হাদিরার প্রতিদান দাতা হিসেবে সর্বাধিক উত্তম মানুষ ছিলেন।
৭০৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী বলেছেন: আমি যদি বকরীর একটি বাহুর জন্যও আমন্ত্রিত হই তাহলেও আমি সাড়া দেবো। আর আমাকে বকরীর পাও যদি হাদিয়া দেয়া হয় তাও আমি গ্রহণ করবো।
৭১০. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ নিজের জন্য সাদাকা গ্রহণ করতেন না তবে উপহার গ্রহণ করতেন।
৭১১. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন: আমাকে যদি বক্সীর একটি পাও উপহার দেয়া হয় আমি তা গ্রহণ করবো। তিনি মানুষকে পরস্পর উপহার আদান-প্রদানের নির্দেশ দিতেন।
৭১২. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কেউ যদি নবী -কে যবের রুটির জন্যও দাওয়াত দিতো তিনি দ্বিধাহীনচিত্তে তা গ্রহণ করতেন। এক ইয়াহুদীর কাছে তাঁর একটি বর্ম বন্ধক ছিল।
৭১৩. হযরত উমর ইবন খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্-এর কাছে কোন হাদিয়া আসলে হাদিয়াদাতা না খাওয়া পর্যন্ত তিনি তা খেতেন না।
৭১৪. হযরত জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাঁকে এক হাঁড়ি হালুয়া হাদিয়া দেওয়া হয়েছিলো। তিনি প্রত্যেককে এক চামচ করে হালুয়া দিতে থাকলেন।
৭১৫. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী -কে খেজুর গাছের সর্বপ্রথম ফল উপহার দেওয়া হলে তিনি বরকতের জন্য দু'আ করতেন। অতঃপর তিনি উক্ত ফল শিশুদেরকে বণ্টন করে দিতেন।
৭১৬. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী -এর জন্য প্রথম খেজুর ফল আনা হলে তিনি তাতে বরকতের জন্য দু'আ করতেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px