📄 নবী (সা) কদু খেয়েছেন এবং তা খুবই পছন্দ করতেন
৬৩১. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্-এর খুবই পছন্দনীয় তরকারি ছিলো কদু।
৬৩২. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ কদু খুবই পছন্দ করতেন। অতএব আমাদের নিকট কদু তরকারি থাকলে আমরা তা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তাঁকে দিতেন।
৬৩৩. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী ﷺ এক দরজীর বাড়িতে দাওয়াত খেতে এলেন। তাঁর সামনে সারীদের একটি পাত্র রাখা হলো, যার মধ্যে কদুও ছিলো। তিনি তা থেকে বেছে বেছে কদু তরকারি তুলে আহার করলেন। রাবী বলেন, সেদিন থেকে আমিও কদু তরকারি পছন্দ করে আসছি।
৬৩৪. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, কদু তরকারি ছিলো নবী ﷺ-এর খুবই প্রিয়। অতএব আমি তাঁর নিকট কখনও কদু তরকারি নিয়ে আসলে তিনি তা আঙুল দিয়ে তালাশ করে খেতেন।
৬৩৫. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ কদু তরকারি পছন্দ করতেন। তাঁর সামনে সারীদের পাত্র রাখা হলে এবং তাতে কদু তরকারি থাকলে তিনি তা তুলে নিতেন। আনাস (রা) বলেন, কদুর প্রতি রাসূলুল্লাহ্-এর বিশেষ আকর্ষণের কারণে আমিও তা পছন্দ করি।
৬৩৬. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উম্মু সুলাইমা (রা) আমাকে এক টুকরি খেজুরসহ নবী ﷺ-এর নিকট পাঠালেন। আমি গিয়ে তাঁকে তাঁর বাড়িতে পেলাম না। তিনি তাঁর আযাদকৃত এক দাসের বাড়ি দাওয়াতে গিয়েছিলেন। সে তাঁর জন্য গোশত দিয়ে সারীদ ও কদু রান্না করেছিলো। তিনি আমাকেও ডাকলেন। আমি তাঁকে কদু তরকারি পছন্দ করতে দেখে তা তাঁর নিকটে এগিয়ে দিতে লাগলাম।
৬৩৭. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী ﷺ-কে পাত্র থেকে বেছে বেছে কদু তরকারি খেতে দেখেছি। তখন থেকে আমিও কদু তরকারি পছন্দ করে আসছি।
৬৩৮. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, কদু বা লাউ তরকারি নবী-এর খুবই প্রিয় ছিল।
৬৩৯. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মেহেন্দির কলি নবী ﷺ-এর খুবই পছন্দনীয় ছিল। তরকারির মধ্যে কদু তাঁর খুবই প্রিয় ছিল।
৬৪০. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী প্রচুর পরিমাণে কদু তরকারি খেতেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি প্রচুর পরিমাণ কদু তরকারি কেন খাচ্ছেন? তিনি বললেন, কদু মগজের শক্তি বৃদ্ধি করে এবং স্মরণশক্তি প্রখর করে।
৬৪১. হাকীম ইব্ন জাবির আল-আহমাসী (র) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি (জাবির) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ ﷺ-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর সামনে কদু দেখতে পেলাম। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ এ কি? তিনি বললেন, এর দ্বারা আমি আমার পরিবারের সদস্যদের খাদ্যে পরিবৃদ্ধি ঘটাই。
📄 নবী (সা) কদু খেয়েছেন এবং তা খুবই পছন্দ করতেন
৬৩১. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্-এর খুবই পছন্দনীয় তরকারি ছিলো কদু।
৬৩২. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ কদু খুবই পছন্দ করতেন। অতএব আমাদের নিকট কদু তরকারি থাকলে আমরা তা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তাঁকে দিতেন।
৬৩৩. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী ﷺ এক দরজীর বাড়িতে দাওয়াত খেতে এলেন। তাঁর সামনে সারীদের একটি পাত্র রাখা হলো, যার মধ্যে কদুও ছিলো। তিনি তা থেকে বেছে বেছে কদু তরকারি তুলে আহার করলেন। রাবী বলেন, সেদিন থেকে আমিও কদু তরকারি পছন্দ করে আসছি।
৬৩৪. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, কদু তরকারি ছিলো নবী ﷺ-এর খুবই প্রিয়। অতএব আমি তাঁর নিকট কখনও কদু তরকারি নিয়ে আসলে তিনি তা আঙুল দিয়ে তালাশ করে খেতেন।
৬৩৫. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ কদু তরকারি পছন্দ করতেন। তাঁর সামনে সারীদের পাত্র রাখা হলে এবং তাতে কদু তরকারি থাকলে তিনি তা তুলে নিতেন। আনাস (রা) বলেন, কদুর প্রতি রাসূলুল্লাহ্-এর বিশেষ আকর্ষণের কারণে আমিও তা পছন্দ করি।
৬৩৬. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উম্মু সুলাইমা (রা) আমাকে এক টুকরি খেজুরসহ নবী ﷺ-এর নিকট পাঠালেন। আমি গিয়ে তাঁকে তাঁর বাড়িতে পেলাম না। তিনি তাঁর আযাদকৃত এক দাসের বাড়ি দাওয়াতে গিয়েছিলেন। সে তাঁর জন্য গোশত দিয়ে সারীদ ও কদু রান্না করেছিলো। তিনি আমাকেও ডাকলেন। আমি তাঁকে কদু তরকারি পছন্দ করতে দেখে তা তাঁর নিকটে এগিয়ে দিতে লাগলাম।
৬৩৭. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী ﷺ-কে পাত্র থেকে বেছে বেছে কদু তরকারি খেতে দেখেছি। তখন থেকে আমিও কদু তরকারি পছন্দ করে আসছি।
৬৩৮. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, কদু বা লাউ তরকারি নবী-এর খুবই প্রিয় ছিল।
৬৩৯. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মেহেন্দির কলি নবী ﷺ-এর খুবই পছন্দনীয় ছিল। তরকারির মধ্যে কদু তাঁর খুবই প্রিয় ছিল।
৬৪০. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী প্রচুর পরিমাণে কদু তরকারি খেতেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি প্রচুর পরিমাণ কদু তরকারি কেন খাচ্ছেন? তিনি বললেন, কদু মগজের শক্তি বৃদ্ধি করে এবং স্মরণশক্তি প্রখর করে।
৬৪১. হাকীম ইব্ন জাবির আল-আহমাসী (র) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি (জাবির) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ ﷺ-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর সামনে কদু দেখতে পেলাম। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ এ কি? তিনি বললেন, এর দ্বারা আমি আমার পরিবারের সদস্যদের খাদ্যে পরিবৃদ্ধি ঘটাই।
📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা) শসা খেয়েছেন
৬৪২. হযরত আবদুল্লাহ্ ইব্ন জাফর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী ﷺ-কে তাজা খেজুরের সাথে শসা খেতে দেখেছি।
৬৪৩. হযরত সাহল ইবন সাদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী তাজা খেজুরের সাথে খরবুযা মিশিয়ে খেয়েছেন।
৬৪৪. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী তাজা খেজুরের সাথে খরবুযা মিশিয়ে খেতেন।
৬৪৫. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ তাজা খেজুরের সাথে খরবুযা মিশিয়ে খেতে পছন্দ করতেন।
৬৪৬. হযরত রাবী' (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ছোট ছোট শসাসহ এক থালা তাজা খেজুর নবী-কে হাদিয়া দিলাম। তিনি তা আহার করলেন এবং আমাকে এক টুকরা সোনা দান করলেন।
৬৪৭. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ তাজা খেজুরের সাথে খরবুযা মিশিয়ে খেতেন।
৬৪৮. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী তাজা খেজুরের সাথে খরবুযা মিশিয়ে খেতে পছন্দ করতেন।
৬৪৯. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ বাম হাতে খরবুযা এবং ডান হাতে তাজা খেজুর খেতেন। অতএব তিনি তাজা খেজুরের সাথে খরবুযা একত্রে খেতেন।
৬৫০. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ তাজা খেজুরের সাথে খরবুযা খেতেন।
৬৫১. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী তাজা খেজুরের সাথে খরবুযা খেতেন এবং লবণ সহযোগে শসা খেতেন।
৬৫২. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী তাজা খেজুরের সাথে খরবুযা মিশিয়ে খেতেন।
৬৫৩. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী খেজুর ও তরমুজ এক সাথে আহার করতেন।
📄 নবী (সা)-এর আহার শেষে হাত ধোয়ার বিবরণ
৬৫৪. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ বলেছেন: যে ব্যক্তি নিজ ঘরের বরকত বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা করে সে যেন তার খাবার উপস্থিত হলে হাত ধুয়ে নেয় এবং তা তুলে নেওয়ার পরও হাত ধুয়ে নেয়।