📄 নবী (সা)-এর পানকৃত নবীযের বিবরণ
৬২১. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী ﷺ পাথরের নির্মিত একটি পাত্রে নবীয তৈরি করতেন। তিনি তা থেকে তৈরির দিন, তার পরের দিন এবং তার পরের দিন দুপুর পর্যন্ত পান করতেন। এরপর তিনি অবশিষ্ট অংশ ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন অথবা (খারাপ না হলে) খাদেমদের তা পান করতে দিতেন।
৬২২. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী ﷺ-এর জন্য নবীয তৈরি করা হতো—হাদীসের বাকি অংশ পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
৬২৩. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সকাল বেলা একটি মশকে রাসূলুল্লাহ্-এর জন্য নবীয বানাতাম, তিনি তা রাতের আহারের পর পান করতেন। যদি কিছু অবশিষ্ট থাকতো আমি ফেলে দিতাম। তারপর পাত্রটি ধুয়ে আবার তাতে নবীয বানাতাম। ভোরবেলা তিনি নাস্তার পরে তা পান করতেন। কিছু অবশিষ্ট থাকলে আমি তা ফেলে দিতাম।
৬২৪. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ ﷺ-এর নবীযের মধ্যে এক মুষ্টি কিশমিশ ঢেলে দিতাম, যাতে তার অম্লস্বাদ কিছুটা কমে যায়।
৬২৫. হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্-এর জন্য আজ, আগামী কাল ও আগামী পরশুর জন্য একটি পাত্রে নবীয বানানো হতো। (তৃতীয় দিন) সন্ধ্যা হয়ে গেলে তিনি নির্দেশ দিলে ফেলে দেওয়া হতো অথবা পান করা হতো।
৬২৬. হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ-এর জন্য সন্ধ্যাবেলা নবীয বানানো হতো এবং তা এক দিন-রাত রাখা হতো। অতপর সন্ধ্যাবেলা তা খাদেমগণ পান করতো অথবা (খারাপ হয়ে গেলে) ফেলে দিতো।
৬২৭. হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্-এর জন্য নবীয তৈরি করা হতো। তা তিনি ওই দিন ও ওই রাত, পরের দিন ও রাত এবং তৃতীয় দিন পর্যন্ত পান করতেন।
📄 নবী (সা)-এর ছাতু আহার করা সম্পর্কে
৬২৮. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এই পাত্রে নবী ﷺ-কে দুধ, মধু, ছাতু, নবীয ও ঠাণ্ডা পানি পান করিয়েছি।
📄 নবী (সা)-এর হায়স (সুস্বাদু খাদ্য) আহার করা সম্পর্কে
৬২৯. হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্-এর নিকট খেজুরের তৈরি সারীদ অর্থাৎ হায়স ছিল অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য।
📄 নবী (সা) সিরকা এবং যায়তুনের তেল আহার করেছেন
৬৩০. হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্-এর নিকট সমস্ত ঝোলের মধ্যে সিরকা অধিক পছন্দনীয় ছিলো।