📄 হাশরের ময়দানে নুরের মিম্বর
হাশরের ময়দানে এমন একটি মুহূর্ত আসবে যে, জায়গায় জায়গায় নুরের মিম্বর স্থাপন করা হবে। এই মিম্বরগুলোতে সেসব লোক অবস্থান করবে, যারা একে অন্যকে শুধু আল্লাহর জন্য মহব্বত করত। তাদের মর্যাদা দেখে আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম ও শহিদানে ইসলামও ঈর্ষান্বিত হবেন। এক হাদিসে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন : ‘আল মুতাহাব্বুনা ফী জালালী লাহুম মানাবীরু মিন নুরিন ইয়াগবিতুহুমুন নাবিয়্যুনা ওয়াশ শুহাদায়ু’ অর্থাৎ আমার বড়ত্বের কারণে যারা একে অন্যকে ভালোবাসে, তারা কিয়ামতের দিন নূরের এমন মিম্বরে অবস্থান করবে, যা দেখে আম্বিয়া আলাইহিস সালাম ও শহিদানে ইসলামও ঈর্ষান্বিত হবেন।
টিকাঃ
৬৫১. ইবনে কাসীর, ৩/৪২১।
📄 চারটি প্রশ্ন
হাশরের ময়দানে সবাইকে চারটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। যে ব্যক্তি এই চার প্রশ্নের উত্তর নিজের আমলী জীবনের মাধ্যমে সঠিকভাবে প্রদান করেছে, সে সফল হবে। পক্ষান্ততে যে ব্যক্তি অলসতা ও উদাসীনতার মাঝে জীবন শেষ করে দিয়েছে, সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন : ‘লান তাযুলা ক্বদামা আবদিন ইয়াওমাল ক্বিয়ামাতি হাত্তা ইউসআলা আন আরবায়ি খিসালিন...’ অর্থাৎ চারটি বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে পূর্বে কিয়ামতের দিন কেউ এক পাও নড়তে পারবে না : ১. জীবন কোথায় ব্যয় করেছে? ২. কোন্ পথে যৌবন কাটিয়েছে? ৩. সম্পদ কোন্ পন্থায় অর্জন করেছে এবং কোথায় খরচ করেছে? ৪. ইলম অনুযায়ী কতটুকু আমল করেছে? কাজেই বিবেকের দাবি হলো, দুনিয়াতেই এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদানের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা। আল্লাহ তায়ালা আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন।