📄 কবরে আলো ও সুগন্ধ
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে গালিব রহ. ছিলেন বিখ্যাত বুযুর্গ। তাঁর কবর থেকে মেশক ও আম্বরের ঘ্রাণ ছড়াত। মালেক ইবনে দিনার রহ. বলেন, 'আমি তাঁর কবরের মাটি শুঁকে দেখেছি, তা হুবহু মেশকের মতো ছিল।'
হযরত আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বাকরী রহ. বলেন, 'আমি বসরা নগরীতে সাহাবী হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম রা.-এর কবরে হাজির ছিলাম। হঠাৎ আমার শরীরে গোলাপজলের ছিটা পড়ে। এতে আমার কাপড় ভিজে যায়।'
উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা রা. হতে বর্ণিত আছে, ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ নাজ্জাশীর ইনতিকাল হওয়ার পর একথা ব্যাপক প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল যে, তাঁর কবরের ওপর আলোকাচ্ছটা পরিলক্ষিত হতো।
টিকাঃ
৫২৭. কিতাবুল আযকিয়া, ১৯০।
৫২৮. কিতাবুল আযকিয়া, ১৯০।
৫২৯. কিতাবুল আযকিয়া, ১৯০।
📄 সওয়াবপ্রত্যাশী মুয়াযযিনকে সুসংবাদ
সাধারণ মানুষ মুয়াযযিনদের মর্যাদাহীন মনে করে। অথচ শরিয়তের দৃষ্টিতে আযান দেওয়া এমন মর্যাদাপূর্ণ কাজ, যে ব্যক্তি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের ইচ্ছায় আযান দেয়, কিয়ামতের দিন তার গর্দান সবার চেয়ে লম্বা করে দেওয়া হবে। মৃত্যুর পর তার শরীর কীটপতঙ্গের খাবারে পরিণত হবে না। হযরত মুজাহিদ রহ. তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, মুয়াযযিনগণ কিয়ামতের দিন সবচেয়ে লম্বা গর্দানের অধিকারী হবে এবং কবরে তাঁদের শরীর কীটপতঙ্গ আঘাত করতে পারবে না।
অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় যেই ব্যক্তি আযান দেয়, সে ঐ শহিদের মতো, যে নিজের রক্তে রঞ্জিত। ইনতিকালের পর কবরে পোকা-মাকড় তাকে দংশন করবে না। কতক দুর্বল বর্ণনায়ও জাতীয় সংবাদ অধিক কুরআন তিলাওয়াতকারী ও পূর্ণ গুনাহ বর্জনকারীদের জন্য বর্ণিত হয়েছে।
টিকাঃ
৫৩০. মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, ১/৪৬৩।
৫৩১. মাজমাউয যাওয়াহেদ, ১/৪; শরহুস সুদূর, ৪১।
৫৩২. শরহুস সুদূর, ৪১।