📄 হযরত সাআদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা.-এর মৃত্যু
হযরত সাআদ ইবনে আবি ওয়াক্কাসের মৃত্যুর সময় তাঁর ছেলে কাঁদতে শুরু করলে তিনি বললেন, “বেটা, কাঁদছ কেন? আল্লাহর কসম! আমার প্রতিপালক কখনও আমাকে আযাব দেবেন না। আমি জান্নাতী লোকদের অন্তর্ভুক্ত।” কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করেছিলেন। ৪৫৪
টিকাঃ
৪৫৪. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭/১৪৪।
📄 মৃত্যুশয্যায় হযরত আবু হুরায়রা রা.-এর অবস্থা
হযরত আবু হুরায়রা রা.-এর মৃত্যুর সময় তিনি কাঁদতে শুরু করেন। কান্নার কারণ হিসেবে তিনি তাঁর পাপের ভয় এবং দীর্ঘ সফরের কষ্টের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন, “হে আল্লাহ, আমি তোমার সাক্ষাৎ কামনা করছি, সুতরাং তুমিও আমার সাক্ষাৎ কামনা করো।” মদিনার গভর্নর মারওয়ান তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়ার আগেই তিনি ইন্তিকাল করেন। ৪৫৫
টিকাঃ
৪৫৫. কিতাবুল আকবিয়া, ১৫।
📄 হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউড রা.-এর মৃত্যুর ঘটনা
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. তাঁর মৃত্যুর কিছুকাল পূর্বে স্বপ্নে দেখেছিলেন যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলছেন, “ইবনে মাসউদ, আমার কাছে চলে এসো।” মৃত্যুরোগে শায়িত অবস্থায় হযরত উসমান গনী রা. তাঁকে দেখতে এলে তিনি বলেছিলেন যে তিনি তাঁর রবের দয়া ও অনুগ্রহের আশা রাখছেন। তিনি তাঁর সন্তানদের জন্য ভাতার পরিবর্তে প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া তিলাওয়াতের অসিয়ত করে যান। ৪৫৭
টিকাঃ
৪৫৭. উসদুল গাবা, ৩/২৬৫, ২৬৬।
📄 মহাবীর খালিদ ইবনে ওয়ালিদ রা.
ইসলামের বিখ্যাত সেনাপতি খালিদ ইবনে ওয়ালিদ রা. মৃত্যুশয্যায় হতাশ কণ্ঠে বলেছিলেন যে তিনি রণাঙ্গনে শাহাদাত কামনা করলেও আজ বিছানায় মারা যাচ্ছেন। তিনি তাঁর অস্ত্র ও ঘোড়া আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে যাওয়ার ওসিয়ত করেন। ৪৫৮
টিকাঃ
৪৫৮. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৬/১২৪।