📘 গুনাহমুক্ত জীবন 📄 শাহাদাতের সময় হযরত আলী রা.-এর বিচক্ষণতা

📄 শাহাদাতের সময় হযরত আলী রা.-এর বিচক্ষণতা


আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী রা. ঘাতক ইবনে মুলজিম এর আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে যখন বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখন তিনি হযরত হাসান ও হুসাইন রা.-কে গুরুত্বপূর্ণ ওসিয়ত করেন। তিনি সন্তানদের ও উম্মতকে আল্লাহকে ভয় করার, ঈমানের ওপর অটল থাকার এবং আল্লাহর রজ্জু শক্তভাবে ধারণ করার নির্দেশ দেন। তিনি আত্মীয়স্বজন, এতিম ও প্রতিবেশীদের অধিকারের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করার বিশেষ তগিদ দেন। সবশেষে হযরত আলী রা. বারবার কালিমায়ে তাইয়িবা পাঠ করতে করতে এবং সূরা যিলযালের আয়াত ‘ফামান ইয়ামাল মিছকালা যাররাতিন খয়রাই ইয়ারাহ...’ পাঠ করতে করতে ইন্তিকাল করেন। ৪৫৪

টিকাঃ
৪৫৪. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭/৩০৫।

📘 গুনাহমুক্ত জীবন 📄 হযরত হাসান রা.-এর মৃত্যু

📄 হযরত হাসান রা.-এর মৃত্যু


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কলিজার টুকরা হযরত হাসান রা.-কে যখন বিষ পান করানো হলো, তখন তিনি আল্লাহর কুদরত নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে চাইলেন। তিনি আল্লাহর রহমতের ওপর পূর্ণ আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন। যখন বিষের ক্রিয়া তীব্র হলো, তখন ছোটভাই হযরত হুসাইন রা.-কে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, ‘ভাইজান, আপনার রূহ শরীর থেকে আলাদা হয়ে গেলেই আপনি বাবা হযরত আলী রা., মা হযরত ফাতেমা রা., নানাজান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং নানী হযরত খাদিজা রা.-এর সাক্ষাৎ লাভে ধন্য হবেন।’ এই সান্ত্বনাবাণী শুনে তিনি কাঁদতে শুরু করেন এবং ইন্তিকাল করেন। ৪৫২

টিকাঃ
৪৫২. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭/৪৬৩।

📘 গুনাহমুক্ত জীবন 📄 হযরত হুসাইন রা.-এর মর্মান্তিক শাহাদাত

📄 হযরত হুসাইন রা.-এর মর্মান্তিক শাহাদাত


শাহাদাতের পূর্বে হযরত হুসাইন রা. জালেম বাহিনীকে সম্বোধন করে বলেছিলেন, ‘তোমরা কি আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছ? আল্লাহর কসম! আমার পর তোমরা এমন কাউকে হত্যা করতে পারবে না, আল্লাহর নিকট যার হত্যা অধিক ক্ষতির কারণ হবে।’ হযরত হুসাইন রা.-এর পরিবারের সদস্যরা একে একে শাহাদাত বরণ করলেন। অবশেষে শমর ইবনে যিল জাওশানের প্ররোচনায় সিনান ইবনে আনাস হযরত হুসাইন রা.-কে শহিদ করে। ৪৫৩

টিকাঃ
৪৫৩. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭/৩৮৫।

📘 গুনাহমুক্ত জীবন 📄 হযরত সাআদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা.-এর মৃত্যু

📄 হযরত সাআদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা.-এর মৃত্যু


হযরত সাআদ ইবনে আবি ওয়াক্কাসের মৃত্যুর সময় তাঁর ছেলে কাঁদতে শুরু করলে তিনি বললেন, “বেটা, কাঁদছ কেন? আল্লাহর কসম! আমার প্রতিপালক কখনও আমাকে আযাব দেবেন না। আমি জান্নাতী লোকদের অন্তর্ভুক্ত।” কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করেছিলেন। ৪৫৪

টিকাঃ
৪৫৪. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭/১৪৪।

ফন্ট সাইজ
15px
17px