📄 সাআদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা.-এর উপর অপবাদ আরোপকারীদের পরিণাম
হযরত সাআদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. মুসতাজাবুদ দাওয়া সাহাবী ছিলেন। কূফার এক ব্যক্তি তাঁর নামে অপবাদ দেয় যে তিনি ন্যায়-পরায়ণতা বজায় রাখেন না। হযরত সাআদ রা. বদদোয়া করেন, 'হে আল্লাহ, যদি এই ব্যক্তি মিথ্যাবাদী হয়, তবে তাকে দীর্ঘ হায়াত দিন, তাকে অভাবী করুন এবং তাকে ফিতনায় ফেলুন।' বর্ণনাকারী বলেন, 'পরবর্তী সময়ে আমি তাকে এমন অবস্থায় দেখেছি যে বার্ধক্যের ভারে তার ভ্রু চোখের উপর এসে পড়েছিল এবং সে রাস্তায় মেয়েদের উত্ত্যক্ত করত।' ৪৩৯
টিকাঃ
৪৩৯. বুখারী, ১/১০৪; মুজাবাতুত দাওয়াহ, ৫২।
📄 সাহাবায়েকেরামের নিন্দাকারীদের প্রতি হযরত সাআদ রা.-এর বদদোয়া
হযরত আমের ইবনে সা’দ রা. বলেন, ‘আব্বাজান সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. দেখলেন এক ব্যক্তি হযরত তালহা, আলী ও হযরত যুবাইর রা.-এর প্রতি অভিসম্পাত করছে। আব্বাজান ওযু করে দু-রাকাত নামায পড়ে দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ, যদি এই লোকটি তোমার নেককার বান্দাদের অভিশাপ দিয়ে থাকে, তবে তাকে আজকেই শিক্ষণীয় নিদর্শন বানিয়ে দাও।” দোয়া শেষ হতে না হতেই একটি পাগল উট ছুটে এসে ঐ লোকটিকে আক্রমণ করে এবং তাকে পিষে মেরে ফেলে।’ ৮২০
আল্লাহর ওলীদের কষ্ট দেওয়া অশুভ মৃত্যুর অন্যতম কারণ। হাদিসে কুদসীতে এসেছে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কোনো ওলীর সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা করি।’ ৮২১
টিকাঃ
৮২০. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭/১৭০।
৮২১. বুখারী, ২/৯৬০।