📄 শ্রোতার সম্মান বজায় রাখা
আলোচনা কিংবা বক্তব্য প্রদানের সময় এমন কোনো কথা না বলা, যাতে ভ্রাতার মানহানি হয় এবং মনোকষ্টের কারণ হয়। বক্তৃতাকালে এ জাতীয় অনর্থক কথা অন্তরে সংকীর্ণতা ও ঘৃণার উদ্রেক করে। প্রত্যেকের স্বতন্ত্র ইজ্জত-সম্মান আছে। যে ব্যক্তি এসব বিষয়ের প্রতি যত্নবান নয়, সে যত বড়ই হোক না কেন, অন্যের দৃষ্টিতে সে হেয় ও নীচ হয়ে যায়। হযরত বিলাল ইবনে সাআদ রহ. বলেন, যখন এমন কাউকে দেখো, যে পেঁচিয়ে কথা বলে, ঝগড়ুটে মনোভাব রাখে, নিজের মতকে সঠিক জ্ঞান করে, তা হলে বুঝে নেবে সে ধ্বংসের চূড়ান্ত সীমায় উত্তীর্ণ। ১৯৫
টিকাঃ
195. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
আলোচনা কিংবা বক্তব্য প্রদানের সময় এমন কোনো কথা না বলা, যাতে ভ্রাতার মানহানি হয় এবং মনোকষ্টের কারণ হয়। বক্তৃতাকালে এ জাতীয় অনর্থক কথা অন্তরে সংকীর্ণতা ও ঘৃণার উদ্রেক করে। প্রত্যেকের স্বতন্ত্র ইজ্জত-সম্মান আছে। যে ব্যক্তি এসব বিষয়ের প্রতি যত্নবান নয়, সে যত বড়ই হোক না কেন, অন্যের দৃষ্টিতে সে হেয় ও নীচ হয়ে যায়। হযরত বিলাল ইবনে সাআদ রহ. বলেন, যখন এমন কাউকে দেখো, যে পেঁচিয়ে কথা বলে, ঝগড়ুটে মনোভাব রাখে, নিজের মতকে সঠিক জ্ঞান করে, তা হলে বুঝে নেবে সে ধ্বংসের চূড়ান্ত সীমায় উত্তীর্ণ। ১৯৫
টিকাঃ
195. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।