📄 ওজর তালাশ করা
কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে স্বভাববিরোধী কোনো কথা বা কাজ প্রকাশ পেলে যথাসাধ্য এর পেছনে কোনো ওজর তালাশ করবে। যেমন: হয়তো কোনো কল্যাণের জন্যই সে এ কাজ করেছে, হয়তো সে অপারগ ছিল ইত্যাদি। তার ফিকিরে ভালো দৃষ্টিতে দেখার কারণে ইনশাআল্লাহ তার জন্য হৃদয়ে ঘৃণা সৃষ্টি হবে না। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন ও আবূ কালাবা রহ. বলেন, যদি তোমার ভাইয়ের পক্ষ থেকে কোনো অযাচিত কাজ প্রকাশ পেতে দেখ, তা হলে তার অপারগতা খোঁজ করবে। যদি কোনো অপারগতা খুঁজে না পাও, তা হলে এ কথা বলবে যে, হয়তো সে কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে, যা আমার জানা নেই। ১৯০
টিকাঃ
190. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে স্বভাববিরোধী কোনো কথা বা কাজ প্রকাশ পেলে যথাসাধ্য এর পেছনে কোনো ওজর তালাশ করবে। যেমন: হয়তো কোনো কল্যাণের জন্যই সে এ কাজ করেছে, হয়তো সে অপারগ ছিল ইত্যাদি। তার ফিকিরে ভালো দৃষ্টিতে দেখার কারণে ইনশাআল্লাহ তার জন্য হৃদয়ে ঘৃণা সৃষ্টি হবে না। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন ও আবূ কালাবা রহ. বলেন, যদি তোমার ভাইয়ের পক্ষ থেকে কোনো অযাচিত কাজ প্রকাশ পেতে দেখ, তা হলে তার অপারগতা খোঁজ করবে। যদি কোনো অপারগতা খুঁজে না পাও, তা হলে এ কথা বলবে যে, হয়তো সে কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে, যা আমার জানা নেই। ১৯০
টিকাঃ
190. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
📄 ভুল-ত্রুটি দেখেও না-দেখার ভান করা
অন্তরকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আবশ্যক হলো, অন্যের ত্রুটি সন্ধানে লিপ্ত না হওয়া, বরং নিজের কাজে মগ্ন থাকা। হযরত আবূ দারদা রা. বলেন, যে ব্যক্তি অন্যের প্রত্যেক কাজের পেছনে পড়ে, তার পেরেশানী বেড়ে যায় এবং রাগ দমিত হয় না। ১৯১
প্রথমত অন্যের ত্রুটি জানার চেষ্টা করবে না। কোনো কারণে জেনে গেলে বাস্তবতা যাচাইয়ের পেছনে পড়বে না এবং যথাসাধ্য দেখেও না-দেখার ভান করবে। ইমাম শাফেয়ী রহ. বলেন, জ্ঞানী ও বিচক্ষণ হলো ঐ ব্যক্তি, যে মেধাবী এবং অন্যের দোষ-ত্রুটি সম্পর্কে বেখবর। ১৯২
বাস্তবতই দোষ-ত্রুটি দেখেও না দেখাই হলো শান্তির মূল কেন্দ্রবিন্দু। কারণ, দুনিয়ার কেউ-ই ত্রুটিমুক্ত নয়। যদি সকলেই ত্রুটির সন্ধানে নেমে পড়ে, তা হলে ত্রুটিমুক্ত কাউকে পাওয়া যাবে না। হযরত ফুযাইল ইবনে ইয়ায রহ. বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি এমন বন্ধু খোঁজে যে সম্পূর্ণরূপে ত্রুটি থেকে মুক্ত, তা হলে সে সারাজীবন বন্ধুহীন থাকবে। ১৯৪
টিকাঃ
191. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
192. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
193. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
194. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬০।
অন্তরকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আবশ্যক হলো, অন্যের ত্রুটি সন্ধানে লিপ্ত না হওয়া, বরং নিজের কাজে মগ্ন থাকা। হযরত আবূ দারদা রা. বলেন, যে ব্যক্তি অন্যের প্রত্যেক কাজের পেছনে পড়ে, তার পেরেশানী বেড়ে যায় এবং রাগ দমিত হয় না। ১৯১
প্রথমত অন্যের ত্রুটি জানার চেষ্টা করবে না। কোনো কারণে জেনে গেলে বাস্তবতা যাচাইয়ের পেছনে পড়বে না এবং যথাসাধ্য দেখেও না-দেখার ভান করবে। ইমাম শাফেয়ী রহ. বলেন, জ্ঞানী ও বিচক্ষণ হলো ঐ ব্যক্তি, যে মেধাবী এবং অন্যের দোষ-ত্রুটি সম্পর্কে বেখবর। ১৯২
বাস্তবতই দোষ-ত্রুটি দেখেও না দেখাই হলো শান্তির মূল কেন্দ্রবিন্দু। কারণ, দুনিয়ার কেউ-ই ত্রুটিমুক্ত নয়। যদি সকলেই ত্রুটির সন্ধানে নেমে পড়ে, তা হলে ত্রুটিমুক্ত কাউকে পাওয়া যাবে না। হযরত ফুযাইল ইবনে ইয়ায রহ. বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি এমন বন্ধু খোঁজে যে সম্পূর্ণরূপে ত্রুটি থেকে মুক্ত, তা হলে সে সারাজীবন বন্ধুহীন থাকবে। ১৯৪
টিকাঃ
191. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
192. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
193. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
194. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬০।
📄 শ্রোতার সম্মান বজায় রাখা
আলোচনা কিংবা বক্তব্য প্রদানের সময় এমন কোনো কথা না বলা, যাতে ভ্রাতার মানহানি হয় এবং মনোকষ্টের কারণ হয়। বক্তৃতাকালে এ জাতীয় অনর্থক কথা অন্তরে সংকীর্ণতা ও ঘৃণার উদ্রেক করে। প্রত্যেকের স্বতন্ত্র ইজ্জত-সম্মান আছে। যে ব্যক্তি এসব বিষয়ের প্রতি যত্নবান নয়, সে যত বড়ই হোক না কেন, অন্যের দৃষ্টিতে সে হেয় ও নীচ হয়ে যায়। হযরত বিলাল ইবনে সাআদ রহ. বলেন, যখন এমন কাউকে দেখো, যে পেঁচিয়ে কথা বলে, ঝগড়ুটে মনোভাব রাখে, নিজের মতকে সঠিক জ্ঞান করে, তা হলে বুঝে নেবে সে ধ্বংসের চূড়ান্ত সীমায় উত্তীর্ণ। ১৯৫
টিকাঃ
195. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।
আলোচনা কিংবা বক্তব্য প্রদানের সময় এমন কোনো কথা না বলা, যাতে ভ্রাতার মানহানি হয় এবং মনোকষ্টের কারণ হয়। বক্তৃতাকালে এ জাতীয় অনর্থক কথা অন্তরে সংকীর্ণতা ও ঘৃণার উদ্রেক করে। প্রত্যেকের স্বতন্ত্র ইজ্জত-সম্মান আছে। যে ব্যক্তি এসব বিষয়ের প্রতি যত্নবান নয়, সে যত বড়ই হোক না কেন, অন্যের দৃষ্টিতে সে হেয় ও নীচ হয়ে যায়। হযরত বিলাল ইবনে সাআদ রহ. বলেন, যখন এমন কাউকে দেখো, যে পেঁচিয়ে কথা বলে, ঝগড়ুটে মনোভাব রাখে, নিজের মতকে সঠিক জ্ঞান করে, তা হলে বুঝে নেবে সে ধ্বংসের চূড়ান্ত সীমায় উত্তীর্ণ। ১৯৫
টিকাঃ
195. শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী, ৬/৩৬১।