📘 গুনাহমুক্ত জীবন 📄 যদি আল্লাহর জন্য তিলাওয়াতকারী হাফেয পাওয়া না যায়?

📄 যদি আল্লাহর জন্য তিলাওয়াতকারী হাফেয পাওয়া না যায়?


অনেক সময় এমন কথা বলা হয় যে, যদি বিনিময় দেওয়া না হয় তা হলে খতম তারাবীহ পড়ানোর জন্য হাফেয পাওয়া যাবে না। অথচ এর উত্তর ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছে যে, খতম তারাবীহ পড়া জরুরি নয়। আর দ্বিতীয়ত হাফেয পাওয়া না যাওয়ার বিষয়টি অমূলক। বরং এর বিপরীতে বলা যায়, যদি তারাবীর বিনিময় প্রথাটি শক্তভাবে বন্ধ করা হয়, তবে হাফেযদের মাঝে ইখলাস সৃষ্টি হবে এবং যোগ্য হাফেয পাওয়া যাবে। যারা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরআন তিলাওয়াত করবে। এতে মুসল্লিদের মাঝেও কুরআনের প্রতি গভীর মহব্বত সৃষ্টি হবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সঠিক বিষয়টি বোঝার তাওফিক দান করুন। আমিন।

📘 গুনাহমুক্ত জীবন 📄 তিলাওয়াত ও অন্যান্য দীনি কাজের বিনিময়ের মাঝে পার্থক্য

📄 তিলাওয়াত ও অন্যান্য দীনি কাজের বিনিময়ের মাঝে পার্থক্য


তিলাওয়াত ও অন্যান্য দীনী কাজের বিনিময়ের মাঝে পার্থক্য বুঝতে হলে দেখতে হবে যে, কুরআন তিলাওয়াত একটি মৌলিক ইবাদত, যা কেবল আল্লাহর জন্য হতে হয়। পক্ষান্তরে অন্যান্য দীনী কাজ যেমন: শিক্ষকতা বা ফাতওয়া প্রদান ইত্যাদি কাজসমূহের ক্ষেত্রে উলামায়েকেরাম বিনিময় গ্রহণ করার অনুমতি দিয়েছেন। এর মূল কারণ হলো, যদি এসকল কাজের জন্য বিনিময় নির্ধারণ করা না হয়, তা হলে দ্বীনের মৌলিক স্তম্ভগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মুতাআখখিরিন বা পরবর্তী যুগের উলামায়েকেরাম এই প্রয়োজনের দিকে লক্ষ রেখে এসকল কাজের জন্য বেতন বা বিনিময় গ্রহণ বৈধ বলেছেন। তবে কুরআন তিলাওয়াত বা তারাবীর বিষয়টি এর ব্যতিক্রম। কারণ খতম তারাবীহ না পড়ার দরুন দ্বীনের কোনো ভিত্তি ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা নেই।

📘 গুনাহমুক্ত জীবন 📄 অন্যায় কাজে সহযোগিতা করে উপার্জন

📄 অন্যায় কাজে সহযোগিতা করে উপার্জন


অন্যান্য কাজে সহযোগিতা করে উপার্জন করতে গিয়েও শরয়ী সীমারেখার প্রতি লক্ষ রাখা জরুরি। যে কাজে সরাসরি গুনাহের সম্পৃক্ততা থাকে অথবা গুনাহের কাজে সহযোগিতা হয়, এমন কাজের বিনিময় গ্রহণ করা নাজায়েয। উদাহরণস্বরূপ: সুদি প্রতিষ্ঠানের হিসাব রাখা, মদের দোকানে চাকরি করা কিংবা গান-বাজনার সরঞ্জাম তৈরি করা ইত্যাদি। এ সকল কাজের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ হারাম বলে গণ্য হবে। আমাদের উচিত সকল প্রকার সন্দেহযুক্ত উপার্জন থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর দেওয়া হালাল রিজিকের ওপর সন্তুষ্ট থাকা। এতেই ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণ নিহিত।

ফন্ট সাইজ
15px
17px