📘 গুনাহমুক্ত জীবন 📄 যবানের গুনাহসমূহ

📄 যবানের গুনাহসমূহ


যবানের মাধ্যমে যেসব গুনাহ প্রকাশ পায় অথবা যবান যেসব গুনাহের কারণ হয়, তা অসংখ্য। এসব গুনাহ একত্রে লিপিবদ্ধ করা খুব কঠিন। এতদসত্ত্বেও ইমাম গাযালী রহ. ইয়াহ্ইয়াউল উলূম গ্রন্থে মানুষ যবানের কারণে যেসব গুনাহে লিপ্ত হয়, সেগুলোকে ২৩টি শিরোনামে একত্র করার চেষ্টা করেছেন। নিম্নে সেসব গুনাহ ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করা হলো : ১. অপ্রয়োজনে কথা বলা। ২. প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা বলা। ৩. হারাম জিনিসের পর্যালোচনা করা— যেমন: চলচ্চিত্রের কাহিনি, ফাসেকদের মজলিসের আলোচনা ইত্যাদি। ৪. ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হওয়া। ৫. অন্যকে হেয় করার উদ্দেশ্যে চিৎকার ট্যাঁচামেচি করা। ৬. অশ্লীল কথাবার্তা বলা। ৭. উসকানিিমূলক কথাবার্তা বলা। ৮. অন্যকে অভিশাপ দেওয়া। ৯. অবৈধ হাসিঠাট্টা করা। ১০. গান গাওয়া, অশ্লীল কবিতা আবৃত্তি করা। ১১. অন্যকে বিদ্রূপ করা। ১২. অন্যের গোপন বিষয় প্রকাশ করা। ১৩. মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া। ১৪. মিথ্যা বলা। ১৫. কারও নিন্দা করা (গিবত করা)। ১৬. পরনিন্দা করা। ১৭. দু'মুখো কথা বলা। ১৮. অন্যের প্রশংসা করা। ১৯. নিজের গুনাহের ব্যাপারে উদাসীন থাকা। ২০. সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন কথা বলা, যা তাদের বুঝা-ক্ষমতার ঊর্ধ্বে (যেমন: তাকদির, আল্লাহর সত্তা ইত্যাদি)। ৮৮

এ সমস্ত গুনাহ সাধারণত যবানের অসংযততার কারণে প্রকাশ পায়। আল্লাহ তায়ালার প্রতি লজ্জাবানত হওয়ার জন্য নিজেকে এ সকল গুনাহ থেকে পবিত্র রাখা জরুরি।

টিকাঃ
৮৮. ইয়াহ্ইয়াউল উলূম, তৃতীয় খণ্ড।

ফন্ট সাইজ
15px
17px