📄 আল্লাহর রহমতের আশা যেন তামাশা না হয়
সুতরাং যদি গুনাহের সঙ্গে পেছনের পাঁচ আচরণ দেখাতে পারি, বিশেষ করে প্রথম আচরণ অর্থাৎ যদি তাওবা করার তাওফীক হয় তবে আল্লাহর রহমত থেকে নৈরাশ হব না। কেননা ওলামায়ে কেরাম বলেছেন, অতীত গুনাহ থেকে তাওবা করার পর আল্লাহর রহমত থেকে নৈরাশ হওয়াটাও এক প্রকার গুনাহ।
পক্ষান্তরে যদি পিছনের পাঁচ আচরণ দেখাতে না পারি বিশেষ করে তাওবা করতে না পারি তবে আল্লাহর আযাবের ভয় থেকে কখনো পালাব না। কেননা তাওবা না করে কবিরা গুনাহ মাফ হয়ে যাওয়ার আশা করাটা আল্লাহর রহমতের আশা নয়; বরং হাকিমুল উম্মত থানভী রহ. বলেন এটা আল্লাহর রহমতের সঙ্গে তামাশা। এ কারণেই কুরআন মজিদের বিভিন্ন স্থানে এই উভয় দিককে এক সঙ্গেই বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন
نَبِّئْ عِبَادِي أَنِّي أَنَا الْغَفُورُ الرَّحِيمُ وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ الْعَذَابُ الأَلِيمُ
অর্থাৎ আমার বান্দাদের বলে দাও, নিশ্চয় আমিই চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু এবং আমার শাস্তিই হল অতি মর্মন্তুদ শাস্তি। ২৬
আল্লাহ আমাদেরকে গুনাহের সঙ্গে উক্ত ছয়টি আচরণ দেখানোর তাওফীক দান করুন আমীন।
وَآخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينِ
টিকাঃ
২৬ সূরা হিজর : ৪৯-৫০