📄 আল্লাহর ভয়ে চোখের পানি দানের ফজিলত
আল্লাহর ভয়ে চোখের পানি তো এমন দৌলত যে, এক ফোটা দিবেন জাহান্নামের আগুন মাফ, গাল পর্যন্ত আসবে কেয়ামতের ময়দানে শাস্তি মাফ হয়ে যাবে। দাড়ি ভিজবে আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের ময়দানে বেইজ্জত করবেন না। জমিন ভিজবে ওই চেহারা কেয়ামতের ময়দানে ক্লান্ত-শ্রান্ত হবে না। অনিচ্ছায় হেঁচকি দিয়ে কান্না চলে এসেছে তাহলে এর উসিলায় মজলিসের সবাইকে আল্লাহ মাফ করে দিবেন।
এই যে আমি চোখের পানি সম্পর্কে কথাগুলো বলেছি সব কথা হাদীস থেকেই।
📄 ইস্তেগফারের ফায়দা
যাই হোক, গুনাহের সঙ্গে আমাদের প্রথম আচরণ হবে তাওবা করা। আর তাওবা সহজ করার জন্য অধিকহারে ইস্তেগফার করতে হবে। যার জিন্দেগীতে ইস্তেগফার নেই তার তাওবা নসীব হয় না।
ইস্তেগফারের ফায়দা এত বেশি যে, বলে শেষ করা যাবে না। যুবকেরা অনেক সময় বেকারত্বের টেনশনে থাকে, বিভিন্ন ধরনের পেরেশানিতে থাকে ইস্তেগফার করলে আল্লাহ এগুলোও দূর করে দেন। হাদীসে এসেছে, আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত নবীজী ﷺ বলেন
مَنْ لَزِمَ الِاسْتِغْفَارَ جَعَلَ اللهُ لَهُ مِنْ كُلِّ ضِيقٍ مَخْرَجًا ، وَمِنْ كُلِّ هَم فَرَجًا ، وَرَزَقَهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ
যে ব্যক্তি সর্বদা ইস্তেগফার করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে প্রতিটি চিন্তা হতে মুক্ত করে দিবেন, প্রতিটি সংকীর্ণতা হতে তার বেরিয়ে আসার পথ তৈরি করে দিবেন এবং তাকে বেহিসাব রিজিক দান করবেন। ১৬
টিকাঃ
১৬ আবু দাউদ : ১৫১৮
📄 দুই. গুনাহকে ছোট করে না দেখা
গুনাহের সঙ্গে আমাদের দ্বিতীয় যে আচরণ দেখাতে হবে তা হল, যদি কোনো গুনাহ হয়ে যায় তখন এটাকে বিশাল দুর্ঘটনা মনে করবো। আপনি যত বেশি এ মানসিকতা লালন করতে পারবেন গুনাহ-টা তত হালকা হয়ে যাবে।
📄 শত্রুকে কখনও ছোট করে দেখতে নেই
গুনাহ হল আমাদের শত্রু। শত্রুর ক্ষেত্রে যুদ্ধের কৌশল হল শত্রুকে কখনও ছোট করে দেখতে নেই। শত্রুকে হালকা করে দেখলে সে শক্তি সঞ্চয় করে পুনরায় আক্রমণ করার সুযোগ পেয়ে যায়। আর শত্রুকে বড় করে দেখলে সে এ সুযোগটা পায় না। কারণ আপনি তখন সম্পূর্ন সতর্ক।
একটা ছোট সাপের বাচ্চা, আদর করে মারলেন না। কিন্তু যদি সে কামড় দেয় তাহলে?
এ জন্যই গুনাহের ক্ষেত্রে আমাদের আচরণ হবে এমন যে, কোনো গুনাহকেই আমরা ছোট মনে করবো না। হালকা করে দেখবো না।
হাদীসে এসেছে নবীজী ﷺ বলেন
إياكم ومُحَقَّرات الذنوب
তুমি ওই সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকো যেগুলোকে ছোট বলে ধারণা করা হবে। ১৭
টিকাঃ
১৭ সহিহ আলজামি : ২৬৮৬