📘 গুনাহ থেকে ফিরে আসুন > 📄 বদকার বিজয়ী ও মুমিন পরাজিত হয়ে যাবে

📄 বদকার বিজয়ী ও মুমিন পরাজিত হয়ে যাবে


ইমাম আহমাদ বিন হাম্বال রহিমাহুল্লাহ সাইয়িদুনা উমর বিন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উক্তিকে নকল করেন- আমার আশংকা হয় যে, আবাদ বসতিগুলো বরবাদ না হয়ে যায়। অতঃপর বলেন- এটা ঐ সময় হবে যখন এই বসতিগুলোর ফাসেক-পাপি লোক তাদের নেককার ব্যক্তিদের ওপর গালেব হবে বিজয়ী হবে এবং গোত্রগুলোর নেতৃত্ব তাদের হাত থেকে মুনাফিকদের হাতে চলে যাবে।

ইমাম আওযায়ী রহিমাহুল্লাহ হাসান বিন আতিয়্যাহ থেকে আর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে নকল করেন যে, তিনি ইরশাদ করেন- অদূর ভবিষ্যতে আমার উম্মতের খারাপ লোকেরা নেককার লোকদের ওপর প্রাধান্য লাভ করবে। আর যেমনিভাবে আজ (অর্থাৎ নবীর যুগে) আমাদের যুগে আমাদের মাঝেই মুনাফিক লুকিয়ে থাকে। (আল্লাহ ও তাঁর রাসূল বলা ব্যতীত যাকে চেনা যেত না) এমনিভাবে (ঐযুগে) তাদের মধ্যে মুমিনরা লুকিয়ে থাকবে। (যাদেরকে চেনা যাবে না)

📘 গুনাহ থেকে ফিরে আসুন > 📄 ধ্বংসকারী গুনাহ, যেগুলোকে অতি তুচ্ছ মনে করা হয়

📄 ধ্বংসকারী গুনাহ, যেগুলোকে অতি তুচ্ছ মনে করা হয়


সহীহ বুখারীতে (তাবিয়িনদেরকে খেতাব করে) সাইয়িদুনা আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কথা বর্ণিত আছে, তোমরা এমন কাজ করো, যা তোমাদের দৃষ্টিতে চুলের চেয়ে বেশি চিকন বা পাতলা হয়। কিন্তু আমরা তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে ধ্বংসকারী কাজের মধ্যে গণনা করতাম।

ইমাম আবু নুআইম রহিমাহুল্লাহর কিতাব 'আলহিলইয়া, এর মধ্যে রয়েছে যে, একদিন সাইয়িদুনা হুযাইফাতুল ইয়ামান রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়াহুদি-নাসারারা কি তাদের দ্বীন পরিত্যাগ করেছে? তখন তিনি বললেন, না। কিন্তু বিষয়টি হলো, যখন কোনো বিষয়ের আদেশ দেওয়া হত তখন তারা তা করত না বরং ছেড়ে দিত। আর যখন কোনো বিষয় করা থেকে নিষেধারোপ করা হতো তখন তারা সেটি করতে শুরু করত। এভাবে তাদের মুআমালা এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছল যে, তারা তাদের দ্বীনকেই এভাবে খুলে ফেলে দিল, যেভাবে ব্যক্তি তার জামা খুলে নিক্ষেপ করে।

কোনো কোনো আসলাফ একটি কথা বলেছিলেন— পাপাচার কুফর পর্যন্ত পৌঁছে দেয়, যেভাবে চুম্বন ও আলিঙ্গন জিমা (সহবাস) পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। গান শুনা যিনা পর্যন্ত, নজর ও দৃষ্টি থেকে ইশক (অবৈধ ভালোবাসা) পর্যন্ত এবং অসুস্থতা থেকে মৃত্যুর ডাক পৌঁছে দেয়।

📘 গুনাহ থেকে ফিরে আসুন > 📄 অন্তরের ভেতর গুনাহর আলামত

📄 অন্তরের ভেতর গুনাহর আলামত


মুসনাদে ইমাম আহমদ ও জামে তিরমিজির মধ্যে আবু সালিহ এর রেওয়ায়াতে সাইয়িদুনা আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ণনা করেন' নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন' কোনো সন্দেহ নেই যখন মুমিন ব্যক্তি কোনো গুনাহ করে তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে যায়। যদি সে তাওবা ও ইসতিগফার করে নেয়, তাহলে তার অন্তর স্ফটিকের ন্যায় স্বচ্চ হয়ে যায়। আর যদি গুনাহ বাড়তে থাকে, তাহলে এই কালো দাগও বাড়তে থাকে। এমনকি তার অন্তর (অন্য সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর) প্রভাব বিস্তার করে। অতএব এটিই হলো ঐ জং, যার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারীমের মধ্যে আলোচনা

সাইয়িদুনা হুযাইফা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর উক্তি—

'যখন বান্দা কোনো গুনাহ করে তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে যায়। (আর তা বাড়তে থাকে) এমনকি এক পর্যায়ে তার অন্তর কালো রঙয়ের বকরির মত হয়ে যায়।'

📘 গুনাহ থেকে ফিরে আসুন > 📄 গুনাহের ক্ষতিসমূহ

📄 গুনাহের ক্ষতিসমূহ


গুনাহের মারাত্মক পর্যায়ের ও নিন্দনীয় প্রকারের আলামত থাকে। যা অন্তর ও শরীরের জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতে মারাত্মক ক্ষতিকর। যা আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কেউ জানতে পারবে না। (যে তা কেমন লাগে) সেগুলো থেকে কতিপয় ক্ষতিসমূহের বর্ণনা নিম্নে পেশ করা হলো-

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00