📘 গুনাহ থেকে ফিরে আসুন > 📄 আসমানের নিচে সবচেয়ে নিকৃষ্ট গুনাহগারদের আলামত

📄 আসমানের নিচে সবচেয়ে নিকৃষ্ট গুনাহগারদের আলামত


ইবনু আবিদ দুনিয়া জাফর বিন হামাদ থেকে আর তিনি স্বীয় পিতার ও দাদার কাছ থেকে রেওয়ায়াত করেন যে, হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ইরশাদ করেন, মানুষের ওপর এমন এক যুগ আসবে যখন ইসলাম কেবলমাত্র রেওয়াজ-রীতিনীতি হিসেবে আর কুরআন কেবল নামেই অবশিষ্ট থাকবে। ঐ যুগের মুসলমানদের মসজিদগুলো হিদায়াত না থাকার কারণে বিরান হবে, আসমানের ছাদের নিচে তামাম মাখলুকের মধ্য থেকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হবে তাদের আলেমরা। ফিতনা তাদের থেকেই বের হবে আর তাদের কাছেই ফেরত আসবে।

ইবনু আবিদ দুনিয়া জাফর বিন হামাদ থেকে আর তিনি স্বীয় পিতার ও দাদার কাছ থেকে রেওয়ায়াত করেন যে, হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ইরশাদ করেন, মানুষের ওপর এমন এক যুগ আসবে যখন ইসলাম কেবলমাত্র রেওয়াজ-রীতিনীতি হিসেবে আর কুরআন কেবল নামেই অবশিষ্ট থাকবে। ঐ যুগের মুসলমানদের মসজিদগুলো হিদায়াত না থাকার কারণে বিরান হবে, আসমানের ছাদের নিচে তামাম মাখলুকের মধ্য থেকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হবে তাদের আলেমরা। ফিতনা তাদের থেকেই বের হবে আর তাদের কাছেই ফেরত আসবে।

📘 গুনাহ থেকে ফিরে আসুন > 📄 সুদ ও জেনার মত গুনাহ

📄 সুদ ও জেনার মত গুনাহ


সিমাক ইবনে হারব আবদুর রহমান থেকে আর তিনি তার পিতা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, যখন সুদ ও জেনা কোনো জনপদের মধ্যে ব্যাপক হয়ে যায় তখন আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ধ্বংস করার আদেশ দিয়ে দেন।

সিমাক ইবনে হারব আবদুর রহমান থেকে আর তিনি তার পিতা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, যখন সুদ ও জেনা কোনো জনপদের মধ্যে ব্যাপক হয়ে যায় তখন আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ধ্বংস করার আদেশ দিয়ে দেন।

📘 গুনাহ থেকে ফিরে আসুন > 📄 ধ্বংস ও বরবাদকারী গুনাহের আলামত

📄 ধ্বংস ও বরবাদকারী গুনাহের আলামত


মারাসিলুল হাসান এর মধ্যে রয়েছে, যখন মানুষের ইলমকে প্রকাশ করতে শুরু করবে (তাকাব্বর ও ফখরের সাথে বলবে যে, আমরা ইলমওয়ালা, লোকেরা তাদেরকে আল্লামা, ফাহহামা ইত্যাদি উপাধিতে ডাকতে থাকবে) এবং আমলকে নষ্ট করে বসবে (বে আমল ও বদ আমল হয়ে যাবে)। একে অপরের সাথে মুখের কথার দ্বারা ভালোবাসা প্রকাশ করতে শুরু করবে। অন্তরের মধ্যে অন্যের সাথে বিদ্বেষ রাখতে শুরু করবে এবং (আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার পরিবর্তে) একে অপরের সাথে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। তখন আল্লাহ তাআলা তাদের ওপর অভিশাপ দেন। তাদেরকে বধির করে দেন (যে তারা হক কথা শুনতে পারে না, সত্য কথা তাদের কানেই বাজে না) এবং তাদের দৃষ্টিকে অন্ধ বানিয়ে দেন (যে তাদের কাছে সত্য বিষয় দেখা যায় না, প্রস্ফুটিত হয়না)।

মারাসিলুল হাসান এর মধ্যে রয়েছে, যখন মানুষের ইলমকে প্রকাশ করতে শুরু করবে (তাকাব্বর ও ফখরের সাথে বলবে যে, আমরা ইলমওয়ালা, লোকেরা তাদেরকে আল্লামা, ফাহহামা ইত্যাদি উপাধিতে ডাকতে থাকবে) এবং আমলকে নষ্ট করে বসবে (বে আমল ও বদ আমল হয়ে যাবে)। একে অপরের সাথে মুখের কথার দ্বারা ভালোবাসা প্রকাশ করতে শুরু করবে। অন্তরের মধ্যে অন্যের সাথে বিদ্বেষ রাখতে শুরু করবে এবং (আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার পরিবর্তে) একে অপরের সাথে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। তখন আল্লাহ তাআলা তাদের ওপর অভিশাপ দেন। তাদেরকে বধির করে দেন (যে তারা হক কথা শুনতে পারে না, সত্য কথা তাদের কানেই বাজে না) এবং তাদের দৃষ্টিকে অন্ধ বানিয়ে দেন (যে তাদের কাছে সত্য বিষয় দেখা যায় না, প্রস্ফুটিত হয়না)।

📘 গুনাহ থেকে ফিরে আসুন > 📄 পাঁচটি খারাপ অভ্যাস ধারণকারী গুনাহগারদের আলামত

📄 পাঁচটি খারাপ অভ্যাস ধারণকারী গুনাহগারদের আলামত


সুনানে ইবনে মাজাহ এর মধ্যে সাইয়িদুনা আবদুল্লাহ বিন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীস রয়েছে যে, আমি মুহাজিরদের ঐ দশজনের জামাতের দশম ব্যক্তি ছিলাম, যারা রাসুলের নিকট (ইলম অর্জনের জন্য) থাকত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দিকে মনোনিবেশ করলেন আর বললেন—

হে মুহাজিরগণ, তোমরা পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। তবে আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যেন তোমরা তার সম্মুখীন না হও। (সেই পাঁটি বিষয় নিম্নে আলোচিত হলো)

(১) যখন কোন জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহামারী আকারে প্লেগরোগের প্রাদুর্ভাব হয়। তাছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয়, যা পূর্বেকার লোকদের মধ্যে কখনও দেখা যায়নি।

(২) যখন কোনো জাতি ওজন ও পরিমাপে কারচুপি করে তখন তাদের উপর নেমে আসে দুর্ভিক্ষ। কঠিন বিপদ-মুসীবত পতিত হয় এবং চাপিয়ে দেওয়া হয় জালেম বাদশাহ বা দূর্নীতিপরায়নশাসক।

(৩) যখন কোনো জাতি নিজেদের যাকাতের সম্পদ দেওয়া বন্ধ করে দেয় তখন আসমানের বৃষ্টি বর্ষণকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। আর যদি সেখানে চতুষ্পদ জন্তু না থাকত তাহলে কখনওই বৃষ্টি বর্ষণ করা হত না।

(৪) যখন কোনো জাতি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অঙ্গীকার ভঙ্গ করে, তখন আল্লাহ তাদের উপর তাদের বিজাতীয় দুশমনকে ক্ষমতাসীন করেন এবং সে তাদের সহায়-সম্পদ সবকিছু কেড়ে নেয়।

(৫) যখন তোমাদের শাসকবর্গ আল্লাহর কিতাব মোতাবেক মীমাংসা করে না এবং আল্লাহর নাজিলকৃত বিধানকে গ্রহণ করে না, তখন আল্লাহ তাদের পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধ বাধিয়ে দেন। ৪৮

টিকাঃ
48 ইবনু মাজাহ: ৪০১৯, মুসতাদরাক লিল হাকিম: ৪/৫৪

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00