📄 শেষ জামানায় গুনাহগারদের আলামত
হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন,
يَخْرُجُ فِي آخِرِ الزَّمَانِ رِجَالٌ يَخْتِلُونَ الدُّنْيَا بِالدِّينِ يَلْبَسُونَ لِلنَّاسِ جُلُودَ الضَّأْنِ مِنَ الدِّينِ الْسِنَتُهُمْ أَحْلَى مِنَ السُّكَرِ وَقُلُوبُهُمْ قُلُوبٌ الذِّئَابِ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَبِي يَغْتَرُونَ أَمْ عَلَيَّ يَجْتَرِئُونَ فَبِي حَلَفْتُ الأَبْعَثَنَّ عَلَى أُولَئِكَ مِنْهُمْ فِتْنَةً تَدَعُ الْحَلِيمَ مِنْهُمْ حَيْرَانًا"
শেষ যামানায় কিছু লোকের উদ্ভব হবে যারা পার্থিব স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ধর্মকে প্রতারণার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করবে। তারা জনগণের সামনে ভেড়ার চামড়ার মত কোমল পোশাক পরবে। তাদের মুখের ভাষা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি; কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ে বাঘের মত হিংস্র। আল্লাহ তাআলা তাদের বলবেন- তোমরা কি আমার বিষয়ে ধোঁকায় পড়ে আছ নাকি আমার প্রতি ধৃষ্টতা দেখাচ্ছ? আমার শপথ! আমি তাদের উপর তাদের মধ্য হতেই এমন বিপর্যয় আপতিত করব, যা তাদের খুবই সহনশীল ব্যক্তিদের পর্যন্ত হতবুদ্ধি ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে ছাড়বে। ৪৭
টিকাঃ
৪৭ জামি তিরমিযী: ২৪০৪
হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন,
يَخْرُجُ فِي آخِرِ الزَّمَانِ رِجَالٌ يَخْتِلُونَ الدُّنْيَا بِالدِّينِ يَلْبَسُونَ لِلنَّاسِ جُلُودَ الضَّأْنِ مِنَ الدِّينِ الْسِنَتُهُمْ أَحْلَى مِنَ السُّكَرِ وَقُلُوبُهُمْ قُلُوبٌ الذِّئَابِ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَبِي يَغْتَرُونَ أَمْ عَلَيَّ يَجْتَرِئُونَ فَبِي حَلَفْتُ الأَبْعَثَنَّ عَلَى أُولَئِكَ مِنْهُمْ فِتْنَةً تَدَعُ الْحَلِيمَ مِنْهُمْ حَيْرَانًا"
শেষ যামানায় কিছু লোকের উদ্ভব হবে যারা পার্থিব স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ধর্মকে প্রতারণার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করবে। তারা জনগণের সামনে ভেড়ার চামড়ার মত কোমল পোশাক পরবে। তাদের মুখের ভাষা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি; কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ে বাঘের মত হিংস্র। আল্লাহ তাআলা তাদের বলবেন- তোমরা কি আমার বিষয়ে ধোঁকায় পড়ে আছ নাকি আমার প্রতি ধৃষ্টতা দেখাচ্ছ? আমার শপথ! আমি তাদের উপর তাদের মধ্য হতেই এমন বিপর্যয় আপতিত করব, যা তাদের খুবই সহনশীল ব্যক্তিদের পর্যন্ত হতবুদ্ধি ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে ছাড়বে। ৪৭
টিকাঃ
৪৭ জামি তিরমিযী: ২৪০৪
📄 আসমানের নিচে সবচেয়ে নিকৃষ্ট গুনাহগারদের আলামত
ইবনু আবিদ দুনিয়া জাফর বিন হামাদ থেকে আর তিনি স্বীয় পিতার ও দাদার কাছ থেকে রেওয়ায়াত করেন যে, হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ইরশাদ করেন, মানুষের ওপর এমন এক যুগ আসবে যখন ইসলাম কেবলমাত্র রেওয়াজ-রীতিনীতি হিসেবে আর কুরআন কেবল নামেই অবশিষ্ট থাকবে। ঐ যুগের মুসলমানদের মসজিদগুলো হিদায়াত না থাকার কারণে বিরান হবে, আসমানের ছাদের নিচে তামাম মাখলুকের মধ্য থেকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হবে তাদের আলেমরা। ফিতনা তাদের থেকেই বের হবে আর তাদের কাছেই ফেরত আসবে।
ইবনু আবিদ দুনিয়া জাফর বিন হামাদ থেকে আর তিনি স্বীয় পিতার ও দাদার কাছ থেকে রেওয়ায়াত করেন যে, হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ইরশাদ করেন, মানুষের ওপর এমন এক যুগ আসবে যখন ইসলাম কেবলমাত্র রেওয়াজ-রীতিনীতি হিসেবে আর কুরআন কেবল নামেই অবশিষ্ট থাকবে। ঐ যুগের মুসলমানদের মসজিদগুলো হিদায়াত না থাকার কারণে বিরান হবে, আসমানের ছাদের নিচে তামাম মাখলুকের মধ্য থেকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হবে তাদের আলেমরা। ফিতনা তাদের থেকেই বের হবে আর তাদের কাছেই ফেরত আসবে।
📄 সুদ ও জেনার মত গুনাহ
সিমাক ইবনে হারব আবদুর রহমান থেকে আর তিনি তার পিতা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, যখন সুদ ও জেনা কোনো জনপদের মধ্যে ব্যাপক হয়ে যায় তখন আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ধ্বংস করার আদেশ দিয়ে দেন।
সিমাক ইবনে হারব আবদুর রহমান থেকে আর তিনি তার পিতা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, যখন সুদ ও জেনা কোনো জনপদের মধ্যে ব্যাপক হয়ে যায় তখন আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ধ্বংস করার আদেশ দিয়ে দেন।
📄 ধ্বংস ও বরবাদকারী গুনাহের আলামত
মারাসিলুল হাসান এর মধ্যে রয়েছে, যখন মানুষের ইলমকে প্রকাশ করতে শুরু করবে (তাকাব্বর ও ফখরের সাথে বলবে যে, আমরা ইলমওয়ালা, লোকেরা তাদেরকে আল্লামা, ফাহহামা ইত্যাদি উপাধিতে ডাকতে থাকবে) এবং আমলকে নষ্ট করে বসবে (বে আমল ও বদ আমল হয়ে যাবে)। একে অপরের সাথে মুখের কথার দ্বারা ভালোবাসা প্রকাশ করতে শুরু করবে। অন্তরের মধ্যে অন্যের সাথে বিদ্বেষ রাখতে শুরু করবে এবং (আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার পরিবর্তে) একে অপরের সাথে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। তখন আল্লাহ তাআলা তাদের ওপর অভিশাপ দেন। তাদেরকে বধির করে দেন (যে তারা হক কথা শুনতে পারে না, সত্য কথা তাদের কানেই বাজে না) এবং তাদের দৃষ্টিকে অন্ধ বানিয়ে দেন (যে তাদের কাছে সত্য বিষয় দেখা যায় না, প্রস্ফুটিত হয়না)।
মারাসিলুল হাসান এর মধ্যে রয়েছে, যখন মানুষের ইলমকে প্রকাশ করতে শুরু করবে (তাকাব্বর ও ফখরের সাথে বলবে যে, আমরা ইলমওয়ালা, লোকেরা তাদেরকে আল্লামা, ফাহহামা ইত্যাদি উপাধিতে ডাকতে থাকবে) এবং আমলকে নষ্ট করে বসবে (বে আমল ও বদ আমল হয়ে যাবে)। একে অপরের সাথে মুখের কথার দ্বারা ভালোবাসা প্রকাশ করতে শুরু করবে। অন্তরের মধ্যে অন্যের সাথে বিদ্বেষ রাখতে শুরু করবে এবং (আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার পরিবর্তে) একে অপরের সাথে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। তখন আল্লাহ তাআলা তাদের ওপর অভিশাপ দেন। তাদেরকে বধির করে দেন (যে তারা হক কথা শুনতে পারে না, সত্য কথা তাদের কানেই বাজে না) এবং তাদের দৃষ্টিকে অন্ধ বানিয়ে দেন (যে তাদের কাছে সত্য বিষয় দেখা যায় না, প্রস্ফুটিত হয়না)।