📄 কিয়ামতের দিনের ব্যাপারে মিথ্যাবাদিতার শাস্তি
এরা তো সে সব লোক যারা গুনাহ থেকে আঁচল বাঁচিয়ে নিজেদের কথা ও কাজের দ্বারা প্রমাণ করে যে, তাদেরকে আল্লাহর কাছে একদিন জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। কিন্তু যারা তাদের কথা ও কাজের দ্বারা পরকালে জবাবদিহিতার বিষয়টি মিথ্যাপ্রতিপন্ন করেছে, তাদের ভয়াবহ শাস্তির আলোচনা কুরআনে কারীম কয়েক জায়গায় করেছে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন-
﴿بَلْ كَذَّبُوا بِالسَّاعَةِ وَأَعْتَدْنَا لِمَن كَذَّبَ بِالسَّاعَةِ سَعِيرًا﴾
বস্তুত তারা কিয়ামত অস্বীকার করে আর যে কিয়ামতকে অস্বীকার করে, আমি তার জন্য অগ্নি প্রস্তুত করেছি।৩১
টিকাঃ
৩১ সূরা ফুরকান: ১১
📄 লজ্জা শরম না থাকা গুনাহে লিপ্ত হওয়ার বিশেষ কারণ
বর্তমান যুগে যেহেতু প্রচার মাধ্যম ও মিডিয়া জগতের ওপর ইহুদি- খ্রিস্টানদের প্রভাব, তারা মুসলিম দেশগুলোতে এমন এমন অশ্লীলতা ও ইসলামের শত্রুতা, আকিদা বিশ্বাসের মধ্যে দ্বিধা-সংশয় সৃষ্টিকারী প্রোগ্রাম প্রচার করছে, যা মুসলিম গোত্রগুলোকে তাহজিব তামাদ্দুনের সাথে সাথে ইসলামকেও ঘৃণার পাত্র বানিয়ে দিচ্ছে। বিপথগামী হওয়া, বিভিন্ন অন্যায়-অপরাধে জড়িত হওয়া, লজ্জা- শরম না থাকা, লুণ্ঠন-হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি এমন সব মারাত্মক গুনাহ ও অপরাধের কারণ হলো, এই সকল প্রচার মাধ্যম-মিডিয়া (টেলিভিশন, ডিশ, ভেসিয়ার, কেবল কানেকশন, ইন্টারনেট, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন ইত্যাদি)। এ কারণেই নিজেদের সন্তান- সন্ততিকে গুনাহের সাগরে নিক্ষেপকারী ও লজ্জা শরমের হত্যাকারী এই সকল মাধ্যম থেকে দূরে রাখা উচিত।
কারণ, আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারীমের মধ্যে ইরশাদ করেন-
يَأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا﴾
মুমিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর। ৩২
আর এমন যেন না হয়, গুনাহে প্ররোচনাকারী এই সব মাধ্যমগুলো ঘরে রেখে ঘরের শোভা বানায়-যা লজ্জা-শরমকে শেষ করে দেয়। আর এই লজ্জা-শরমের ব্যাপারেই রাসূলে আরাবী নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
اذا فاتك الحياء فافعل ما شئت
যখন তোমার কাছ থেকে লজ্জা-শরম খতম হয়ে যায়, তখন যা মনে চায় করতে থাক।
এই অর্থের রেওয়ায়াত সহীহ বুখারীতেও আছে। তিনি ইরশাদ করেন-
إِذَا لَمْ تَسْتَحْيِ فَافْعَلْ مَا شِئْتَ
যখন তুমি লজ্জা শরম না করো তাহলে যা মনে চায় তাই করতে থাক। ৩৩ (অর্থাৎ তোমার জন্য এখন আল্লাহ তাআলার মজবুত পাকড়াওটা বাকি রয়েছে)
সুতরাং জানা গেল, লজ্জা শরমের মাদ্দা শেষ হয়ে গেলে শয়তান মানুষের অন্তরের মধ্যে যে তীর ধনুক চালায় অর্থাৎ ওয়াসওয়াসা দেয়, তা-ই করতে থাকে। আর এভাবেই গ্রামে-গঞ্জে, শহরে, বন্দরে গুনাহ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
টিকাঃ
৩২ সূরা তাহরিম: ২
৩৩ সহীহ বুখারী: ৩৪৮৩
বর্তমান যুগে যেহেতু প্রচার মাধ্যম ও মিডিয়া জগতের ওপর ইহুদি- খ্রিস্টানদের প্রভাব, তারা মুসলিম দেশগুলোতে এমন এমন অশ্লীলতা ও ইসলামের শত্রুতা, আকিদা বিশ্বাসের মধ্যে দ্বিধা-সংশয় সৃষ্টিকারী প্রোগ্রাম প্রচার করছে, যা মুসলিম গোত্রগুলোকে তাহজিব তামাদ্দুনের সাথে সাথে ইসলামকেও ঘৃণার পাত্র বানিয়ে দিচ্ছে। বিপথগামী হওয়া, বিভিন্ন অন্যায়-অপরাধে জড়িত হওয়া, লজ্জা- শরম না থাকা, লুণ্ঠন-হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি এমন সব মারাত্মক গুনাহ ও অপরাধের কারণ হলো, এই সকল প্রচার মাধ্যম-মিডিয়া (টেলিভিশন, ডিশ, ভেসিয়ার, কেবল কানেকশন, ইন্টারনেট, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন ইত্যাদি)। এ কারণেই নিজেদের সন্তান- সন্ততিকে গুনাহের সাগরে নিক্ষেপকারী ও লজ্জা শরমের হত্যাকারী এই সকল মাধ্যম থেকে দূরে রাখা উচিত।
কারণ, আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারীমের মধ্যে ইরশাদ করেন-
يَأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا﴾
মুমিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর। ৩২
আর এমন যেন না হয়, গুনাহে প্ররোচনাকারী এই সব মাধ্যমগুলো ঘরে রেখে ঘরের শোভা বানায়-যা লজ্জা-শরমকে শেষ করে দেয়। আর এই লজ্জা-শরমের ব্যাপারেই রাসূলে আরাবী নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
اذا فاتك الحياء فافعل ما شئت
যখন তোমার কাছ থেকে লজ্জা-শরম খতম হয়ে যায়, তখন যা মনে চায় করতে থাক।
এই অর্থের রেওয়ায়াত সহীহ বুখারীতেও আছে। তিনি ইরশাদ করেন-
إِذَا لَمْ تَسْتَحْيِ فَافْعَلْ مَا شِئْتَ
যখন তুমি লজ্জা শরম না করো তাহলে যা মনে চায় তাই করতে থাক। ৩৩ (অর্থাৎ তোমার জন্য এখন আল্লাহ তাআলার মজবুত পাকড়াওটা বাকি রয়েছে)
সুতরাং জানা গেল, লজ্জা শরমের মাদ্দা শেষ হয়ে গেলে শয়তান মানুষের অন্তরের মধ্যে যে তীর ধনুক চালায় অর্থাৎ ওয়াসওয়াসা দেয়, তা-ই করতে থাকে। আর এভাবেই গ্রামে-গঞ্জে, শহরে, বন্দরে গুনাহ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
টিকাঃ
৩২ সূরা তাহরিম: ২
৩৩ সহীহ বুখারী: ৩৪৮৩
📄 খারপ সঙ্গ, আড্ডাবাজি জাহান্নামে নিয়ে যাবার কারণ
গুনাহে লিপ্ত হওয়ার কারণগুলোর মধ্য থেকে বড় সামাজিক কারণ হলো, খারাপ আড্ডা, অনুষ্ঠান ও পথভ্রষ্ট সোসাইটিও। একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে—যেমন বৈঠক তেমন সোহবত। মানুষ যেমন লোকের সাথে উঠাবসা করে সে তেমনই হয়ে যায়। যেই মজলিস বা অনুষ্ঠানে তার আসা-যাওয়া থাকে ঐ অনুষ্ঠানের রঙ তার মাঝে অবশ্যই পতিত হয়। তাই মানুষের জন্য আবশ্যক হলো, নিজেদের সাথি ও বন্ধু চিন্তা-ভাবনা করে এবং ভালোভাবে পরখ করে নির্বাচন করা। কেননা, ব্যক্তি যে ধরণের অভ্যাস ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয় অন্যকেও সেই সব অভ্যাস ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী বানিয়ে দেয়। যদি সে বদ স্বভাবের হয়—যেমন : চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী, নেশাখোর, অশ্লীল ভিডিও ও ফিল্ম ইত্যাদি দেখে অভ্যস্ত থাকে, তাহলে তার সাথে উপবেশনকারীদের মাঝেও সে এসব খারাপ স্বভাবগুলোর আমদানি করবে। এ কারণে রহমতে আলম রাসূলে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-
إِنَّمَا مَثَلُ الجليس الصَّالِحِ ، وجليس السوء ، كحامل المسك ، ونافخ الكبير ، فَحَامِلُ المسك ، إمَّا أَنْ يَحْذِيَكَ ، وإِمَّا أَنْ تَبْتَاعَ مِنْهُ ، وَإِمَّا أَنْ تَجِدَ مِنْهُ رِيحًا طَيِّبَةً ، ونافِخُ الكبير ، إِمَّا أَنْ يَحْرِقَ ثِيَابَكَ ، وَإِمَّا أَنْ تَجِدَ رِيحًا خَبِيثَةٌ
সৎ সঙ্গী ও অসৎ সঙ্গীর উদাহরণ হলো, কস্তুরী বহনকারী (আতরওয়ালা) ও হাপরে ফুৎকারকারী (কামারের) ন্যায়। কস্তুরী বহনকারী (আতরওয়ালা) হয়তো তোমাকে কিছু দান করবে অথবা তার কাছ থেকে তুমি কিছু খরিদ করবে অথবা তার কাছ থেকে সুবাস লাভ করবে। আর হাপরে ফুৎকারকারী (কামার) হয়তো তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে অথবা তুমি তার কাছ থেকে দুর্গন্ধ পাবে। ৩৪
এই মূল্যবান হাদীসে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করেছেন, একজন সাথির ভালো ও খারাপ স্বভাবের প্রভাব অপর সাথির ওপর অবশ্যই পতিত হয়। তাই তিনি সৎ সঙ্গীকে আতর বিক্রেতার সাথে সাদৃশ্য দিয়েছেন। কেননা, যখন সে তার কাছে গিয়ে বসবে তিন বিষয়ের মধ্য হতে কোনো এক বিষয় অবশ্যই তার অর্জিত হবে।
১. হয়ত তোমাকে আতর উপহার দেবে, অথবা
২. সে তার কাছ থেকে মূল্য দিয়ে ক্রয় করে নেবে, কিংবা
৩. কমপক্ষে তুমি তার নিকট থেকে আতরের ঘ্রাণ নিতে পারবে, যার প্রভাব তোমার হৃদয়, শরীর এবং তোমার কাপড়ের মাঝে ফুটে উঠবে। সৎ সঙ্গী থাকলে এভাবেই তার কাছ থেকে উপকার লাভ করবে। আর তার সাথে উঠাবসা করলে অবশ্যই তোমার উপকার লাভ হবে।
আর তিনি অসৎ সঙ্গীর দৃষ্টান্ত দিয়েছেন হাপরে ফুৎকারকারী কামারের সাথে। হয়তো সে তার আগুন থেকে ফুলকি উড়িয়ে তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে না হয় কমপক্ষে এর থেকে বিষাদময় এক দূর্গন্ধ তুমি পাবে অথবা তার প্রভাব তোমার কাপড় বা শরীরে লাগবে। এমনই হলো অসৎ সঙ্গী যে, তার সাথে বসার কারণে নিশ্চিতভাবে তোমার ক্ষতি হবেই।
তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, একেক মানুষের মেজাজ বা স্বভাব একেক ধরণের হয়ে থাকে। কিছু আছে ভালো কাজের বার্তাবাহক হওয়ার কারণে নেক কাজ ও উত্তম কাজের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর কিছু আছে খারাপ কাজে অভ্যস্ত হওয়ার কারণে, অসৎ কাজ ও গর্হিত কাজের দিকে পথপ্রদর্শন করে। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীসের মাঝে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ - صلى الله عليه وسلم - " إِنَّ مِنَ النَّاسِ مَفَاتِيحَ لِلْخَيْرِ مَغَالِيقَ لِلشَّرِّ وَإِنَّ مِنَ النَّاسِ مَفَاتِيحَ لِلشَّرِّ مَغَالِيقَ لِلْخَيْرِ فَطُوبَى لِمَنْ جَعَلَ اللَّهُ مَفَاتِيحَ الْخَيْرِ عَلَى يَدَيْهِ وَوَيْلٌ لِمَنْ جَعَلَ اللَّهُ مَفَاتِيحَ الشَّرِّ عَلَى يَدَيْهِ
সাইয়িদুনা হযরত আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয় অনেক লোক এমন আছে, যারা কল্যাণের চাবিকাঠি এবং অকল্যাণের দ্বার রুদ্ধকারী। পক্ষান্তরে এমন লোকও আছে যারা অকল্যাণের দ্বার উন্মোচনকারী এবং কল্যাণের পথ রুদ্ধকারী। সেই লোকের জন্য সুসংবাদ যার দুহাতে আল্লাহ কল্যাণের চাবি রেখেছেন এবং সেই লোকের জন্য ধ্বংস যার দুহাতে আল্লাহ অকল্যাণের চাবি রেখেছেন। ৩৫
টিকাঃ
৩৪ বুখারী ২১০১ (রাবি আবু মুসা আশআরি রদি.), ৫৫৩৪, মুসলিম ২৬২৮, আহমদ ১৯১২৭, ১৯১৬৩
৩৫ সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৩৭
গুনাহে লিপ্ত হওয়ার কারণগুলোর মধ্য থেকে বড় সামাজিক কারণ হলো, খারাপ আড্ডা, অনুষ্ঠান ও পথভ্রষ্ট সোসাইটিও। একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে—যেমন বৈঠক তেমন সোহবত। মানুষ যেমন লোকের সাথে উঠাবসা করে সে তেমনই হয়ে যায়। যেই মজলিস বা অনুষ্ঠানে তার আসা-যাওয়া থাকে ঐ অনুষ্ঠানের রঙ তার মাঝে অবশ্যই পতিত হয়। তাই মানুষের জন্য আবশ্যক হলো, নিজেদের সাথি ও বন্ধু চিন্তা-ভাবনা করে এবং ভালোভাবে পরখ করে নির্বাচন করা। কেননা, ব্যক্তি যে ধরণের অভ্যাস ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয় অন্যকেও সেই সব অভ্যাস ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী বানিয়ে দেয়। যদি সে বদ স্বভাবের হয়—যেমন : চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী, নেশাখোর, অশ্লীল ভিডিও ও ফিল্ম ইত্যাদি দেখে অভ্যস্ত থাকে, তাহলে তার সাথে উপবেশনকারীদের মাঝেও সে এসব খারাপ স্বভাবগুলোর আমদানি করবে। এ কারণে রহমতে আলম রাসূলে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-
إِنَّمَا مَثَلُ الجليس الصَّالِحِ ، وجليس السوء ، كحامل المسك ، ونافخ الكبير ، فَحَامِلُ المسك ، إمَّا أَنْ يَحْذِيَكَ ، وإِمَّا أَنْ تَبْتَاعَ مِنْهُ ، وَإِمَّا أَنْ تَجِدَ مِنْهُ رِيحًا طَيِّبَةً ، ونافِخُ الكبير ، إِمَّا أَنْ يَحْرِقَ ثِيَابَكَ ، وَإِمَّا أَنْ تَجِدَ رِيحًا خَبِيثَةٌ
সৎ সঙ্গী ও অসৎ সঙ্গীর উদাহরণ হলো, কস্তুরী বহনকারী (আতরওয়ালা) ও হাপরে ফুৎকারকারী (কামারের) ন্যায়। কস্তুরী বহনকারী (আতরওয়ালা) হয়তো তোমাকে কিছু দান করবে অথবা তার কাছ থেকে তুমি কিছু খরিদ করবে অথবা তার কাছ থেকে সুবাস লাভ করবে। আর হাপরে ফুৎকারকারী (কামার) হয়তো তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে অথবা তুমি তার কাছ থেকে দুর্গন্ধ পাবে। ৩৪
এই মূল্যবান হাদীসে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করেছেন, একজন সাথির ভালো ও খারাপ স্বভাবের প্রভাব অপর সাথির ওপর অবশ্যই পতিত হয়। তাই তিনি সৎ সঙ্গীকে আতর বিক্রেতার সাথে সাদৃশ্য দিয়েছেন। কেননা, যখন সে তার কাছে গিয়ে বসবে তিন বিষয়ের মধ্য হতে কোনো এক বিষয় অবশ্যই তার অর্জিত হবে।
১. হয়ত তোমাকে আতর উপহার দেবে, অথবা
২. সে তার কাছ থেকে মূল্য দিয়ে ক্রয় করে নেবে, কিংবা
৩. কমপক্ষে তুমি তার নিকট থেকে আতরের ঘ্রাণ নিতে পারবে, যার প্রভাব তোমার হৃদয়, শরীর এবং তোমার কাপড়ের মাঝে ফুটে উঠবে। সৎ সঙ্গী থাকলে এভাবেই তার কাছ থেকে উপকার লাভ করবে। আর তার সাথে উঠাবসা করলে অবশ্যই তোমার উপকার লাভ হবে।
আর তিনি অসৎ সঙ্গীর দৃষ্টান্ত দিয়েছেন হাপরে ফুৎকারকারী কামারের সাথে। হয়তো সে তার আগুন থেকে ফুলকি উড়িয়ে তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে না হয় কমপক্ষে এর থেকে বিষাদময় এক দূর্গন্ধ তুমি পাবে অথবা তার প্রভাব তোমার কাপড় বা শরীরে লাগবে। এমনই হলো অসৎ সঙ্গী যে, তার সাথে বসার কারণে নিশ্চিতভাবে তোমার ক্ষতি হবেই।
তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, একেক মানুষের মেজাজ বা স্বভাব একেক ধরণের হয়ে থাকে। কিছু আছে ভালো কাজের বার্তাবাহক হওয়ার কারণে নেক কাজ ও উত্তম কাজের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর কিছু আছে খারাপ কাজে অভ্যস্ত হওয়ার কারণে, অসৎ কাজ ও গর্হিত কাজের দিকে পথপ্রদর্শন করে। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীসের মাঝে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ - صلى الله عليه وسلم - " إِنَّ مِنَ النَّاسِ مَفَاتِيحَ لِلْخَيْرِ مَغَالِيقَ لِلشَّرِّ وَإِنَّ مِنَ النَّاسِ مَفَاتِيحَ لِلشَّرِّ مَغَالِيقَ لِلْخَيْرِ فَطُوبَى لِمَنْ جَعَلَ اللَّهُ مَفَاتِيحَ الْخَيْرِ عَلَى يَدَيْهِ وَوَيْلٌ لِمَنْ جَعَلَ اللَّهُ مَفَاتِيحَ الشَّرِّ عَلَى يَدَيْهِ
সাইয়িদুনা হযরত আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয় অনেক লোক এমন আছে, যারা কল্যাণের চাবিকাঠি এবং অকল্যাণের দ্বার রুদ্ধকারী। পক্ষান্তরে এমন লোকও আছে যারা অকল্যাণের দ্বার উন্মোচনকারী এবং কল্যাণের পথ রুদ্ধকারী। সেই লোকের জন্য সুসংবাদ যার দুহাতে আল্লাহ কল্যাণের চাবি রেখেছেন এবং সেই লোকের জন্য ধ্বংস যার দুহাতে আল্লাহ অকল্যাণের চাবি রেখেছেন। ৩৫
টিকাঃ
৩৪ বুখারী ২১০১ (রাবি আবু মুসা আশআরি রদি.), ৫৫৩৪, মুসলিম ২৬২৮, আহমদ ১৯১২৭, ১৯১৬৩
৩৫ সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৩৭
📄 আকিদায়ে তাওহিদের সাথে বিদ্রোহ করা সকল গুনাহের মূল
গুনাহে পতিত হওয়ার আরও অনেক কারণ আছে যেগুলো মানুষকে গুনাহের কাদায় ফাঁসিয়ে দেয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শিরক হলো, সবচেয়ে বড় গুনাহ। কেননা, শিরক এমন গুনাহ, যে গুনাহে লিপ্ত হওয়ার পর মানুষ সর্বপ্রকারের গুনাহ করতে থাকে। এর কারণ, আকিদায়ে তাওহীদ চলে যাওয়া। আর আকিদায়ে তাওহীদ মানব বিবেককে সুস্থ ও সঠিক রাখে। যখন মানুষ শিরকে লিপ্ত হয়, তখন তার বিবেক মারা যায়। অতঃপর যখন বিবেক—বুদ্ধিই থাকে না তখন তার কাছে নেকি ও বদির আর কোনো পার্থক্য বাকি থাকে না।
বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে রয়েছে—
“সাইয়িদুনা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেন কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করা, অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” ৩৬
তো যখন সে শিরকের মত গুনাহ করে ফেলল তখন এই শিরকের বদ আছর ও প্রভাব তার ওপর এমনভাবে পতিত হলো যে, সর্বপ্রকার গুনাহ করতে সে এখন কোনো ভয় পায় না। বিনা দ্বিধায় সে গুনাহ করে যেতে থাকে।
এখন শেষ যামানার পয়গম্বর হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদেশের বিপরীতে বিভিন্ন দল উপদলের কথা ও তাদের আদেশ মানাকে জরুরি মনে করে। তারা খতমে নবুয়তের উদ্দেশ্যও ভুলে যায়, যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুয়তের পরে আর কোনো নবুয়ত নেই সেভাবে তার কথা ও আদেশের পর কারও আদেশ চলতে পারে না। কিন্তু তারা তাদের পীর, ফকির, দরবেশ বাবা ও পাগল মাজযুব, নেংটা ফকির, ভন্ড খাজা বাবার কথা ও তাদের আদেশকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস, তাঁর কথা ও ফরমান থেকেও বেশি প্রাধান্য দিতে থাকে।
শিরকের গুনাহে লিপ্ত হওয়ার পর আরও খারাপ অবস্থা এমন হয় যে, নিজের কোনো লাভ ও ক্ষতির কারণে সে এখানে সেখানে ঘুরতে থাকে। রিজিকে প্রশস্ততা ও চাকরি পাবার আশায়, পদোন্নতি ও পরীক্ষায় সফলতা লাভের জন্য, সন্তানাদি লাভ, পেরেশানি থেকে মুক্তি ও নাজাতের আশায় আল্লাহ তাআলা ব্যতীত তাঁরই মাখলুককে ডাকে। মাখলুকের কাছে মুশকিল আসানের জন্য যায়। নজর ও মান্নত মাখলুকের নামে দেয়। তাজিমি সেজদার নামে লম্বা জুব্বা ও হাবাকাবা পরিহিতদের সামনে কপাল ঠেকায়।
সারকথা হলো, মানুষ যখন শিরকের মতো কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয় তখন এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে সর্বপ্রকার গুনাহ ও অপরাধ সংঘটিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ শিরক হলো এমন বড় গুনাহ, যা সবচেয়ে বড় গুনাহ ও অপরাধ হওয়ার পাশাপাশি বাকি অন্যসব গুনাহের মূল উৎস। শিরক থেকেই অন্য সব গুনাহের জন্ম ও সুত্রপাত ঘটে। এই গুনাহ করার পর মানুষের কোনো শক্তি থাকে না। যা তাকে অন্যান্য গুনাহ থেকে বাঁধাপ্রদান করতে পারে। বরং অন্যান্য গুনাহে লিপ্ত হওয়াটা তার কাছে খুব সুন্দর মনে হয়। এর কারণ হলো, আকিদায়ে তাওহীদ জীবনের এক মাপকাঠি ও প্রতিরোধকারী ছিল। আকিদায়ে তাওহীদের বরকত সাথে থাকার কারণে সে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারত। আর গুনাহ তার কাছ থেকে দূরে থাকত। যখন এই প্রতিরোধকারী আর বাকি নেই তখন তার জীবনে গুনাহ আর গুনাহ দিয়ে ভরে যায়। তাই মানুষের জন্য সকল বিষয় থেকে বেশি প্রয়োজনীয় ও আবশ্যকীয় হলো, নিজের আকিদা বিশ্বাসের হেফাজত করা, যেন কখনও কোথাও ভুলেও শিরকের জালে ফেঁসে না যায়।
টিকাঃ
৩৬ বুখারী: ৪৭৬১। সম্পূর্ণ হাদীস হল এই: 'আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম, অথবা অন্য কেউ জিজ্ঞেস করলো, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেন, কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করা, অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরপর কোনটি? তিনি জবাব দিলেন, তোমার সন্তানকে এ আশংকায় হত্যা করা যে, তারা তোমার খাদ্যে ভাগ বসাবে। আমি বললাম, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, এরপর হচ্ছে তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে ব্যভিচার করা। বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ কথার সমর্থনে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়- "এবং তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহকে আহবান করে না। আল্লাহ্ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না।,, [৪৪ ৭৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৪০০)
গুনাহে পতিত হওয়ার আরও অনেক কারণ আছে যেগুলো মানুষকে গুনাহের কাদায় ফাঁসিয়ে দেয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শিরক হলো, সবচেয়ে বড় গুনাহ। কেননা, শিরক এমন গুনাহ, যে গুনাহে লিপ্ত হওয়ার পর মানুষ সর্বপ্রকারের গুনাহ করতে থাকে। এর কারণ, আকিদায়ে তাওহীদ চলে যাওয়া। আর আকিদায়ে তাওহীদ মানব বিবেককে সুস্থ ও সঠিক রাখে। যখন মানুষ শিরকে লিপ্ত হয়, তখন তার বিবেক মারা যায়। অতঃপর যখন বিবেক—বুদ্ধিই থাকে না তখন তার কাছে নেকি ও বদির আর কোনো পার্থক্য বাকি থাকে না।
বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে রয়েছে—
“সাইয়িদুনা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেন কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করা, অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” ৩৬
তো যখন সে শিরকের মত গুনাহ করে ফেলল তখন এই শিরকের বদ আছর ও প্রভাব তার ওপর এমনভাবে পতিত হলো যে, সর্বপ্রকার গুনাহ করতে সে এখন কোনো ভয় পায় না। বিনা দ্বিধায় সে গুনাহ করে যেতে থাকে।
এখন শেষ যামানার পয়গম্বর হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদেশের বিপরীতে বিভিন্ন দল উপদলের কথা ও তাদের আদেশ মানাকে জরুরি মনে করে। তারা খতমে নবুয়তের উদ্দেশ্যও ভুলে যায়, যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুয়তের পরে আর কোনো নবুয়ত নেই সেভাবে তার কথা ও আদেশের পর কারও আদেশ চলতে পারে না। কিন্তু তারা তাদের পীর, ফকির, দরবেশ বাবা ও পাগল মাজযুব, নেংটা ফকির, ভন্ড খাজা বাবার কথা ও তাদের আদেশকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস, তাঁর কথা ও ফরমান থেকেও বেশি প্রাধান্য দিতে থাকে।
শিরকের গুনাহে লিপ্ত হওয়ার পর আরও খারাপ অবস্থা এমন হয় যে, নিজের কোনো লাভ ও ক্ষতির কারণে সে এখানে সেখানে ঘুরতে থাকে। রিজিকে প্রশস্ততা ও চাকরি পাবার আশায়, পদোন্নতি ও পরীক্ষায় সফলতা লাভের জন্য, সন্তানাদি লাভ, পেরেশানি থেকে মুক্তি ও নাজাতের আশায় আল্লাহ তাআলা ব্যতীত তাঁরই মাখলুককে ডাকে। মাখলুকের কাছে মুশকিল আসানের জন্য যায়। নজর ও মান্নত মাখলুকের নামে দেয়। তাজিমি সেজদার নামে লম্বা জুব্বা ও হাবাকাবা পরিহিতদের সামনে কপাল ঠেকায়।
সারকথা হলো, মানুষ যখন শিরকের মতো কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয় তখন এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে সর্বপ্রকার গুনাহ ও অপরাধ সংঘটিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ শিরক হলো এমন বড় গুনাহ, যা সবচেয়ে বড় গুনাহ ও অপরাধ হওয়ার পাশাপাশি বাকি অন্যসব গুনাহের মূল উৎস। শিরক থেকেই অন্য সব গুনাহের জন্ম ও সুত্রপাত ঘটে। এই গুনাহ করার পর মানুষের কোনো শক্তি থাকে না। যা তাকে অন্যান্য গুনাহ থেকে বাঁধাপ্রদান করতে পারে। বরং অন্যান্য গুনাহে লিপ্ত হওয়াটা তার কাছে খুব সুন্দর মনে হয়। এর কারণ হলো, আকিদায়ে তাওহীদ জীবনের এক মাপকাঠি ও প্রতিরোধকারী ছিল। আকিদায়ে তাওহীদের বরকত সাথে থাকার কারণে সে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারত। আর গুনাহ তার কাছ থেকে দূরে থাকত। যখন এই প্রতিরোধকারী আর বাকি নেই তখন তার জীবনে গুনাহ আর গুনাহ দিয়ে ভরে যায়। তাই মানুষের জন্য সকল বিষয় থেকে বেশি প্রয়োজনীয় ও আবশ্যকীয় হলো, নিজের আকিদা বিশ্বাসের হেফাজত করা, যেন কখনও কোথাও ভুলেও শিরকের জালে ফেঁসে না যায়।
টিকাঃ
৩৬ বুখারী: ৪৭৬১। সম্পূর্ণ হাদীস হল এই: 'আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম, অথবা অন্য কেউ জিজ্ঞেস করলো, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেন, কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করা, অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরপর কোনটি? তিনি জবাব দিলেন, তোমার সন্তানকে এ আশংকায় হত্যা করা যে, তারা তোমার খাদ্যে ভাগ বসাবে। আমি বললাম, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, এরপর হচ্ছে তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে ব্যভিচার করা। বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ কথার সমর্থনে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়- "এবং তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহকে আহবান করে না। আল্লাহ্ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না।,, [৪৪ ৭৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৪০০)