📄 সকল ফেৎনার কারণ
সাঈদ ইবনু যুবাইর রহ. বলেন, দাউদ আলাইহিসসালাম-এর নিকট ফেৎনা এসেছিল, দৃষ্টির দিক থেকে। তাই তিনি নিজের ছেলেকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছেন
বাঘ ও অজগরের পেছনে ছুটতে পার, কিন্তু কোনো নারীর পেছনে নয়।
টিকাঃ
২০৩ আলজাওয়াবুলকাফী: ২০৪
২০৪ মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবা: ৯/৩৬১
২০৫ বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান: ২/১২৬
২০৬ ইতহাফুস সাদাহ: ৭/৪৩৩
📄 হারাম দৃষ্টি ছেড়ে দাও, নামাযে খুশু আসবে
এক লোক আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক রহ.-কে এসে বলল, আমাকে কিছু উপদেশ দিন। ইবনু মুবারক তাকে বললেন
হারাম দৃষ্টি ছেড়ে দাও তবে নামাযে খুশু (আল্লাহর ভয়) আসবে। অতিরিক্ত খাবার কমিয়ে ফেলো তাহলে ইবাদত ও তাহাজ্জুদের সুযোগ পাবে। মানুষের দোষত্রুটি খুঁজতে গোয়েন্দাগিরি করা ছেড়ে দাও নিজের দোষ খুঁজে বের করে সংশোধনের সময় পাবে।
টিকাঃ
২০৯ তানবীহুল মুগতাররিন
📄 শয়তানের সাথে বিতর্ক জুড়ে দাও
ইমাম গাযালী রহ. বলেন, হে প্রিয়! জেনে রেখো, কোনো পরনারী তোমার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় শয়তান কামনা করে যে, তুমি তার প্রতি দৃষ্টি দিবে। একটু দেখে নিবে যে, নারীটি কেমন।
এরূপ পরিস্থিতিতে শয়তানের সাথে বিতর্ক জুড়ে দাও যে, আমি কেন দেখব? নারীটি যদি কুশ্রী হয় তাহলে আমি তো স্বাদহীন গুনাহে লিপ্ত হব। আর সুন্দরী হলে গুনাহ তো হবে, পাশাপাশি এই আফসোসও অন্তরে জন্ম নিবে যে, আহ! তাকে যদি আমি পেতাম! কিন্তু সকল নারীকে তো পাওয়া যায় না। সুতরাং অন্তরকে আফসোসের মধ্যে ফেলে দেয়ার মাঝে কী ফায়দা!
এভাবে বিতর্ক করলে অন্তরই এ সিদ্ধান্তে পৌঁছে দিবে যে, দেখব না। গুনাহ করব না। মনকে আফসোসেও ফেলব না। মনের স্বস্তি দূর করে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।