📄 অন্তরের যিকিরের কিছু চমৎকার দৃষ্টান্ত
আমাদের শায়েখ ও মুরশিদ পীর যুলফিকার আহমেদ নকশবন্দী দা. বা. এর চমৎকার কিছু দৃষ্টান্ত দেন। তিনি বলেন, মা তার সন্তানকে মাদ্রাসায় বা স্কুলে পাঠায়। সারাক্ষণ মনে পড়ে কখন সন্তান বাসায় আসবে। কিন্তু তার ঘরের কাজও চলতে থাকে।
ড্রাইভার যখন ড্রাইভ করে তখন তার দৃষ্টি থাকে সামনের দিকে। কিন্তু সে পাশের লোকের সঙ্গেও কথা বলে। মোবাইলেও কথা বলে। সামনের দিক থেকে এক মুহূর্তের জন্য দৃষ্টি সরালে এক্সিডেন্ট হতে পারে। অনুরূপভাবে এক মুহূর্তের জন্য আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল থাকলে শয়তান ধোঁকায় ফেলে দিতে পারে।
ক্ষণিকের তরেও বাদশাহ থেকে সরিয়ে ফেলো না দৃষ্টি; হতে পারে, তোমাকে পাবেন আনমনা যখন দেখবেন তিনি।'
এ জন্য রাসূলুল্লাহ ﷺ একটি দোয়া আছে এ রকম
'ওগো আল্লাহ! এক পলকের জন্য আমাকে আমার নফসের কাছে সোপর্দ করবেন না।'
কেননা এক মুহূর্তের গাফলতিতে শয়তান আমাদের দিয়ে একটা কবিরা গুনাহ করিয়ে জাহান্নামি বানিয়ে ফেলতে পারে।
📄 অন্তরের কঠিনতা থেকে বাঁচতে হলে
একজন লোক হাসান বসরী রহ.-কে জিজ্ঞেস করলেন হে আবু সাঈদ! আপনার নিকট অন্তর কঠিন হওয়ার অভিযোগ করছি। তিনি বললেন
তুমি (অন্তরের কঠিনতা থেকে বাঁচতে) যিকির করবে। ১৯০
টিকাঃ
১৯০ ইবনুল জাওযী, যাম্মুল হাওয়া: ৬৯