📄 অযু করে ঘুমানোর বিস্ময়কর ফজিলত
অযু করে ঘুমানো মানে নিশ্চিত দোয়া কবুলের সময়ের মধ্য দিয়ে রাত যাপন করা।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— “কোনো মুসলিম যদি অযু অবস্থায় ঘুমায়, এরপর রাতে কোনো সময় হঠাৎ তার ঘুম ভেঙে যায় এবং সে (ওই অবস্থায় শুয়ে শুয়ে) আল্লাহর কাছে তার জাগতিক বা পরলৌকিক কোনো কল্যাণ কামনা করে, তাহলে আল্লাহ তাকে তার পার্থিত বস্তু দিবেনই (অর্থাৎ কোনো সন্দেহ নেই)।”
টিকাঃ
১৭১ নাসায়ি, আস সুনানুল কুবরা: ৬/২০২
📄 আমি এখন কার সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছি
আলী ইবনু হুসাইন রহ. যখন অযু করতেন, ভয়ে তাঁর চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যেত। এক দিন তাঁর স্ত্রী এর কারণ জিজ্ঞেস করেন। তিনি উত্তর দেন—
“তোমরা জানো, আমি এখন কার সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছি!”
টিকাঃ
১৭২ ইবনু আবিদ্দুনয়া, আররিক্কাতু ওয়াল-বুকা: ১৪৭
📄 আমি যে আমার মহান মালিকের সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছি
আতা আসসুলাইমী রহ. অযু করছিলেন। এমন সময় এক ঝাঁকুনি দিয়ে তার সারা শরীর কেঁপে উঠে। তিনি খুব উচ্চস্বরে কান্না শুরু করেন। আশপাশের মানুষজন ব্যাকুল হয়ে পড়ে। এ কী হল। তিনি হঠাৎ কাঁদছেন কেন? ভয়ে তার চেহারা বিবর্ণ হয়ে যায়। তার চেহারায় রক্ত শূন্যতা দেখা দেয়। সাথীরা ভেবে পায় না। এ কী হল। তাকে আস্তে আস্তে জিজ্ঞেস করা হল, আপনিতো অযু করছিলেন। এর মধ্যে কী হল যে, আপনি এমনভাবে কান্না করছেন? আতা রহ. জবাব দিলেন—
“আমি এখন এক বিরাট কাজের দিকে যাচ্ছি। আমি যে আমার মহান মালিকের সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছি।”
টিকাঃ
১৭৩ ইবনু আবিদ্দুনয়া, আররিক্কাতু ওয়াল-বুকা: ১৪৭
📄 আল্লাহওয়ালারা নিজেদের সঙ্গে অযুর পাত্র রাখতেন
হাসান বসরী রহ বলেন, অনেক আল্লাহওয়ালাদের অবস্থা এমন ছিল যে, তারা নিজেদের সঙ্গে পানির একটি ছোট পাত্র রাখতেন। যাতে করে কোথাও ইস্তেঞ্জার প্রয়োজন দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে যেন অযু করে নিতে পারেন।
কেননা এমন যেন না হয় ইস্তেঞ্জার পর পানির সন্ধান করতে করতে মৃত্যুর ডাক এসে পড়ে।
টিকাঃ
১৭৪ ইবনু আবিদ্দুনয়া, ক্বাসরুল আমল : ৪৩