📘 গীবত ও তওবা > 📄 পাপের জন্য ক্রন্দন করা

📄 পাপের জন্য ক্রন্দন করা


عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا النَّجَاةُ ؟ قَالَ أَمْسِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ وَلْيَسَعُكَ بَيْتُكَ وَابْكِ عَلَى خَطِيئَتِكَ
উকবা ইবনে আমের হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল ﷺ এর সাথে সাক্ষাতের সময় আমি বললাম, নাজাতের পথ কী? তিনি বললেন তুমি তোমার জিহ্বাকে আয়ত্তে রাখবে, তোমার গৃহে যেন তোমার অবস্থান থাকে এবং তুমি তোমার পাপের জন্য কান্নাকাটি করতে থাকবে। (তিরমিযী হা: ২৪০৬)

অত্র হাদীসে নবী ﷺ মানবজাতির মুক্তি লাভের কয়েকটি দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রথমে তিনি গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম যবানকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে বলেছেন যে, যাতে করে জিহ্বা দ্বারা কোন রকম গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সুযোগ না থাকে।
তারপর তিনি গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার একটি সুন্দর পরামর্শ দিয়েছেন। আর তা হল, সর্বদা নিজের গৃহে অবস্থান করা। কেননা বাইরে লোক সমাজে গেলেই জিহ্বার দ্বারা পাপ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই যদি প্রয়োজন ছাড়া বাকি সময় নিজ ঘরে অবস্থান করা হয় তবে গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
সর্বশেষে তিনি পাপ মোচনের জন্য কান্নাকাটি করতে বলেছেন। উপরের উল্লেখিত দু'টি ব্যবস্থার পরও যদি পাপ সংঘটিত হয়ে যায়, তবে ঐ পাপ মোচনের জন্য নিজেকে অপরাধী ভেবে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করতে হবে। পাপ সংঘটিত হলে কান্নাকাটি করা তওবার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যে ব্যক্তিই আল্লাহকে ভয় করে এবং পাপের দরুন কান্নাকাটি করে নিজের পাপ মার্জনা করার চেষ্টা করে, আল্লাহ তা'আলা তাকে ক্ষমা করে দেন।
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ عَيْنَانِ لَا تَمُسُّهُمَا النَّارُ عَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللهِ وَعَيْنٌ بَاتَتْ تَحْرِسُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন, দু'টি চক্ষু এমন যে, তাদেরকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। একটি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা'আলার ভয়ে ক্রন্দন করেছে এবং দ্বিতীয়টি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা'আলার রাস্তায় পাহারাদার হিসেবে রাত্রি অতিবাহিত করেছে। (তিরমিযী হা: ১৬৩৯)
একদা রাসূল ﷺ নামায পড়তেছিলেন এবং তার বক্ষ হতে চাক্কি পেষার শব্দের ন্যায় ক্রন্দনের তীব্র শব্দ অনুভূত হচ্ছিল। কোন কোন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, ফুটন্ত হাঁড়ি হতে যেরূপ টগবগ শব্দ শুনা যায়, তদ্রূপ শব্দ শুনা যাচ্ছিল। (নাসাঈ হা: ১২১৪)
রাসূল ﷺ তো সম্পূর্ণ নিষ্পাপ ছিলেন। তা সত্ত্বেও তার কান্নাকাটির এ অবস্থা ছিল। আমাদের মত পাপীদেরকে যে কত বেশি কান্নাকাটি করতে হবে, তা আমাদের নিজেদেরই চিন্তা করা উচিত।

📘 গীবত ও তওবা > 📄 বেশি বেশি নেক আমল করা

📄 বেশি বেশি নেক আমল করা


নামাযের মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা গুনাহ ক্ষমা করে দেন :
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ ، قَالَ : كُنْتُ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَصَبْتُ حَدًّا فَأَقِمْهُ عَلَيَّ قَالَ وَلَمْ يَسْأَلُهُ عَنْهُ قَالَ وَحَضَرَتِ الصَّلَاةُ فَصَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الصَّلَاةَ قَامَ إِلَيْهِ الرَّجُلُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَصَبْتُ حَدًّا فَأَقِمْ فِي كِتَابَ اللهِ قَالَ أَلَيْسَ قَدْ صَلَّيْتَ مَعَنَا قَالَ نَعَمْ قَالَ فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ غَفَرَ لَكَ ذَنْبَكَ
আনাস ইবনে মালিক বলেন, নবী ﷺ এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি হদ্দ যোগ্য অপরাধ (শাস্তিযোগ্য অপরাধ) করে ফেলেছি, সুতরাং আমার উপর শাস্তি প্রয়োগ করুন। এ সময় নামাযের ওয়াক্ত হয়ে গেল। রাসূল ﷺ যখন নামায শেষ করলেন, তখন সে দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি হদ্দ এর কাজ করে ফেলেছি। আমার প্রতি আল্লাহর কিতাবে নির্ধারিত শাস্তি প্রয়োগ করুন। উত্তরে রাসূল ﷺ বললেন, তুমি কি আমাদের সাথে নামায পড়নি? সে বলল, হ্যাঁ; তখন রাসূল ﷺ বললেন, আল্লাহ তা'আলা তোমার গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন।
মু'য়ায বললেন, উমার এর বর্ণনায় আছে, হে আল্লাহর রাসূল! এটি কী শুধু তার জন্যই প্রযোজ্য না সকল মানুষের জন্য? তখন তিনি বললেন, এটি বরং সকল লোকের জন্য। (বুখারী হা: ৬৪২৩, মুসলিম হা: ৭১৮৩)

গুনাহ কারার পর আরেকটি বিকল্প পদ্ধতির আমল হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ভাল কাজ করা, যাতে তা ঐ পাপের ক্ষতিপূরণ হয়ে যায়। ভাল কাজ পাপীকে পাপের জেলখানা থেকে মুক্ত করে আনুগত্যের বিশাল জগতে নিয়ে যায়। আবূ যর বলেন, রাসূল ﷺ আমাকে বলেছেন-
اتَّقِ اللهَ حَيْثُمَا كُنْتَ وَاتْبِعِ السَّيِّئَةَ الْحَسَنَةَ تَمْحُهَا وَخَالِقِ النَّاسَ بِخُلُقٍ حَسَنٍ
“তুমি যেখানেই থাক আল্লাহকে ভয় করে চল। আর যখন কোন গুনাহের কাজ হয়ে যায় তখনই একটি সওয়াবের কাজ করে নাও। তা তোমার পূর্ববর্তী গুনাহকে মিটিয়ে দেবে। আর মানুষের সাথে উত্তম আচরণ কর।” (তিরমিযী হা: ১৯৮৭)

যদি কোন লোক শয়তানের ধোঁকায় পড়ে অনেকদিন আল্লাহর হুকুম পালন করা ছেড়ে দিয়ে থাকে তাহলে তার কর্তব্য হল বিগত জীবনের ছেড়ে দেয়া আমল গুলোর জন্য বিনীতভাবে তওবা করা এবং ভবিষ্যতে আর কখনো ফরজ আমল ছেড়ে না দেয়া। বিশেষ করে বেশি বেশি নফল নামায আদায় করা। কেননা আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন নফল নামায দ্বারা ফরজ নামাযের ত্রুটিসমূহ পূর্ণ করে দেবেন। রাসূল ﷺ বলেন-
إِنَّ أَوَّلَ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عَمَلِهِ صَلَاتُهُ فَإِنْ صَلُحَتْ فَقَدْ أَفْلَحَ وَانْجَحَ وَإِنْ فَسَدَتْ فَقَدْ خَابَ وَخَسَرَ فَإِنِ انْتَقَصَ مِنْ فَرِيضَتِهِ شَيْءٌ قَالَ الرَّبُّ عَزَّ وَ جَلَّ انْظُرُوا هَلْ لِعَبْدِي مِنْ تَطَوُّع ؟ فَيُكْمَلُ بِهَا مَا انْتَقَصَ مِنَ الْفَرِيضَةِ ثُمَّ يَكُونُ سَائِرِ عَمَلِهِ عَلَى ذَلِكَ
নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন বান্দার আমলের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব নেবেন। যদি তার নামায সঠিক হয় তবে সে সফল হবে এবং মুক্তি লাভ করবে। আর যদি তার নামায নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে সে ব্যর্থ হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি তার ফরজ নামাযের মধ্যে কোন ত্রুটি ধরা পড়ে তবে আল্লাহ তা'আলা ফেরেশতাদেরকে বলবেন, “দেখ, আমার এ বান্দার আমলনামায় কোন নফল নামায আছে কি না।” যদি থাকে তবে সেই নফল নামাযের দ্বারা ফরজের ঘাটতি পূর্ণ করে দেয়া হবে। এভাবে সকল আমলের হিসাব নেয় হবে। (তিরমিযী হা: ৪১৩)

📘 গীবত ও তওবা > 📄 ক্ষমাপ্রার্থনার কতিপয় দো'আ

📄 ক্ষমাপ্রার্থনার কতিপয় দো'আ


এমন কতগুলো দো'আ রয়েছে যেগুলো উচ্চারণ করার মাধ্যমে তওবা করলে আল্লাহ তা'আলা খুশি হন। যেমন-
رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنْتَ مَوْلَانَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
“হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুল করি অথবা ভুলে যায় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের রব! আমাদের উপর এমন বোঝা চাপিয়ে দেবেন না যা আমাদের পূর্ববর্তীদের দিয়েছেন। আর আমাদের উপর এমন ভার দেবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদেরকে মুক্তি দান করুন, ক্ষমা করুন এবং দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। সুতরাং আমাদেরকে কাফিরদের উপর সাহায্য করুন।” (সূরা বাক্বারা- ২৮৬)
رَبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يَنَادِي لِلْإِيْمَانِ أَنْ آمِنُوا بِرَبِّكُمْ فَأَمَنَّا رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الْأَبْرَارِ
“হে আমাদের রব! নিশ্চয় আমরা এক আহ্বানকারীকে আহবান করতে শুনেছিলাম যে, তোমরা স্বীয় প্রতিপালকের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, তাতেই আমরা ঈমান এনেছি; হে আমাদের রব! অতএব আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করুন আর আমাদের গুনাহগুলো মুছে দিন এবং পুণ্যবানদের সাথে আমাদেরকে মৃত্যুদান করুন।” (সূরা আলে ইমরান- ১৯৩)
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ
বল, 'হে আমার প্রতিপালক! ক্ষমা কর ও দয়া কর, তুমিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।' (সূরা মু'মিনূন- ১১৮)
আদম ও হাওয়া (আ:) যে দো'আ করে ক্ষমা চেয়েছিলেন :
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
তারা বলল, 'হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের প্রতি অন্যায় করেছি, যদি তুমি আমাদেবকে ক্ষমা না কর এবং দয়া না কর তবে তো আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।' (সূরা আ'রাফ- ২৩)
মহানবী ﷺ বলেন, কোন ব্যক্তি নিম্নোক্ত বাক্যে আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করলে তিনি তার গুনাহসমূহ মাফ করেন, এমনকি তা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নের মতো গুনাহ হলেও।
اسْتَغْفِرُ اللهَ الَّذِي لَا الهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
“আসতাগফিরুল্লাহাল্লাযী লা-ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি।”
“আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করি, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী এবং আমি তাঁর নিকট তওবা করি।” (আবু দাউদ হা: ১৫১৯, তিরমিযী হা: ৩৫৭৭)

📘 গীবত ও তওবা > 📄 তওবার উপর অটল থাকার পদ্ধতি

📄 তওবার উপর অটল থাকার পদ্ধতি


১. সর্বদা পাপের প্রতি ঘৃণাবোধ জাগ্রত রাখা।
২. পাপ ও তার কুফলের কদর্যতা অনুভব করা।
৩. তাহাজ্জুদের নামায পড়ে সর্বদা আল্লাহর কাছে দু'আ করা, যাতে করে পুনরায় পাপে জড়িয়ে না পড়তে হয়।
৪. হারাম দ্রব্যাদি যা সংগ্রহে আছে তা নষ্ট করে ফেলা। যেমন, মাদকদ্রব্য, বাদ্যযন্ত্র, মূর্তি ও প্রাণীর ছবি এবং ইসলাম বিরোধী সাহিত্য ও ভাস্কর্য ইত্যাদি। এগুলো ভেঙ্গে ফেলা, নষ্ট করা অথবা পুড়িয়ে ফেলা জরুরি।
৫. ভাল ও উপকারী কাজে নিজের সময় ব্যয় করা- যাতে শয়তানী কাজের সুযোগ হাতে না থাকে।
৬. সৎপথে অবিচল থাকার জন্য সহায়ক বন্ধু নির্বাচন করা- যারা দুষ্ট বন্ধুদের বিকল্প হবে।
৭. যে পাপ কাজে সহযোগিতা করে বা উৎসাহ দেয় তার থেকে দূরে থাকা। কেননা যে পাপ কাজে সহযোগিতা করে সে কখনো প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না। মূলত সে-ই হচ্ছে প্রকৃত শত্রু। আল্লাহ তা'আলা বলেন-
الْآخِلَّاءُ يَوْمَئِذٍ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ إِلَّا الْمُتَّقِينَ
“পরহেযগার বন্ধু ছাড়া অন্য সকল বন্ধু সেদিন শত্রু হয়ে যাবে।” (সূরা যুখরুফ- ৬৭)
এসব বন্ধুরা কিয়ামতের দিন একে অপরকে অভিশাপ দেবে আর উক্ত সৎ বন্ধুদের দেখে আফসোস করবে। অতএব আল্লাহর পথের পথিক হিসেবে আমাদের উচিত সেসব বন্ধুদের অনিষ্ট থেকে নিজেকে যথাসম্ভব বিরত রাখা এবং অপরকে সতর্ক করা। সম্ভব হলে তাদেরকে সংশোধন করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা। আর শয়তানের প্ররোচণা থেকে সতর্ক থাকা। কেননা অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে অনেকে পুরনো বন্ধুর সাথে সম্পর্ক গড়তে গিয়ে আবার পাপের পথে ফিরে গেছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00