📄 গীবতের পরিণামে আরো অনেক গুনাহ হয়
বান্দার হক সংক্রান্ত গুনাহের ক্ষেত্রে নিয়ম হলো, মানুষ যখন এ জাতীয় গুনাহ একটা করে ফেলে, তখন তা ঢাকতে আরো দশটি গুনাহে জড়াতে হয়। গীবতের কথাটাই ধরুন, যার গীবত করা হয়, সে যখন জানতে পারে আর এসে জিজ্ঞেস করে তুমি আমার সম্পর্কে এই-এই কথা বলেছ? তখন সে স্বীকার করবে কি করবে না? করলে সে অপরাধী হিসেবে ধরা পড়ে যাবে। আর যদি স্বীকার না করে তাহলে সরাসরি মিথ্যা বলবে। ঘোরপ্যাঁচের আশ্রয় নেয়ার সুযোগ হবে না। যদি কথা ঘোরানোর চেষ্টা করে, আর এধার-ওধারের কথা বলে বাঁচার চেষ্টা করে, তবে সে ঠিকই ধরে ফেলবে যে, নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। আর যদি অস্বীকার করে বলে, না আমি একথা বলিনি, তবে গীবতের সাথে মিথ্যা বলার গুনাহও যোগ হলো। সেই সঙ্গে যদি সেই ব্যক্তি বুঝে ফেলে যে মিথ্যা বলা হয়েছে, তবে তার অন্তরে আরো বেশি ঘৃণা সৃষ্টি হবে এবং শত্রুতা আরো বাড়বে। সুতরাং অহেতুক এমন কাজ কেন করবো, যার পরিণামে পরস্পর বিদ্বেষ ও শত্রুতা তৈরি হয়? ফায়দা তো কিছুই হয় না। উল্টো বিভিন্ন গুনাহ হয়, অন্তরে যুলুমাত দেখা দেয় এবং পরস্পরে শত্রুতা জন্ম নেয়।