📄 গীবত কৃত ব্যক্তির মৃত্যু হলে করনীয়
হযরত থানভী রহ. বলেন, যার গীবত করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি যদি মারা গিয়ে থাকে, তবে এখন ক্ষমালাভের উপায় হলো, তার জন্য দুআ ও ইসতিগফার করতে থাকা। যতক্ষণ পর্যন্ত মন সাক্ষ্য না দেবে যে, এখন সে রাজি-খুশি হয়ে গেছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এ আমল চালিয়ে যাবে।
অর্থাৎ যে ব্যক্তির গীবত করা হয়েছে তার জীবদ্দশায় তো ক্ষমা চাওয়া হয়নি। মৃত্যুর পর হুঁশ হয়েছে যে, গীবত দ্বারা আমি তার যে হক নষ্ট করেছি, তা তো মাফ করানো হলো না। এখন মাফ করানোর উপায় কী? উপায় হলো, তার জন্য দুআ করতে থাকা এবং তার দ্বারা যে সব গুনাহ হয়ে গেছে সে, জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চাওয়া যে, হে আল্লাহ! তার গুনাহসমূহ মাফ করে দিন। এ আমল যথারীতি চালিয়ে যাবে যতক্ষণ না মন সাক্ষ্য দেয় যে, সে এখন রাজি-খুশি হয়ে গেছে।
মোটকথা, বান্দার হকের বিষয়টি অত্যন্ত জটিল। বান্দা যতক্ষণ ক্ষমা না করে ততক্ষণ পর্যন্ত তা ক্ষমা হয় না। যার হক নষ্ট করা হয় তার ইন্তিকাল হয়ে গেলে ব্যাপারটা আরো কঠিন হয়ে যায়। তবে কোনো অবস্থাতেই হতাশার কারণ নেই। আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা প্রাপ্তি কোনো অবস্থায়ই এমনভাবে বন্ধ করে দেন না যে, তারপর আর ক্ষমা লাভের কোনো সুযোগ থাকে না।