📘 গীবত ও তার ভয়াবহ ক্ষতি > 📄 দ্বিতীয় চিকিৎসা শাস্তির কথা কল্পনা করা

📄 দ্বিতীয় চিকিৎসা শাস্তির কথা কল্পনা করা


হযরত থানভী রহ. শেষে বলেন, প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী যে কাজ হবে, তার শাস্তির কথা চিন্তা করবে। অর্থাৎ ভাববে, আমার অন্তরে তার প্রতি যে মলিনতা দেখা দিচ্ছে, এটা যদি দানা বাঁধতে থাকে এবং এর পরিণামে কোনো গুনাহ করে বসি, যেমন গীবতে লিপ্ত হওয়া, অকল্যাণ চাওয়া ইত্যাদি, তবে সে জন্য তো আমাকে শাস্তি পেতে হবে, আর সে শান্তি কতই না কঠিন। শান্তির কথা চিন্তা করবে এ জন্য যে, এর ফলে প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী কাজ করার স্পৃহা নিস্তেজ হয়ে যাবে। অর্থাৎ তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার যে প্রেরণা দেখা দিয়েছিল সেটা দুর্বল হয়ে যাবে।

📘 গীবত ও তার ভয়াবহ ক্ষতি > 📄 এক সপ্তাহ পরে অবস্থা জানাবে

📄 এক সপ্তাহ পরে অবস্থা জানাবে


সবশেষে বলেন, এক সপ্তাহ পর আমাকে তোমার অবস্থা অবহিত করবে। তা এজন্য যে, চিকিৎসক তার চিকিৎসায় ফলাফলের দিকেও নজর রাখেন। সুফল পাওয়া গেলে তো ভালো, অন্যথায় ঔষধ বদলে দেন। অনেক সময় ঔষধে মাত্রা বৃদ্ধি করলেও সুফল পাওয়া যায়। তাই শায়েখের নিকট থেকে মাত্র একবার নির্দেশনা নিয়েই ক্ষান্ত হওয়া ঠিক নয়।
হযরত থানভী রহ. এ স্থলে যে ব্যবস্থা দিয়েছেন, মূলনীতি হিসেবে তো তা সঠিক। কিন্তু একই ব্যবস্থা যে সকলের জন্য সমান কার্যকর হবে এমন কোনো কথা নেই। ব্যক্তিভেদে অনেক সময় ব্যবস্থার পার্থক্য করতে হয়। কাজেই তিনি যে ব্যবস্থা দিয়েছেন, কারো কারো জন্য তা যথেষ্ট হলেও অন্যের জন্য বাড়তি চিকিৎসার দরকার হতে পারে। কাজেই এ ব্যবস্থা পড়ে কেউ যেন মনে না করে, মূলনীতি পেয়ে গেছি, ব্যস এখন আমি নিজেও এটা প্রয়োগ করতে পারবো। এখন আর শায়খের দরকার হবে না। আমি নিজেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করে গুনাহ থেকে বাচঁতে পারবো।
হযরত থানভী রহ. বলেন, ব্যাপারটা আদৌ এরকম নয়। এরপরও শায়খের দরকার আছে। এই একটা ব্যবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেই ক্ষান্ত হবেন না। সপ্তাহান্তে শায়েখকে জানাবে চিকিৎসার ফলাফল কী হয়েছে। তারপর শায়েখই সিদ্ধান্ত নিবেন, চিকিৎসা যথেষ্ট হয়েছে কি না এবং এতটুকুতেই পরিপূর্ণ নিরাময় হয়ে যাবে নাকি আরো ঔষধের দরকার হবে? আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এর উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00