📘 গীবত ও তার ভয়াবহ ক্ষতি > 📄 কারো প্রতি কুধারণা করা সম্পূর্ণ নিষেধ

📄 কারো প্রতি কুধারণা করা সম্পূর্ণ নিষেধ


হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত আছে। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন:
إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ فَإِنَّ الظَّنَّ اَكْذَبُ الْحَدِيثَ وَلَا تَسُبُّوا وَلَا تَجَسَّسُوا وَلَا تَحَاسَدُوا وَلَا تَدَابَرُوا وَلَا تَبَاغَضُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا
অর্থাৎ, তোমরা কুধারণা থেকে বিরত থাকো। কেননা কুধারণা মারাত্মক মিথ্যা। তোমরা অন্যের দোষ-ত্রুটি অনুসন্ধান করবে না, গোয়েন্দাগিরী করবে না, পরস্পর হিংসা করবে না, একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষভাব পোষণ করবে না এবং পরস্পর বিরোধে লিপ্ত হবে না। বরং তোমরা সকলেই আল্লাহর বান্দা ও ভাই হয়ে থাকবে। (বুখারী-৫১৪৩, ৫২৪৪, ৬০৬৪, ৬০৬৬, ৬৭২৪, ইফা.-৫৬৩৮, ৫৬৪০, মুসলিম-১৪১৩, ২৫৬৩, আবু দাউদ-৩২৮০, তিরমিযী-১৯৮৮, ইবনে মাজাহ-৩২৩৯, ৩২৪২, আহমাদ-৭২৯২, ৭৬৪৩, ৭৬৭০, ৭৭৯৮, মালিক-১১১১, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)
হাদীসের ব্যাখ্যা: 'কুধারণা' অত্যন্ত নিকৃষ্ট একটি রূহানী রোগ। এই রোগ থেকে হাজারো রোগের জন্ম হয়। বিশেষত স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ, আত্মীয়-স্বজনের মাঝে দূরত্ব, নিজেদের মধ্যে কলহ-বিবাদ এসব কিছুই কুধারণা থেকে হয়ে থাকে। এজন্যে অভিজ্ঞ আলেমগণ বলেন, কেউ যদি কুধারণা থেকে বাঁচতে পারে, তাহলে হাজারো গুনাহ থেকে বাঁচার তাওফিক হবে। আলোচ্য হাদীসে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুধারণার পাশাপাশি আরো কয়েকটি কু-স্বভাব থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। যদি কেউ এই কু-স্বভাবগুলো থেকে বেঁচে থাকতে পারে, তবে আল্লাহর মেহেরবানীতে সে অল্প দিনের মধ্যেই বুযুর্গ হতে পারবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00