📘 ফুতুহুশ শাম 📄 বদান্যতা স্বরূপ হযরত খালিদের সম্রাটের মেয়েকে মুক্তি দান

📄 বদান্যতা স্বরূপ হযরত খালিদের সম্রাটের মেয়েকে মুক্তি দান


এ কথা শুনে হযরত খালিদ বৃদ্ধকে বললেন, আপনি আপনার নেতা হিরোক্লিয়াসকে বলবেন, আমি তার সিংহাসন ও পায়ের নিচের মাটির অধিকারী না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকে ফিরে যাব না, ব্যাপারটা অবশ্যই তিনি জানেন। আর তিনি যদি সুযোগ পেতেন, তাহলে কখনো আমাদের প্রতি নমনীয় হতেন না। আর বলবেন যে, তার কন্যাকে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে হাদিয়া দিয়ে দিলাম। অতঃপর হযরত খালিদ সম্রাট তনয়াকে বৃদ্ধের কাছে হস্তান্তর করেন।

📘 ফুতুহুশ শাম 📄 ক্ষমতা লোভী সম্রাটের সেই পুরাতন অরণ্যে রোদন

📄 ক্ষমতা লোভী সম্রাটের সেই পুরাতন অরণ্যে রোদন


বৃদ্ধ তাকে নিয়ে সম্রাটের কাছে উপস্থিত হবার পর সম্রাট তার সভাসদকে ডেকে বললেন- “এ বিপদের প্রতিই আমি তোমাদের ইঙ্গিত দিয়েছিলাম। কিন্তু তোমরা আমার কথাকে আমলে নাওনি, বরং আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিলে। শীঘ্রই এর চেয়ে বড় বিপদ দেখা দিবে। বিপদটি আমাদের প্রভুর পক্ষ থেকেই আসবে”। সম্রাটের কথা শুনে তারা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল।

📘 ফুতুহুশ শাম 📄 দামেস্কে পৌঁছে হযরত খালিদ ও মুসলমানরা

📄 দামেস্কে পৌঁছে হযরত খালিদ ও মুসলমানরা


এ দিকে হযরত খালেদ দেমেস্কে এসে পৌঁছেন। ইতোপূর্বে হযরত আবু উবাইদা ও মুসলমানরা সবাই হযরত খালিদ ও তার সাথীদের ব্যাপারে নিরাশ হয়ে যান। তারা হতাশা ও অস্থিরতায় ভুগছিলেন। এ সময় হঠাৎ হযরত খালিদ ও তার সাথীদের আগমন দেখে আনন্দিত হয়ে তারা সবাই তাদেরকে অভিনন্দন জানানোর জন্য বের হয়ে পড়েন। উভয় দল মুখোমুখি হওয়ার পর সবাই পরস্পরে সালাম ও কুশল বিনিময় করলেন।

দামেস্কে এসে হযরত খালিদ হযরত আমর বিন মা'দিকারাব ও হযরত মালেক বিন আল আশতারকে দেখে খুশী হন। অতঃপর তিনি হযরত আবু উবাইদার পাশে বসে তাকে সফরের বৃত্তান্ত শোনান। হযরত আবু উবাইদা হযরত খালিদের বীরত্ব ও সাহসিকতার জন্য বিস্ময় প্রকাশ করেন। এরপর হযরত খালিদ গনীমত গুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করে চার ভাগ মুসলমানদের মাঝে বণ্টন করেন এবং এক ভাগ নিজের জন্য রাখলেন। আর নিজের গনীমত থেকে ইউনুসকে কিছু দিয়ে বললেন, তুমি এগুলো দিয়ে একটা বিয়ে কর অথবা একটা রোম নারী ক্রয় কর। ইউনুস বললেন, আল্লাহর কসম আমি এ দুনিয়ায় আর কোন বিয়ে করব না। আমি আখেরাতে জান্নাতের হুরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাই।

📘 ফুতুহুশ শাম 📄 শাহাদাত বরণ করলেন ইউনুছ

📄 শাহাদাত বরণ করলেন ইউনুছ


হযরত রাফে বিন উমাইরা আততাঈ বলেন, ইউনুস ইয়ারমুক পর্যন্ত সকল যুদ্ধে আমাদের সাথে অংশগ্রহণ করেছে এবং প্রত্যেক যুদ্ধেই বীরত্ব ও সাহসিকতা প্রদর্শন করেছে। ইয়ারমুকের যুদ্ধে সে বীর বিক্রমে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। এ সময় হঠাৎ রোমানদের একটি তীর এসে তার বক্ষের উপরি অংশে বিদ্ধ হয়। এতে তার শাহাদাত নসীব হয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px